Amar Praner Bangladesh

চিতলমারীতে সাবেক স্ত্রীর রোশানলে নিরাপত্তা হীনতায় দিন কাটছে এক ব্যবসায়ী পরিবারের

মো:একরামুল হক মুন্সী (চিতলমারী) বাগেরহাট :
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সাবেক স্ত্রীর রোশানলেপড়ে নিরাপত্তা হীনতায় দিন কাটছে এক ব্যবসায়ী পরিবারের। সরকারী বরাদ্দকৃত একটুখানি জায়গায়  বৃদ্ধপিতাও পরিবারের লোকজন নিয়ে ব্যবসা করে বেঁচে থাকতে চাইলেও সাবেক স্ত্রী ও তার বর্তমান স্বামীর প্রভাবশালীরা ওই ব্যবসায়ীকে তার ব্যবসা প্রতিষ্টান থেকে উচ্ছেদের জন্য অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেবলে জানাগেছে। আরএঘটনা ঘটেছে উপজেলার নালুয়া সদর বাজারে।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে,বিগত ১৯৯৮সালে স্থানীয় নালুয়াবাজারের দরিদ্র উজির আলীর ছেলে মো:রুহুল আমিন শেখ(৪৮)সাথে স্থানীয় পেতনিমারী গ্রামের মৃত:আলাল উদ্দিন শেখের মেয়ে খুকুমনির(২৮) বিবাহ হয়। বিবাহিত জীবনে তাদের দুটি সন্তান জন্ম গ্রহনকরে।এঅবস্তায় রুহুলের নানার নালুয়া বাজারস্থ নিলাম হওয়া .০৩শতাংশ বাস্ত সম্পত্তি রুহুল আমিন ও তার সাবেকস্ত্রী খুকুমনি পারিবারিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের নিকট থেকে ডিসিআর মুলে বন্দোবস্তনেন।যার জে,এল নং-৬৩, বাগেরহাট  জেলার সাবেক মোল্লাহাট থানাধিন জমিদারি দখলও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ও ১১০ ধারামতে ৪৪/২০০৫নং নামপত্তন ও জমাজমি খরিদ মোকদ্দমায় হুকুম মোতাবেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  নামও অংশ হইতে.০৩ শতাংশজমি কর্তন করিয়া ৩৫৮/বি/২০০০নং বন্দোবস্ত কেসের অনুমোদন সাপেক্ষে রুহুল আমিন  পিতা-উজির শেখও খুকুমনি স্বামী  রুহুল আমিন সাং- নালুয়াদের নামে ১৮৬৭/৩ দাগে ১.০০টাকা ভূমি উৎসকর ধায্যে ১/১১ নং একটি পৃথক খতিয়ান খোলা হলেও সরেজমিনে পুরোজমি রুহুল আমিনের দখলেনাই। তার দখলকৃত ব্যবসা প্রতিষ্টানের জমির মধ্যে রয়েছে মাত্র পৌনে একশতক।
এঅবস্থায় রুহুলের স্ত্রী খুকুমনি ০১/০৬/২০০৬সালে স্বামীকে সেচ্ছায় তালাকদেন এবং তা গোপালগঞ্জ নোটারী পাবলিকের আদালত থেকে এ্যাফিডেভিট ৭৩৩ মুলে ১০/১০/২০০৬ ইংরেজী তারিখ কার্যকারীহয়।রুহুলকে তালাকের পর খুকুমনি পুনরায় স্থানীয় পেতনিমারী গ্রামের আলাল শেখের ছেলে আবুবক্কারকে বিবাহ করেন। এই বিয়ের পর সাবেকস্বামী রুহুল আমিনকে তার ভোগদখলীয় ব্যবসা প্রতিষ্টান থেকে উচ্ছেদেরজন্য কতিপয় প্রভাবশালী ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে খুকুমনির বর্তমানস্বামী আবুবক্কার ও খুকুমনি ভয়-ভীতি,হুমকি- ধামকি অব্যহত রেখেছে বলে আভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ষাটউদ্ধো উজির আলী হাউমাউ করে কেঁদেবলেন,আমি অসহায় মানুষ এইজাগাই আমাদের বেঁচে থাকার সম্বল। এখান থেকে যা কিছুছেলেটা রোজগারকরে তাই দিয়া কোনমতে খেয়ে নাখেয়ে বেঁচেথাকি। এঅবস্থায় প্রানের ভয়ে কিছু অসাধু লোকদের আমার ছেলেকে টাকাও দিতেহয়েছে।
রুহুল আমিন বলেন,তিনি পৌনেএকশতক জায়গায় সরকারী বন্দোবস্ত নিয়ে ব্যাবসা করছেন।এজায়গার বৈধ মালিক তিনি।তার বলহীনতার কারনে এষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এদিকে ইউনিয়ন তহশীলদার হাচিবুর রহমান জানান,তৎকালীন স্বামী স্ত্রীর নামে এসম্পত্তি বন্দোবস্ত নেয়া, রেকর্ড হয়েছে। বর্তমান স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন আইনে যা হবার তাইহবে। নালুয়া বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্তাপনা কমিটির সভাপতি অহিদুজ্জামান মোল্লা জানান,রুহুল আমিন তার নানার পৈত্রিক সূত্র ধরে জমিটা সরকারী বন্দোবস্ত পান।এবং ট্রেডলাইসেন্স, করখাজনা দিয়ে বছরেরপর বছর বৈধ সম্পত্তিতে ব্যবসা করছেন।বর্তমান তারপর যে জুলুম হচ্ছে তা পুরোটাই গায়ের জোরে বলে আমি মনেকরি।