Amar Praner Bangladesh

জনপ্রতিনিধি না হয়ে সকল মানুষের পাশে রয়েছেন যে মানুষটি তিনি হলেন—–চঞ্চল মিত্র

 

আ:রাজ্জাক শেখ :

 

 

জনপ্রতিনিধি না হয়েও সকলের পাশে থেকে যে মানুষটি সকল ধরনের সেবা করে যাচ্ছেন এবং মানুষ মানুষের জন‍্য এ স্লোগানকে সামনে রেখে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন যিনি তিনি হলেন চঞ্চল মিত্র।

মানুষের সেবা করার সুযোগ থাকলেও অনেকেই করতে পারেন না।

জনপ্রতিনিধির উদ্ধে থেকে যে মানুষটি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি হলেন রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের তিলক গ্রামের প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা সাধন মিত্রের ছেলে চঞ্চল মিত্র।

তিনি রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।দীর্ঘদিন ধরে সকল ধরনের মানুষের পাশে থেকে সাধ‍্য অনুযায়ী ও অনেক জনপ্রতিনিধিদের থেকেও বেশি সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।

তার কাছে উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ‍্য মানুষকে যেতে দেখা যায়। পরবর্তীতে দেখা যায় কোন রোগী হাসপাতালে,কন‍্যার বিবাহ কেউ বা একটা কাজের জন‍্য আসছিল তার কাছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে,অনেক জটিল রোগীদের তিনি তার ব‍্যক্তিগত অর্থ দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করেছেন। তার কাছে যারা আসেন তাদের কে সাধ‍্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন।

যেমনটি ছবিতে একটি ক্লিনিকে উপকারী ঐ ব‍্যক্তিকে কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। যাদের সাথে কথা বলছে তারা হলেন টিএসবি ইউনিয়নের একটি গ্রামের অসহায় ময়নার পরিবার ও আত্বীয়। ময়না হল ২০ বছরের একটি মেয়ে তার জটিল একটি অপারেশন করা হয়েছে।

ময়নার বাবা একজন দিনমজুর তার পক্ষে এ অপারশনের খরচ বহন করা সম্ভব নয়। যেকোন মাধ‍্যমে অসহায় মানুষের পাশে থাকা মানুষটি জানতে পেরে তিনি ক্লিনিকে যান এবং ময়নার সকল খরচ বহন করে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।এই ধরনের কাজ প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন তিনি।

এছাড়া তিনি রূপসার জাবুসা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত গ্লোরী জুট মিলের গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কে দিয়েছে কর্মসংস্থানের ব‍্যবস্থা।

যা অনেক জনপ্রতিনিধির থেকে অনেক গুন বেশি কাজ করে আসছে জনপ্রতিনিধি না হয়েও। আরো দেখা যায়,জনপ্রতিনিধিদের কাছে না গিয়ে তার কাছে যাচ্ছে মানুষ।

কেন যাচ্ছে প্রশ্ন করলে তারা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের থেকে অনেক বেশি কাজ করে যাচ্ছে ঐ মানুষটি।
অনেক সময় জনপ্রতিনিধিদের পাওয়া যায় না। তাছাড়া তারা খবর ও রাখেনা। কিন্তু চঞ্চল সব সময় খবর রাখে, কোন সমস‍্যায় পড়লে সমাধান করে দেয়। যে কারনেও মানুষ তার কাছে যায়।

করোনা ভাইরাস শুরুতেই তিনি ব‍্যক্তিগত ভাবে যে পরিমান খাদ‍্য সহায়তা প্রদান করেছেন তা বিত্তবানরা করেনি।

অনেক জনপ্রতিনিধি শুধু মাত্র সরকারের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে সহায়তা দিয়েছে। এছাড়া তারা নাম মাত্র কিছু খাদ‍্য সামগ্রী দিয়েছে।

অথচ চঞ্চল মিত্র তাদের থেকে কয়েক গুন বেশি সহায়তা প্রদান করেছেন বলে ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানাই।

দেশের এই ক্লান্তি লগ্নে তিনি এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষকে খাদ‍্য সহায়তা ও নগত অর্থ বিতরণ করেছেন বলে জানা যায়।

করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে দলীয় লোকদের নিয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এই পরিস্থিতেই অনেকেই ঘর থেকে নামেনি। অথচ তিনি বিচরণ করছেন সব স্থানে।

এছাড়া প্রতি রমজান মাসে মানুষের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করে যান এ প্রিয় মানুষটি।এছাড়া তার সহযোগিতা থেকে বাদ পড়েনি মসজিদ,মন্দির ও।নিজ উদ‍্যোগে তৈরী করেছেন গণকবর স্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ।এছাড়া সরকারের নিকট থেকে তদারকি করে প্রায় ১০ কোটি টাকার পাকা(পিচ) রাস্তা নির্মাণ করেছেন এলাকায়।বৃষ্টি হলে যে সকল রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যেত না।আজ সেই রাস্তা পিচ(পাকা)রাস্তায় পরিনত হয়েছে। তাতে এলাকাবাসি সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার গর্ব চঞ্চল মিত্রকে।

উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ বলেন, এদেশ তরুনরাই গড়বে। চঞ্চল মিত্র যে ভাবে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছে তাতে তাকে নিয়ে মানুষ ভাবতে শুরু করেছে। তারমত জনদরদী নেতা দরকার সরকারের উন্নয়ন করার জন‍্য।

এ ব‍্যাপারে ইউপি সদস‍্য মঈন উদ্দীন বলেন, চঞ্চল মিত্রের মত একজন জন বান্ধব মানুষ আমাদের সমাজে দরকার। প্রতিটি মানুষকে তিনি যে ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তা বিরল।তার এ সহযোগিতায় আমাদের সকলেই তার পাশে থাকা উচিত।

এসকল বিষয় জানতে চাইলে মিত্র বলেন, আমি প্রচার প্রচারণার জন‍্য এগুলো করি না। মানুষের উপকার করা আমার পেশায় পরিনত হয়েছে। উপকার করতে পারলে নিজেকে ধন‍্য মনে করি।করোনার পূর্ব থেকে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাচ্ছি বাকী জীবন মানুষের পাশে থাকব।

নিয়মিত এলাকার মানুষের খোজ খবর রাখছি। ইতি মধ‍্যে সকল ধরনের মানুষের মাঝে কয়েক দফায় খাদ‍্য সামগ্রী বিতরণ করেছি।তার মধ‍্যে রয়েছে চাল,ডাল,তেল,লবণ, আলু, পিয়াজ ইত‍্যাদি।