সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে ১২ পিস প্যাকেটের কেক খেয়ে ২ বোনের মৃত্যু ‘সাফ অ-২০ ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৩’-এর খেলা, ‘সহকারী টিম লিডার’ এর দায়িত্বে আবারো নুরুল ইসলাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মমতাজুল হক সভাপতি ও অক্ষয় কুমার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত চুয়াডাঙ্গায় ভালাইপুরের শাজান সজীবের বিরুদ্ধে জমি দখলের পায়তারা নড়াইলের মধুমতী নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ৩দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার দেশ ও জাতির স্বার্থে ঐক্যের বিকল্প নেই : হাসান সরকার সাতক্ষীরায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা টাঙ্গাইলে সেচের মূল্য টাকায় পরিশোধের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন সৌদি আরবে এক সপ্তাহে বাংলাদেশিসহ ১৬,৩০১ জন অবৈধ প্রবাসী গ্রেফতার প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় লাইনম্যান বেপরোয়া প্রশাসনের নিরব ভূমিকা

জামালগঞ্জের প্রাইমারী স্কুলে বদলি শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ২০ Time View

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা :
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় সরকার নিয়োগকৃত নির্ধারিত শিক্ষকের বদলে বদলি (প্রাথমিক শিক্ষক) দিয়ে জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নে শ্রীমন্তপুর,শুকদেবপুর,যশমন্তপুর, রামপুরসহ ওই চার গ্রামে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান করানো অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, শ্রীমন্তপুর,শুকদেবপুর,যশমন্তপুর, রামপুর এ চার গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য এ বিদ্যালয়ে দুজন শিক্ষক নিয়োগকৃত আছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হাফিজা বেগম নিজে বিদ্যালয়ে না গিয়ে তার স্বমী রুবেল আহম্মেদ কে নিয়ে পাঠ দান করান। গত ১৪ সেপেম্বর বিদ্যালয়ের গিয়ে দেখা যায় ভারপ্রপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নিশা রাণী বর্মন একাই বিদ্যালয়ে পাঠ দান করছেন। সহকারী শিক্ষিকা হাফিজা আক্তারের অনুপস্থিথির বিষয়ে জানতে চাইলে নিসা রাণী বর্মন জানান তিনি অসুস্থতার জন্য ছুটিতে আছেন। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্ধা শ্যমল বর্মন, সুষেণ বর্মন, রবি বর্মন, রুপন বর্মণ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, হাফিজা বেগম বিগত কয়েক মাস ধরে স্কুলে আসেন না। তার পরিবর্তে উনার স্মামী রুবেল আহম্মদ স্কুল চালান। শিক্ষিকার অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা চরম ভাবে বিঘিœত  হচ্ছে। জানা যায়, উপজেলা গণমাধ্যমকর্মীরা ওই স্খলে যাওয়ার খবর পেয়ে শিক্ষিকা হাফিজা বেগমের স্মামী রুবেল আহম্মদ নিজেই তার স্ত্রীর ছুটির আবেদন লিখে বিদ্যালয় থেকে সড়ে পড়েন। এ ছাড়াও তিনি প্রতিদিন স্কুলের হাজিরা খাতায় তার স্ত্রীর স্বাক্ষর তিনি নিজেই দিয়ে আসনে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নিশা রাণী বর্মন জানান হাফিজা বেগম নিয়মিত স্কুলে পাঠদান করেন। কিন্তু পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের উপস্থিতিতে হাফিজা বেগম বিদ্যালয়ে না যাওয়ার কথা স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষিকা হাফিজা বেগম জানান, আমার সমস্যার কারণে ছুটিতে ছিলাম। মানুষের অনেক শত্রু থাকে, যারা বলেছে আমি টিকমতো স্কুলে আসিনা তারা আমার কথা মিথ্যা বলেছে। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মীর আব্দুল্লাহ জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। খুজ নিয়ে দেখবো, ঘটনা সত্য হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category