Amar Praner Bangladesh

জাহাজ মাস্টারের অদক্ষতাই এম.ভি.মালতি-১ ডুবার মূল কারণ, বাংলার সৈনিক-৩ কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

চট্রগ্রাম কর্ণফুলী নদীতে লবন বোঝাই লাইটারেজ জাহাজ এম.ভি.মালতি-১ মাস্টারের অদক্ষতা, অতিরিক্ত মাল বোঝাই, সঠিক পদ্ধতিতে এংকার না করায়্ প্রবল পানির স্রোতের ধাক্কায় ক্রুড লবন বোঝায় লাইটারেজ জাহাজটি গত ৮ নভেম্বর সকালে ডুবে যায় বলে প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানিয়েছে ।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ জাহাজটি গত ৬ নভেম্বর রাত ১১.৩০ টায় কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর বাম পাশে চ্যানেল ক্লিয়ার করে এ্ংকার করে । ৬ নভেম্বর সকালে ১০/১৫ ফিট ব্যবধানে এমভি মালতি-১ জাহাজটি এংকার করে । এতো কাছাকাছি এংকার করায় এম,ভি, বাংলার সৈনিক-৩ জাহাজের মাস্টার আবু সুফিয়ান এম,ভি, মালতি-১ মাস্টারকে সতর্ক করে দুটি জাহাজই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা এড়াতে নিরাপদ দূরত্বে এংকার করার জন্য অনুরোধ জানায় ।কিন্তু তারা বিষয়টি গুরুত্ব না দেয়ায় এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ জাহাজের মাস্টার আবু সুফিয়ান জাহাজ নিয়ে ২০০ মিটার উপরে গিয়ে নিরাপদ স্থানে একাংর করে। প্রাথমিক অনুসন্ধ্যানে যানা যায় এম.ভি.মালতি-১ এর চট্রগ্রাম বন্দরে আসার কোন অনুমোদন নেই।বে-ক্রসিং করার অনুমতি নেই এবং জাহাজের মাস্টারের কর্ণফুলী নদীর এন্ডোর্সমেন্ট সার্টিফিকেট নেই ।

পরবতীর্তে এমভি মালতি-১ জাহাজটি এংকার ড্রেজিং করে বামে গেজরা দিয়ে এংকার সহ নিয়ে গিয়ে ব্রীজের পিলারের উপর পরে কর্ণফুলীর প্রচন্ড পানির স্রোতের ধাক্কায় জাহাজের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে না পারায় জাহাজটি ডুবে যায় বলে জানা গেছে । ডুবে যাওয়া জাহাজের লোকজন কিংকর্তব্য বিমূর হয়ে দিশে না পেয়ে হতবিহম্বল হয়ে পড়ে। তারা নিজেদের র্ব্যথতা ও দোষ ঢাকতে এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ জাহাজটিকে দ্বায়ী করেন বলে অভিযোগে জানা যায় । নিজেদের দোষ অন্যের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে যা উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে ।

এ ব্যাপারে গত ৭ নভেম্বর মোস্তফা সল্টের ম্যানেজার কিশোর দাস বাদী হয়ে চট্রগ্রামের বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করার কথা যানা গেছে যার নং ৩৪৭ । গত ৮ নভেম্বর চট্রগ্রামের স্থানীয় দৈনিক আজাদী পত্রিকায় এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ এর ধাক্কায় এমভি মালতি-১ ডুবে যায় বলে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ জাহাজের মাস্টার আবু সুফিয়ান লিখিতভাবে এ মিথ্যা, বানোয়াট এবং কাল্পনিক সংবাদের তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ জানালে দৈনিক আজাদী পত্রিকাতে গত ১০ নভেম্বর গুরুত্বসহ ফলাও করে প্রতবাদ লিপি ছাপানো হয় । তাছাড়া এ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে এম,ভি,বাংলার সৈনিক-৩ এর মাস্টার আবু সুফিয়ান ব্যবস্থাপনা পরিচালক,মেরিন সার্ভিস এন্ড ট্রেডার্স, এম, এসটি লিঃ, নির্বাহী পরিচালক, ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট,লিঃ, সভাপতি/ সেক্রেটারি, বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন, মাদার শিপিং এন্ড ট্রেডিং এজেন্সীকে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়েছেন।বিষয়টির সুস্ঠু তদন্ত হলে থলের বেড়াল বেড়িয়ে আসবে এবং সত্য উৎঘাটিত হবে ।