Amar Praner Bangladesh

টঙ্গীতে এসিড নিক্ষেপের শিকার এক কিশোরী

 

 

মনির হোসেন (শিশির) : 

 

টঙ্গীতে ফারজানা (১৭) নামের এক কিশোরী এসিড নিক্ষেপের শিকার হয়েছেন। এসিডে ফারজানার মুখের ডানপাশের একাংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর আহত ফারজানাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার রাতে টঙ্গীর আরিচপুর এলাকায়। গুরুতর আহত কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য টঙ্গীর আহসান উল্লা মাষ্টার হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফারহানার বাবার নাম মহিউদ্দিন তারা আরিচপুরের বাসিন্দা।

এলাকার লোকজন জানায়, খাইরুল ( ২০) পিতা-অজ্ঞাত বর্তমানে গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানা পূর্বআরিচপুর জামাই বাজার, শহীদ স্মৃতি স্কুল রোডের মজিদ মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া। দুই জন একত্রে একটি ওয়াশিং কারখানায় চাকুরির সুবাদে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমর সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিবাদী খুব চালাক প্রকৃতির লোক সে ঐ কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে প্রায় টাকা নিতো।

গত ১৫ ই মার্চ ২০২২ ইং তারিখ রাত ৮ টার সময় বাদী তার অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তা থেকে জোর পূর্বক বিবাদীর বাসায় নিয়ে যায় এবং তাহার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করে এবং টঙ্গী বাজার আবাসিক হোটেলে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়, ঐ কিশোরী টাকা দিতে অস্বীকার করলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে।

এ বিষয়ে ভূক্তভোগী কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিবাদী খাইরুল আমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। বর্তমানে আমি তাহাকে বিয়ের কথা বললে সে নানা রকম তাল বাহানা করছে। সে সব সময় আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে আমি নিজে বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এ অবস্থায় খায়রুল ইসলাম রোববার রাতে আমাকে আরিচপুরে একে পেয়ে আমার মুখমন্ডলে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত কিশোরীকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টঙ্গীর আহসান উল্লা মাষ্টার মেডিকেলে নিয়ে আসে।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাবেদ মাসুদ। তিনি বলেন ঘটনা তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিবো।