বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চুরির ঘটনায় হয় না তদন্ত, ধরা পড়েনা চোর টাঙ্গাইলে অন্যের ভূমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের অভিযোগ! নড়াইল লোহাগড়া উপজেলা দুই সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা উত্তরার সুন্দরী মক্ষিরাণী তন্নি অনলাইনে চালাচ্ছে দেহ ব্যবসা মিরপুর এক নাম্বারের ফুটপাত থেকে কবিরের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নাম ঠিকানা লিখতে পারেনা সাংবাদিকে দেশ সয়লাব গ্যাস ও বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সংসারের হিসাব সমন্বয় করতে গলদঘর্ম দেশবাসী ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পথে প্রবেশ করছে মাদক ৮০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অর্থ ও ভূমি আত্মসাৎ এ সিদ্ধহস্থ চুয়াডাঙ্গার প্রতারক বাচ্চু মিয়া নির্লজ্জ ও বেপরোয়া

তিতাস গ্যাস উন্নয়নের ইতিহাসে প্রবেশ করছে প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ মোল্লার নেতৃত্বে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৮৭ Time View

প্রাণের বাংলাদেশ ডেস্ক :

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ মোল্লাহ যোগদান করার পর থেকে অদ্যবধি বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং অবৈধ সংযোগ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে নিষ্ঠার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং তিতাস গ্যাস ব্যবস্থাপনার তৃণমূল থেকে সর্বক্ষেত্রে তার সুচারু নজরদারীর কারণে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী বাংলাদেশের ইতিহাসে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় প্রবেশ করছে।

২০২১-২০২২ করবছরে “জ্বালানি” শ্রেনিতে ১ম সর্বোচ্চ আয়কর প্রদানকারী হিসেবে তিতাস গ্যাস টি এন্ড ডি কোং লিঃ নির্বাচিত হয়েছে। কোম্পানির পক্ষে প্রকৌ. মো. হারুনুর রশীদ মোল্লাহ্, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (টিজিটিডিসিএল) ট্যাক্স কার্ড সম্মাননা ২০২২ গ্রহণ করেন। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গণশুনানিতে তিনি বলেছিলেন। তিতাসের এতো বদনাম, আমরা কাজ করতে পারছি না। হয়তো ৫-১০ শতাংশ স্টাফ দুনীতিতে জড়িয়ে আছে। মোঃ হারুনুর রশীদ মোল্লাহ দূনীতি ও অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের উপর জিরো টলারেন্স ঘোষণা নেপথ্যে তিতাসের বিশাল অংকের বকেয়া যা একটি কোম্পানীর জন্য অশনী সংকেত। এখান থেকে বের হওয়ার জন্য তিনি তার সকল পদক্ষেপ যথাযথ ভাবে পালন করার লক্ষে কঠোর মনোভাব পোষণ করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিমাসে বিল হয় প্রায় ১৫শ কোটি টাকা, চার মাসের বিল বকেয়া পড়লে পরিমাণ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। বিল দিতে চান না, লাইন কাটতে গেলে মামলা দেন। এভাবে চলতে পারে না। তাই আমার পদক্ষেপে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বর্তমানে বিগত সকল বছরের চেয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ডিজিটাল উন্নয়নের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং মাননীয় মন্ত্রী নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়) ও মাননীয় সচিব মহোদয় সহ সকল উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ আমাকে সকল প্রকার সহযোগীতা করে তিতাস গ্যাসকে দূর্নীতি মুক্ত করতে এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে কাজ করতে সহযোগীতা করে আসছেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, অনেক বলেন অবৈধ সংযোগ রয়েছে তিতাস কিছু করে না। আমাদের হাজার হাজার লাখ লাখ অবৈধ সংযোগ রয়েছে। যারা অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয় তারা চোর। আমরা কাটছি, তারা আবার লাগাচ্ছে। ইদুর বিড়াল খেলা চলছে, আমাদের লোকবল কম তাদের সঙ্গে পেরে উঠছি না। অবৈধ প্রতিরোধে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার কাছে অনুরোধ করছি সহযোগিতার জন্য। আপনারা সহযোগিতা না করলে আমাদের একার পক্ষে সম্ভব না। ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা, শিল্পের বিকাশ এবং বিতরণ কোম্পানির স্বার্থ দেখা।

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে মধ্য আয়ের লোকেরাও হিমশিম খাচ্ছে। আমরা যে পণ্যটির বিষয়ে কাজ করছি তার চেইন ইফেক্ট রয়েছে, কোনো প্রস্তাবকারি সেটি তুলে আনেনি। আমরা সামগ্রিক সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা, বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং পেট্রোবাংলার অধীনে তিতাস গ্যাস তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তিতাস ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর কোম্পানী আইনের আওতায় যৌথ তহবিল কোম্পানী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবারহের মাধ্যমে তিতাস গ্যাসের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। শিল্প উন্নয়ন সংস্থা ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ করে দেয়। ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক শওকত ওসমান এর বাসায় প্রথম আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রদান করা হয়। কোম্পানী গঠনের শুরু থেকে ৯০% শেয়ারের মালিক ছিল তৎকালীন সরকার। ১৯৭২ সালের জাতীয়করণ আদেশের অধীনে বাকি মালিকানা স্বত্ত্ব সরকারের কাছে স্থানান্তর করা হয় ।

অবশিষ্ট ১০% শেয়ার ৯ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে শেল অয়েল কোম্পানীর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি অনুযায়ী ১.০০ (এক লক্ষ) পাউন্ড-স্টার্লিং পরিশোধের বিনিময়ে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে সরকারি মালিকানায় স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে কোম্পানীর অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে ২,০০০ (দুই হাজার) কোটি ও ৯৮৯.২২ কোটি টাকা। দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান অব্যাহত থাকবে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাত থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্পটে অভিযান চলছে প্রতিনিয়ত। এ যাবৎকাল লক্ষ লক্ষ অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস।

এসব দেখে একটি কু-চক্রী মহল হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে মাঝে মধ্যে মিথ্যা তথ্য সংবেলিত সংবাদ ছড়িয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে ঘোলা পানিতে মাছ ধরতে চায়। আমি অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এই অভিযান চলবে প্রতিনিয়ত। ইতিমধ্যে প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও অবৈধ সংযোগে ব্যবহৃত বিপুল পরিমান পাইপ ও রাইজার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হচ্ছে। তিতাস বিগত সকল বছরের চেয়ে বর্তমান সময়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের সোপানে তার দিক নির্দেশনায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়) এমপির তত্ত্বাবধানে তিতাস এখন দূর্নীতি মুক্ত হয়ে দেশের অর্থনীতিকে গতিধারায় ফিরিয়ে আনতে পর্যাপ্ত কাজ করে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়