Amar Praner Bangladesh

দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মিতাকে আটকে রেখে আলীমের মুক্তিপণ দাবী

 

(তথ্য প্রযুক্তির যুগে অপহরণ করে মোবাইলে অর্থ দাবী দীর্ঘ দিন যাবৎ অপহরণকারী ২৬ বছরের একজন তরুণীকে আটকে রেখে করছে অত্যাচার। ভুক্তভোগী স্বামী সন্তান অসহায় সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সব জেনেও পড়েছে কাঠের চশমা। অসহায় মানুষ বিচার না পেয়ে স্মরণাপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় বিচার শুধু অর্থ বিত্তশালীদের জন্য, গরীবের জন্য নয়।)

 

 

আলো আক্তারঃ

 

শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তায় ডেকো গার্মেন্টেসের ষ্টাফ আলীমের বিরুদ্ধে দেলোয়ারের স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

অপহরণকারী একাধিকবার মোবাইল ফোনে দেলোয়ারের সাথে কন্ঠ নকল করে কথা বলেছে এবং মুক্তিপণ দাবী করেছে, তার স্ত্রীকে ফেরৎ দিবে এই মর্মে দফায় দফায় কয়েকবার বিকাশে টাকা নিয়েছে অপহরণকারী।

গত ২৯/০১/২০২২ ইং দেলোয়ারের স্ত্রী মিতা আক্তার, পিতা- মোঃ আনিছ আলীকে সু-কৌশলে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে আলীম, পিতা- অজ্ঞাত, শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তায় ডেকো গার্মেন্টসে চাকরিরত সে আমার স্ত্রী মিতাকে ঢাকা আজমপুর কবরস্থানের নিকট থেকে একটি গাড়ীতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। ঐ মুহুর্তে মিতাকে চেতনা নাশক ঔষধ দিয়ে অজ্ঞান করে শ্রীপুর মাওনা একটি অজ্ঞাত বাড়ীতে নিয়ে যায় বলে জানা যায়। দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের অফিসে এসে এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেয় মিতার স্বামী দেলোয়ারের আত্মীয় স্বজনরা।

বিষয়টি আপনারা কিভাবে জানলেন, এই প্রশ্নের জবাবে মিতার স্বামী দেলোয়ার দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান, যে ছেলেটি অর্থাৎ আলীম আমার স্ত্রীকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে গেছে সেই আমাকে মোবাইল ফোনে জানায়, তোমার স্ত্রী আমার সাথে মাঝে মাঝে মোবাইলে কথা বলতো। আমি বিভিন্ন কবিরাজী করে তাবিজ করলে তোমার স্ত্রী আমার কাছে চলে আসে। এসব করতে আমার ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তুমি টাকা দিয়ে তোমার স্ত্রী মিতাকে নিয়ে যাও। মিতাকে যখন অপহরণকারী কৌশলে নিয়ে যায় তখন মিতার গলায়, হাতে ও কানে প্রায় চার ভরির মতো স্বর্ণ ছিলো।

দেলোয়ার আরোও জানায়, এসব তাবিজ কবিরাজী কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সে আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে মাওনা কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। উল্লেখ্য বেশ কয়েকবার আমার স্ত্রীর সাথেও আলীম আমাকে কথা বলিয়ে দিয়েছে। এ বিষয় নিয়ে আপনি কেন পত্রিকা অফিসে এসেছেন থানা গিয়ে অপহরণ মামলা করেন। এমন প্রশ্নের জবাবে দেলোয়ার জানায়, বিষয়টি নিয়ে আমি লালবাগ থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ অপহরণের মামলা না নিয়ে আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছে মর্মে একটি সাধারণ ডায়েরী নেয়। যাহার নং- ১৫৫৫/২২, তাং- ০১/০২/২০২২ ইং, তদন্তকারী অফিসার এস আই ওয়াহিদুজ্জামান।

আমি আমার স্ত্রী মিতাকে অনেক ভালোবাসি, তাকে ফেরৎ এনে সংসার করতে চাই। আমার এবং মিতার সংসারে ৭ বছরের একটি শিশু সন্তান আছে, যার নাম দিয়া। সে সারাদিন মা মা বলে কান্নাকাটি করে। আলীমের কথাবার্তা এবং আচার আচরণে মনে হয় সেই একটি সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্রের সদস্য। আমার বিশ্বাস আলীমকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন টিম গ্রেফতার করলে এরকম আরোও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে।

এই সংবাদের মাধ্যমে মিতার স্বামী দেলোয়ার হোসেন শ্রীপুর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাওনাবাসীকে অনুরোধ করেছে আলীমকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই যেন তাকে আটকিয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে আমার নাম্বারে মোবাইল করার জন্য অনুরোধ রইলো। মোবাঃ ০১৮৫৪-৭৮৬৮৮১।

বিঃদ্রঃ অপহরণকারী আলীমের নাম্বার- ০১৭৯৯-৪৫৮৩৯৪। অপহরণকারী আলীমের ভাইয়ের নাম্বার- ০১৭৮৭-৩০৩৭২১।