Amar Praner Bangladesh

নিজড়ার উন্নয়ন ভেস্তে যাক সাংবাদিকরা যা খুশি লেখুক নেতাদেরকে টাকা দিলেই সব ঠিক

 

(কাবিখা, টি-আর, চল্লিশ দিনের কর্মসূচি, এডিবি, এলজি এসপি, কালভার্ট, মাটি কাটা, ডিপ টিউবওয়েল, ডেউটিন ভিতরনসহ সব সরকারি কাজেই দুর্নীতি। অহংকারের উল্টো পিঠে পতন, আজিজের তর্জনি-গর্জনীতে আবার দলিয় ভাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হবে তা নিজড়া বাসি প্রতিহত করবে দায়িত্বশীলরা সবই দেখে সবই বোঝে)

 

 

 

আব্দুল্লাহ আল-মামুনঃ

 

নিজড়ার চিহ্নিত রাজাকার পরিবারের সন্তান আজিজের উক্তি আওয়ামীলীগের নেতারা টাকায় বিক্রি হয়, সমর্থন দিবে সেলিম ভাই ভোট দিবে নিজড়া বাসি, সাংবাদিকের নিউজে কী হবে। আজিজ তথ্য গোপন করে ক্ষমতাশীনদের নিকট হইতে দলীয়ভাবে নির্বাচিত হয়ে নিজড়ার প্রতি অবহেলা, অবজ্ঞা দেখিয়ে প্রমাণ করেছে রাজাকারের রক্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিকশিত হয় না।

 

আজিজ এখন সরকারের উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে জণগন থেকে বিচ্ছিন্ন। দায়িত্বশীলদের উন্নয়নের বাজেট থাকলেও বর্তমান ইউপি চেয়্যারম্যান আজিজের অবহেলায় নিজড়ায় উন্নয়নের কোন ছোঁয়া পড়েনি। কয়েক দফা নিজড়ার উন্নয়নে অবহেলা, অবজ্ঞা আর গাফলতি চেয়ারম্যান আজিজের দুর্নীতি নিয়ে খবর প্রকাশ করলে, চালাক আজিজ বিষয়টিকে সূক্ষ ভাবে এড়িয়ে গিয়ে সাংবাদিকরা সরকারের বিরোধীতা করছে স্থানীয় সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বিরুদ্ধে কথা বলছে ইত্যাদি মিথ্যা প্রবাগন্ডা ছড়িয়ে তার অপরাধকে আড়াল করার ঘৃন্য চরিত্রের বর্হিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

 

কোন সাংবাদিক কখনও  শেখ পরিবার, বর্তমান সরকার নিয়ে কোন প্রকার মন্তব্য করে নাই। বরং চেয়ারম্যান আজিজের নির্বাচনি এলাকায় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে সবার সাথে র্দূব্যবহার করে এবং তার গোপন রহস্য- মুখোশ উন্মেচিত হবে এই ভয়ে সবাইকে জানায় সাংবাদিকরা শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে লিখেছে তিনি নাকি বীর বাহাদুর।

 

এদিকে পত্রিকায় একাদিক বার চেয়ারম্যান আজিজের প্রতারনা-দুর্নীর্তির সংবাদ প্রকাশ হলে গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে সেখানে তার অপরাধকে আড়াল করার নিমিত্তে রাজনৈতিক মহা-পুরুষ শেখ ফজলুল করিম সেলিম (এম.পি) যাদের ত্যাগ আর মহিমায় এই বাংলাদেশ, পর পর আট বার নির্বাচিত সাংসদকে জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলন করে চেয়ারম্যান আজিজ মহা অপরাধ করেছে বলে জানায় সকলে। তার এই মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন সকল সাংবাদিকরা প্রত্যাখান করেছেন এবং কোন পত্রিকায় তার মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন প্রকাশ করে নাই। আমরা দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ কোথাও কোন লেখা, কোন বক্তব্যে শেখ ফজলুল করিম সেলিম সর্ম্পকে ভালো ছাড়া তার উন্নয়ন ছাড়া অন্য কিছু লেখার প্রশ্নই আসে না।

 

সরেজমিনেও খুঁজেপাওয়া যায়নি এই মহান নেতার কোন ভুল। নিজড়া নিয়েই এই নেতার রাজত্ব নয়। বৃহত্তর গোপালগঞ্জ সহ সমগ্র দেশ নিয়ে তিনি কাজ করেন। নিজড়ার উন্নয়নের জন্য চেয়ারম্যান আজিজকে দায়িত্ব দেন। আজিজ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজড়ার রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কোন তোয়াক্কা না করে অবহেলা অবজ্ঞায় বছরের পর বছর ফেলে রেখে নিজড়াকে একটি অনুন্নত বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিনত করেছে।

 

দুর্নীতি যেই করবে তার আসল স্বরুপ জাতির সামনে উন্মোচিত হবে সে যেই হোক এমনটাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একজন আজিজ, একজন চেয়ারম্যান, একটি নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, আপনার সমর্থন যেই দলের হোক আপনি স্বাধীন স্বার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নাগরিক। আপনি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি আপনি জবাবদিহীতার বাহিরে নন।

 

আপনি দুর্নীতি করবেন, বন্ডামি করবেন, প্রতারনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের গরিবের বাজেট আত্মসাধ করবেন আর আপনার চুরির কথা লেখা যাবে না আপনার খুঁটির জোর কোথায়। মুখে জয় বাংলার শ্লোগান দিয়ে নিজের শতভাগ অপকর্ম শেখ পরিবারের উপর চাপাবেন আর জাতি তা বিশ্বাস করবে, আপনি নিজেকে কি ভাবেন, আপনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলতে পারতেন যত তাড়াতাড়ি পারি সব কাজ সম্পূর্ণ করবো, ভবিষ্যতে আর কোন দুর্নীতি যেন আমার নির্বাচনী এলাকায় না হয় তার ব্যবস্থা নিবো।

 

উল্টো এমন একটা ভাব নিয়ে কথা বললেন যেন আটবারের নির্বাচিত সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম সাংবাদিকদের ভুল বোঝেন। আপনি কি মনে করেন আপনার এই চালাকী বোঝার মতো তার জ্ঞান নেই। আমরা শেখ ফজলুল করিম সেলিম এর নিজড়ার উন্নতির কথা বলছি। আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম স্থান গোপালগঞ্জের অর্ন্তভুক্ত নিজড়ার মানষের কথা বলছি।

 

আপনার বাবা-চাচা সবাই রাজাকার নয় আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন। এই কথাগুলো আমাদের নয় নিজড়ার সাদা-পাকা দাড়িওয়ালা বৃদ্ধদের, অনেক মন্দিরের পুরোহিতদের যারা দেখেছে আপনার বাবা- চাচাকে রাজাকারের চরিত্রে। এখন আওয়ামীলীগের উন্নয়নের জোয়ারে, জয় বাংলার তোকমা লাগিয়ে জাতিকে ধোকা দেওয়ার দিন শেষ।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব বুঝতে পেরে মুখোশধারী আওয়ামীলীগ আর হাইব্রিট নেতার লিষ্ট করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, আসছে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা। জাতি আজ স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিতে রুপান্তর হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এক প্লাটফর্মে। সাধু সাবধান, আগে সোনার বাংলা ভন্ড-প্রতারক চোরের জায়গা আস্তাকুঁড়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থানে নয়।