Amar Praner Bangladesh

নীলফামারীতে পিতা হারা কাজী সিরাজুল ইসলামের জমি  থাকার পরও অসহায়! সে ন্যায় বিচার চায়

 

 

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

 

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৯নং টেপাখাড়ীবাড়ী ইউনিয়ন ৭নং ওর্য়াড মৃত্যু কাজী মহিয়ার রহমান ছেলে অসহায়,কাজী সিরাজুল ইসলাম (৫৫)পৈত্রিক জমি থেকে ও মানুষের বাড়ীতে কামলা খেটে অসহায়ত্ত্ব জীবন যাপন করছে।

কাজী সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন আমরা জাতিগোষ্ঠী যাদের বর্তমান ঠিকানা একই উপজেলার পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন গয়াবাড়ী কাজীপাড়া। মো:কাজী মানিক (২৮)পিতা কাজী রফিকুল ইসলাম,কাজী ইনসান আালী মাস্টার (৫৫)পিতা মৃত্যু কাজী দৌলত উদ্দিন, মোছাঃ কদবানু বেগম (৫০)স্বামী কাজী রফিকুল ইসলাম, জহুরা বেগম(৫০)স্বামী কাজী ইনসান আলী মাস্টার, মোছাঃ শিমু আক্তার (২৫)এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন ৬৮৮নং খতিয়ান যার দাগ নং ৪০০২,৪০০৩,৪০০৪,৪১০৩,৪০০৬,৩৭০৯,৪০১৬,৪০২৪,৪০২৫ তফসিল বর্নিত জমি মধ্যে ৩ একর ৩০ শতাংশ জমি আমরা পৈত্রিকসুত্রে মালিক হয়েও উপরোক্ত ব্যক্তিদ্বয় পেশি শক্তিরবলে কাগজ পত্র ছাড়াই মালিকানা দ্বাবি করে।

গত২৬শে জুলাই ২০২২ইং কাজী মানিক গং আরো কিছু নাম না জানা ভূমীদস্যূদের সহায়তায় ফিল্মিস্টাইলে হাতে লাঠি, লোহার রঠ, দা ইত্যাদি দেশিও অস্ত্র নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে।

তাদের এ অন্যায় কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তারা একপর্যায় আমাকে মারপিঠের জন্য উদ্যত হয়।এসময় আমার স্ত্রী খদেজা বেগম ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মন্জুয়ারা বেগম আমাকে রক্ষা করে।অতপর দুস্কৃতিকারীরা আমাকে ছেড়ে দিয়ে তাদের দুইজনকে বেধম মারপিট শুরু করে এবং উভয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর ফোলা, ছেলা রক্তাক্ত জখম করে। অপরিচিত ব্যক্তিরা আমার স্ত্রী ওছোট ভাইয়ের স্ত্রীর মাথার চুল ও পরনের কাপড় ধরিয়া টানা হ্যাচড়া করিয়া প্রায় বিবস্ত্র করে। শ্লিলতাহানি ঘটায়।

এসময় কাজী মানিক তার হাতে থাকা ধারালো ছোরাদ্বারা আমার স্ত্রীর মাথায় কোপ মারলে তার বামদিকে রক্তাক্ত গুরুত্বর জখম হয়।আমার স্ত্রী মাটিতে পরে গেলে,মোছাঃ কদবানু তার বুকের উপর বসে দুই হাত দিয়ে চিপে ধরে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এই সুযোগে মোছাঃ জহুরা বেগম আমার স্ত্রীর গলায় থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন টেনে ছিড়ে নিয়ে যায়

এবং আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী কদবানুকে ধাক্কাদিয়ে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে প্রাণে মের ফেলার উদ্দেশ্য কাজী ইনসান আলী মাস্টার ধারালো দা দ্বারা মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মাথায় স্বজোরে কোপ মারলে তার মাথার বাম পার্শে গুরুত্বর কেটে যায়। ফলে মন্জুয়ারা বেগম মাটিতে ঢলে পরলে পাসন্ড কাজী মানিক তার গলায় পা দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় জহুরা বেগম ও শিমু আক্তার আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর গলায় থাকা আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিড়ে নেয় এবং কানের দুল জোরপূর্বক টেনে ছিড়ে নিয়ে যায়।যার সাক্ষী কাজী খুসনবি ওরফে যাদু, পিতা মৃত কাজী মহির উদ্দিন, কাজী তুহিন, পিতা মৃত কাজী আবুল হোসন, কাজী খালেকুজ্জামান লিটন , পিতা মৃত কাজী ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

উক্ত সাক্ষীগণ আসামীদের হাত হতে আমাদের প্রাণে রক্ষা করেন এবং ডিমলা থানা স্বস্থ্যকমপ্লেক্সে এ ভর্তি করান।এতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে ডিমলা থানায় উপরোক্ত ব্যক্তিদের আসামি করে গত ২৬ জুলাই ২০২২ইং রাতে ডিমলা থানায় একটি এজাহার দায়ের করি।

থানা অফিসার্স ইনচার্জ লাইছুর রহমান সাবইন্সপেক্টর আখতার হোসেনকে তদন্তের দ্বায়ীত্ব দেন। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে আমাদের উভয় পক্ষকে জমির কাগজ পত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেন।অফিসার্স ইনসার্স কাগজ পত্রাদি দেখে আমাদের পক্ষে সম্মতি পোসন করেন।এর পরে ও আসামীদ্বয় ন্যায়ের পক্ষে থাকা বিশিস্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব রাসেল সহ অন্যান্য গন্যমান্যদের বিরুদ্ধে সম্মান ক্ষুন্ন চেষ্টা করছে। তাই তাদের দমন ও ন্যায় বিচার কামনা করছি। বিষয়টি থানা অফিসার ইনচার্জ লাইছুর রহমান রহ্মত প্রতিবেদককে বলেন বিষয়টি নিষ্পত্তি ও শান্তি বিরাজের জন্য উভয় পক্ষের উকিল নিয়ে ১২ আগস্ট থানায় বসা হয় এবং কাগজের আলোকে সিরাজুল ইসলাম গং এর পক্ষে সর্বসম্মতি পোষন করা হলে কাজী মানিক ও ইনসান আলী মাস্টার গং তা উপেক্ষা করে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

তার পরেও উভয়কে পক্ষ বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয় ।