Amar Praner Bangladesh

নীলফামারী ডিমলায় ধান বীজ তুলতে দিচ্ছে না প্রতিপক্ষ, চরম বিপাকে কৃষক হাসিমুদ্দিন

 

 

মোঃ সানু, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

 

নিজ জমিতে ধান বীজ রোপন করেও তুলতে দিচ্ছে না প্রতিপক্ষ,যার ফলে ১৫ বিঘা জমিতে চারা রোপন করতে না পেরে চরম বিপাকে কৃষক হাসিমুদ্দিন।

নীলফামারী ডিমলা উপজেলা ৭ নং খালিশা চাপানি ইউনিয়ন এর কোলঝাড় পাড়া মোসলেম উদ্দিন (৬৫) এর ছেলে হাসিমুদ্দিন (৪০) অভিযোগ করে বলেন ১৫ মার্চ ২০০৩ সালে ৮৭ নং খতিয়ান ৫২ নং জেএল দাগ নং ৪ মোট জমি ৮৫ শতাংশ এর মধ্যে সারে ৪২ এর মধ্যে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘ দিন যাবত ভোগ দখল করে আসতেছি। আমার জমির পূর্বপ্রান্তে ধান বীজ লাগিয়েছি।

এ দিকে ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন মৃত্যু ওস্তম আলীর ছেলে রফিজ উদ্দিন (৬০)(বাঁশ ব্যবসায়ী) সে আমার চাচা বাবুলের নিকট ২৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। দলিল মুলে দেখা যায় উক্ত জমিতে তার সাড়ে ১২ শতাংশ জমি অবশিষ্ট থাকে। আমি আমার জমির ধান বীজ তুলতে গেলে রফিজ উদ্দিন লাঠি সোটা, নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ, নিজ ঘড়ে আগুন, নারী নির্যাতন, সন্তান মেরে ফেলা সহ প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আমরা দাঙ্গা চাইনা শান্তি চাই এই মর্মে ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী এবং ৭ নং খালিশা চাপানি ইউপি চেয়ারম্যান সহিদুজ্জামান সরকার কাছে বিচার প্রার্থনা করি। ১৬ জুলাই ২০২২ ইং এবং উভয় পক্ষ ঝুনাগাছ চাপানী ইউপিতে বসাহয়েছিল।

চেয়ারম্যান দ্বয় কাগজের আলোকে আমাদের বীজ ধান তুলে নেওয়ার ব্যাপারে রফিজ উদ্দিন কে লোক লাগিয়ে বীজ ধান তুলে দিতে বলেন।তার পরও সে বীজ ধান নিজেও তুলেন না, আমাদেরও তুলতে দেন না।

তাই ভূমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট আমাদের পাণের দাবি এই ভূমি দস্যর হাত থেকে আমাদের রক্ষা করেন। বীজ ধান কে লাগিয়েছেন এ বিষয়ে এ জানতে চাইলে এলাকাবাসী আমিনুর রহমান, বরকত আলী, মুন্সি জয়নাল আবেদিন, হেলাল হোসেন,গণেস চন্দ্র রায় ও তইবুল ইসলাম প্রূমূখ বলেন এ বীজ ধান হাসিমুদ্দিনদের। রফিজ উদ্দিন যা করছেন তা ঠিক নয়।

কেন বীজ ধান তুলতে দিচ্ছে না জানতে চাইলে রফিজ উদ্দিন বলেন ধান বীজ আমি লাগিয়েছি তুলতে দিমু কারে। ধানবীজ যে হাসিমুদ্দিনদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান সহিদুজ্জামান সরকার তা নিশ্চিত করে বলেন বীজ তুলে নেয়ার পর আবারও বিষয়টি নিয়ে বসা হবে উভয় পক্ষকে নিয়ে।