Amar Praner Bangladesh

পণ্ডিত সুদর্শন দাশ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সম্মানিত করেছেন- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

 

 

রবিউল আলম রাজুঃ

 

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, পণ্ডিত সুদর্শন দাশ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সম্মানিত করেছেন। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। শুধু এক দুই বার নয়, দীর্ঘতম তবলা ম্যারাথন (৫৫৭ ঘন্টা ১১ মিনিট, ২০১৬), দীর্ঘতম ঢোল ম্যারাথন (২৭ ঘন্টা, ২০১৭), ড্রাম রোল (১৪ ঘন্টা, ২০১৮) সহ পাঁচবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের এ কৃতি সন্তান। শুধু ভাগ্যের জোরে এ অর্জন সম্ভব নয়; দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, অধ্যবসায় ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি এ অসাধ্যকে সাধন করেছেন। সেজন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

প্রতিমন্ত্রী আজ রাতে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে তারার মেলা সংগীত একাডেমি আয়োজিত পাঁচবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী পণ্ডিত সুদর্শন দাশকে সম্মাননা প্রদান এবং তবলা এণ্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন এর ঢাকা শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব লাকী ইনাম, সম্মাননাপ্রাপ্ত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী পণ্ডিত সুদর্শন দাশ, তারার মেলা সংগীত একাডেমির চেয়ারম্যান ও তবলা এণ্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন এর ঢাকা শাখার পরিচালক লোপা দাশ এবং তবলা এণ্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন এর হেড অব মিউজিক Michael Broad। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান।স্বাগত বক্তব্য রাখেন তারার মেলা সংগীত একাডেমির সম্পাদক মৃণাল কান্তি মণ্ডল।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে দেশের অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারবে না। যে দেশের সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক শেখ হাসিনা সে দেশের সংস্কৃতি এগিয়ে যাবে এবং দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করবে। তিনি এসময় উপস্থিত সবাইকে আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন, সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে এ লাল-সবুজের পতাকাকে আরো সমুন্নত করি।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী তবলা এণ্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন এর ঢাকা শাখার উদ্বোধন করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠানটির ৫টি শাখা রয়েছে এবং এটি ষষ্ঠ শাখা। এ শাখায় সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে ৫ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ গ্রেড-৫ শেষ করার পর লন্ডনে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।