সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মন্দিরে মূর্তির পায়ে এ্যাড. রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী’র সেজদা প্রতিবাদে নির্যাতন ও মামলার শিকার মোঃ জলিল রৌমারীতে অটোবাইক শ্রমিক কল্যাণ সোসাইটির অফিস উদ্বোধন যুবলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় কল্যাণপুরে আবাসিক হোটেলে রমরমা দেহব্যবসা তিতাসের অসাধু কর্মকর্তাদের আতাতে লাইন কাটার নামে প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের সাথে ব্ল্যাকমেইলিং করছে প্রতারক চক্র রাজধানীর উত্তরখান থেকে ড্যান্ডি পার্টির ১৬ সদস্য গ্রেপ্তার দেশে গুপ্ত লিখন বিদ্যাকে ব্যবহার করে জঙ্গী ও মাদক কার্যক্রম প্রসারিত হচ্ছে দক্ষিণখানে নির্মাণাধীন ৯ তলা ভবন থেকে পড়ে রাজমিস্ত্রি নিহত : আহত-১ চুয়াডাঙ্গা কুলপালায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেরপুর ৫ উপজেলায় ২৭ হাজার ৪ শত ৫০টি কম্বল বিতরণ গাজীপুরে ইমাম মাদকের বিরুদ্ধে বয়ান করায় ইমামকে মারধর ও নগ্ন ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ১

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৪ Time View

 

 

আল-আমিন হোসাইন, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মো. রফিকুল ইসলাম (১৩) নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় আপন দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। দন্ডপ্তরা হলেন-জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. হারুন ও আবুল কালাম ওরফে কালু। তাদের মধ্যে হারুন পলাতক। রায়ে মামলার অভিযুক্ত অন্য তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। নিহত রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কোড়লিয়া গ্রামের মো. হালিম হোসেনের ছেলে। সে তার মায়ের সঙ্গে পিরোজপুরের ইন্দুরাকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামে মামা বাড়িতে থাকত। ওই হত্যার ঘটনায় নিহতের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৬ সালের ৮ মার্চ সকালে মো. রফিকুল ইসলাম ও তার বড় ভাই মো. রিয়াদুল খেজুর গাছের রস নামাতে য়ায়। রফিকুল একটি গাছের রস নামিয়ে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। এরপর অনেকক্ষণ পার হলেও রফিকুল ফিরে না আসায় রিয়াদুল রস নিয়ে বাড়ি চলে যায়। পরে সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় ফজলুল হক নামে এক জেলে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় স্থানীয় নুর মোহাম্মাদ তহশিলদারের মিষ্টি আলুর ক্ষেতে ওই কিশোরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে তার মামাকে খবর দেন। পরে এ ঘটনায় মামলা করেন রফিকের মামা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেন বিচারক। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category