Amar Praner Bangladesh

পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করছে সোর্স আবুল কালাম আজাদ

 

রবিউল আলম রাজু :

 

উত্তরা হাউজ বিল্ডিং ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আবুল কালাম আজাদ নামের এক পুলিশ সোর্স এর সন্ধান পাওয়া গেছে। এই আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন যাবত উত্তরা হাউজ বিল্ডিং পুলিশ বক্সে সার্জেন্ট দের ধরা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কাগজ পাতি হাতে নিয়ে। কালাম সমঝোতার নামে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এবং নিষিদ্ধ অটোরিকশা ধরা হলে, রেকার বিল না করে নগদ টাকা নিয়ে এই কালাম পুলিশের টি আই সাহেবের নাম ভাংগিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে বলে অটোরিকশার এক চালক জানায়।কালামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গাড়ীর কন্টাকটার হেলপারেরা সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কালাম স্যার অনেক ভালো মানুষ উনি আমাদের মামলা দেয় না। উনি টি আই স্যারের বডিগার্ড, স্যারের রুমে থাকে।

এই ব্যাপারে আবুল কালাম আজাদকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি হাউজবিল্ডিং ট্রাফিক পুলিশ বক্সে চাকুরী করি। দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিবেদক কালাম কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানায় আমি টিআই সাজ্জাদ সাহেবের পিয়ন। তাকে বলা হয়েছিল আপনাকে বেতন কে দেয়। তখন আবুল কালাম আজাদ জানায় টি আই সাজ্জাদ সাহেব আমাকে বেতন দেয়।

প্রতিবেদক আরো জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কি পুলিশ সদস্য, সরকার আপনাকে কোন বেতন দেয়। সরকারি ভাবে কি আপনি কোন নিয়োগ পেয়েছেন, প্রতিউত্তরে আবুল কালাম আজাদ জানান, আমাকে টি আই সাজ্জাদ স্যার বেতন প্রদান করেন। আমি সারাক্ষণ বক্সে থাকি। সরোজমিনে আবুল কালাম আজাদকে না পাওয়ায়, মুঠোফোনে তাকে ফোন করা হলে, চাঁদাবাজির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে তথ্য জানার জন্য ট্রাফিক ইনস্পেক্টর সাজ্জাদ সাহেব কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে পুলিশ অফিসাররা মাঠে কাজ করে যাচ্ছে। এই পুলিশের মান ক্ষুন্ন করতে কিছু বহিরাগত চাঁদাবাজরা পুলিশের নাকের ডগায় বসে চাঁদাবাজি করবে এটা হতে দেওয়া যাবে না।সাধারণ মানুষের দাবী পুলিশ বাহিনীর সম্মান ধরে রাখতে হেেল, এই ধরনের অপকর্মে জড়িতদের থেকে নিজেদের দুরে থাকতে হবে। আগে সোনার বাংলা, পরে অন্যসব, সাধু সাবধান। আগামী সংখ্যায় থাকছে আব্দুল্লাহপুর ট্রাফিক বক্সের সোর্স কামরুলের ভিডিও চিত্রসহ প্রতিবেদন।