Amar Praner Bangladesh

পূবাইলে সুমন মিয়া চুক্তিপত্রের মাধ্যমে বাউণ্ডারী নির্মাণ করে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা

 

 

সামছুদ্দিন জুয়েল :

 

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্টোপলিটন থানার ৪২নং ওয়ার্ডের তালটিয়া সাতপোয়া এলাকায় ১১ দাগের জমি বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে পাশের ৮ দাগের জমিতে জোর পূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন চুক্তিবদ্ধ সুমন মিয়া ও তার সহযোগী গোলজার হোসেন।অভিযুক্ত সুমন মিয়া (৩০) কামারগাঁও এলাকার মৃত তমিজ উদ্দিন (তমুর)ছেলে।গোলজার হোসেন (৩৮) সাতপোয়া এলাকার মুত ইজ্জ আলীর ছেলে।

ক্রয়সূত্রে জামাল সিকদার ও রুবেল সিকদার জানান, প্রায় তিন মাস পূর্বে তালটিয়া সাতপোয়া এলাকায় আমরা সীমানা প্রাচীরসহ ১২.৫৫ শতাংশ জমি খরিদসূত্রে মালিক হই,যা তালটিয়ার সাতপোয়া মৌজাস্হিত খতিয়ান নং সি এস ৩৮/এস এ ৬২/আর এস ২৩ এবং সি এস ও এস এ দাগ নং ১১/আর এস দাগ নং ২৮,জমির পরিমাণ ৪৬ শতাংশ ইহার কাতে ১২.৫৫ শতাংশ জমি আমরা ক্রয় করি।

সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর আমরা জমিতে কাজ করতে গেলে জানতে পারি যে পাশের জমির মালিক আসমা বলেন, আপনারা কি ভাবে অন্যের জমি দখলে নিয়ে বাউন্ডারী করলেন।

এ বিষয়ে ৮ দাগের মালিক আসমা বেগম সাংবাদিকদের জানান,আমার ২২বছরের দখলীয় সীমানা প্রাচীর এবং উত্তর পাশে কাটা তারের বেড়া থাকা জমিতে কিভাবে সুমন ও গোলজার রাতের অন্ধকারে আমার জমিতে বাউন্ডারি করে অন্যের কাছে বিক্রি করে,তার বিচার ও আমার দখলীয় ১ শতাংশ জমি আমি ফেরৎ চাই।

বর্তমান দখলীয় মালিক মিসেস সিকদার জানান,আমরা অনেক কষ্ট করে জমি কিনেছি, বাউন্ডারি করে দিবে মর্মে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমাদের নিকট হতে সুমন ও গোলজার নগদ ২,৯০,০০০/-(দুই লক্ষ নব্বই হাজার)প্রদান করি।

এ বিষয়ে সুমন ও গোলজারকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান,আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়ে টাকা নিয়েছি সত্যি, যদি অন্যের জমিতে বাউন্ডারি করে থাকি তাহলে নিজ খরচে ভেঙে জমি ফিরিয়ে দিব।কিন্তু উভয় জমির মালিকই সমাধানের কথা বলা সত্যেও সুমন ও গোলজার দেই দিচ্ছি বলে তালবাহানা করছে।প্রসঙ্গত স্হানীয় সাবেক চেয়ারম্যান ও গন্যমান্যব্যক্তিবর্গের ম্যানেজ করার কথাটি চুক্তিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।