Amar Praner Bangladesh

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উত্তরা ১৩ নং সেক্টর ব্রীজের ফুসকার দোকানিকে মেরেছে দূর্বৃত্তরা : থানায় অভিযোগ

 

 

রবিউল আলম রাজুঃ

উত্তরা পশ্চিম থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে মোঃ ফোরকান, পিতা- মৃত কাঞ্চন আলী বয়াতি, এজাহারে ফোরকান দাবী করেছে বেশ কিছু দিন পূর্ব থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার মালিকানা উত্তরা ১৩ নং সেক্টরের ব্রীজ সংলগ্ন ফুসকার দোকানটি সরিয়ে দেওয়ার পায়তারা করে আসছে। ০২/০৯/২০২২ ইং বিকাল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় ১) শামীম, পিতা- নিজাম, মাতা- মাজেদা, সাং- দুপতি, থানা- বরগুনা সদর, জেলা- বরগুনা। ২) রাজিব, পিতা+সাং+জেলা- অজ্ঞাত।

৩) রাসেল, পিতা- নিজাম, মাতা- মাজেদা, সাং- দুপতি, থানা- বরগুনা সদর, জেলা- বরগুনা। ৪) রানা, পিতা+সাং- অজ্ঞাত, ৫) সুজন, পিতা+সাং+জেলা- অজ্ঞাত। ১ ও ৩ নং আসামীদ্বয় সম্পর্কে অভিযোগ দায়েরকারীর বাদী ফোরকানের ভাগিনা হয়। ২ ও ৪ নং আসামীদ্বয় ১ নং আসামীর শ্যালক। ৫ নং আসামী ২ ও ৪ নং আসামীদের বোন জামাই।

তারা সংঘবদ্ধভাবে আমার দোকানে এসে আমার কর্মচারীকে ধাক্কা দিয়ে ঝগড়া বিবাদের সৃষ্টি করে। আমি বাঁধা দিলে তাদের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিয়ে আসা দেশী অস্ত্র সস্ত্র লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারপিট করিতে থাকে। আমি চিৎকার করিতে থাকিলে ২ ও ৫ নং আসামী আমাকে ঝাপটিয়ে ধরে।

১ নং আসামীর হাতে থাকা রড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টায় আমার মাথায় আঘাত করে। আমার মাথার চারটি অংশ গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এই দৃশ্য দেখে আমার স্ত্রী মোছাঃ হাসিনা বেগম এগিয়ে আসলে আসামীরা আমার স্ত্রীকেও মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। মারপিটের এক পর্যায়ে ১ নং আসামী আমার দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা নেয়। আমার স্ত্রীর গলা থেকে ২ নং আসামী এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন যার মূল্য ৮০ হাজার টাকা। তারা হুমকি প্রদান করিয়া দোকান থেকে চলে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় দোকানের কর্মচারী এবং পথচারীরা মিলে টঙ্গীস্থ শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমার মাথায় ৮টি সেলাই করে। চিকিৎসা শেষে আমি ও আমার স্ত্রী কিছুটা সুস্থ হইয়া থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের বিষয়টি থানা কর্তৃপক্ষ পেয়েছে বলে সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন।