রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:১২ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উজ্জ্বল বার্তা বহন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন)

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৭ Time View

 

 

সোহাগ জোয়াদ্দার :

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার রক্তধারা বিশ্বনন্দিত রাষ্ট্রনায়ক মানবতার জননী উত্তরাধিকারে রাজনৈতিক আদর্শিক প্রজ্ঞা, অকুতোভয়, দূর্বার, দূরদর্শী, নিরলস, নির্ভীক কান্ডারি, অসহায় আর শোষিতের আস্থা, বাংলা ও বাঙালি জননেত্রী, দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সৃজনশীল সৃষ্টি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উজ্জ্বল বার্তা বহন করেন তার কর্মে। তিনি বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। যুবলীগ প্রতিষ্ঠার পর তিনি চুয়াডাঙ্গার সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে চুয়াডাঙ্গা যুবলীগের সভাপতি, ৭৯ সালে চুয়াডাঙ্গা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) (জন্ম: ১৫ মার্চ ১৯৪৬) বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য। সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দারের পৈতৃক বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা শহরের আরাম পাড়া এলাকায়। পিতার নাম মরহুম সিরাজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার এবং মাতা মরহুমা আছিয়া খাতুন। পিতা পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা ভি.জে. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে মেট্রিক পাস করে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে উচ্চতর শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন। পেশায় ব্যবসায়ী সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি ৩য় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রজীবন হতেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।

যুবলীগ প্রতিষ্ঠার পর তিনি চুয়াডাঙ্গা মহকুমার সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৩ সালে চুয়াডাঙ্গা যুবলীগের সভাপতি, ৭৯ সালে আওয়ামী লীগের জেলা সেক্রেটারী ছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ভারত হতে ট্রেনিং নিয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। জেলা পর্যায়ে রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় জনাব সোলায়মান।

এছাড়া জনাব জোয়ার্দ্দার চুয়াডাঙ্গা রাইফেল ক্লাব, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার দীর্ঘ সময়ের সেক্রেটারী হিসেবে কাজ করেছেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনটি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া, মোমিনপুর, কুতুবপুর, শংকরচন্দ্র ও পদ্মবিলা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তিনি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের উন্নয়নে এক বিশাল পরিবর্তন এনেছেন। এখানে যা কিছু সুন্দর এবং সাবলিল মানুষের সুখ শান্তির জন্য তিনি করেছেন তার সাধ্যমতো। তার কাছ থেকে কেউ খালি হাতে ফেরেনা। এখানকার স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, হাঁট বাজার সহ এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বয়স্ক ভাতা থেকে শুরু করে সরকারের সকল অনুদান পৌঁছে দিয়েছেন মানুষের ধারে ধারে। করোনা মহামারী সহ সকল দুর্যোগে সকলের বিপদে তিনি ছিলেন সর্বদা সবার চেয়ে এগিয়ে। যেভাবে অসহায় মানুষকে ত্রাণ সামগ্রী সহ সকল কিছু বন্ঠন করেছেন তা চুয়াডাঙ্গাবাসীর জীবনে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে তার নাম। তার তত্ত্বাবধানে বৃহত্তর চুয়াডাঙ্গার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জ্বীবিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন তার নীতি আদর্শ দূরদর্শিতা ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক দক্ষতায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশ উন্নয়নের সকল আন্দোলনে এক ঐতিহাসিক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এবং সাধারণ মানুষের প্রিয় সংগঠন হয়ে উঠেছে। আওয়ামীলীগ স্বাধীনতার কথা বলে, বাঙালি সংস্কৃতির কথা বলে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতা ও ঐতিহ্যের কথা বলে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) অর্পিত দায়িত্ব পাওযার পর নিরলস, পরিশ্রম ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় যে সকল পরিকল্পনা সমূহ সফল ভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। রাজনৈতিক, দূরদর্শিতা, আর গণতান্ত্রিক মূল্যেবোধে ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রণয়ন করেন।

এ বিষয় নিয়ে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) এর কথা হলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর উদ্দেশ্য হলো সকল সদস্যকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে শান্তি শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে প্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাত কে শক্তিশালী করাই হচ্ছে আওয়ামীলীগের মূল কাজ। সরকার ও জননেত্রী শেখ হাসিনার জনকল্যাণ মূলক এবং উন্নয়ন মূলক কাজকে জনসমক্ষে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে জনগণ কাজ করে আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে আমাদের সকলের মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। যে কোন সময় দলে দূর্দিনে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের পাশে থাকা ও আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীদের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা এবং মোকাবেলা করা। গঠনতন্ত্রের মূলনীতি এই- এই সংগঠনের মূলনীতি হবে শিক্ষা, শান্তি, সংস্কৃতি। এছাড়া বাঙালি জাতীয়তাবাদি গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, শোষনমুক্ত, জঙ্গিমুক্ত, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামীলীগ এর সাথে কাজ করতে হবে, তাহলেই দেশ উন্নয়নের রুল মডেলে পরিণত হবে।

চুয়াডাঙ্গা আমার স্বপ্ন, এখানের মাটি ও নদীর আহ্বায়িকায় আমার জন্ম। যতদিন বেঁচে আছি, চুয়াডাঙ্গার মানুষের সাথে থেকে তাদের সেবা করেই পরপারে যেতে চাই। আমি আপনাদের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, আমরা সবাই ভালো থাকবো, বাংলাদেশ ভালো থাকবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভালো থাকবে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category