Amar Praner Bangladesh

বঙ্গবন্ধু কন্যা পিতার মতো যা বলেন তা বাস্তবায়ন করে দেখান : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

 

 

আব্দুল খালেক সুমন :

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা বঙ্গবন্ধুর মতো যা বলেন তা বাস্তবায়ন করে দেখান। বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন বাংলাদেশ কে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তর করবেন তিনি তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন পদ্মা সেতু করবেন, টানেল করবেন, মেট্রোরেল করবেন তিনি তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। ইতিমধ্যেই দেশের টাকায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করে দেখিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল-০১ এ ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণের সভাপতিত্বে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিক উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কখনো নিজের কথা চিন্তা করেনি। আরামের কথা চিন্তা করেনি। বঙ্গবন্ধু সব সময় দেশের মানুষের কথা চিন্তা করেছে। সব সময় তিনি চিন্তা করেছে এদেশের মানুষ কিভাবে পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্তি পাবে। এদেশের মানুষের কিভাবে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা তৈরি হবে।এসব বিষয় নিয়ে তিনি সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেছে।তার জীবনে ১৪টি বছর কারাবরণ করেছেন কিন্তু তখনও তিনি পাকিস্তানি বাহিনী দের সাথে আপস করেননি।তারি সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গরতে তারি আদর্শে কে বুকে ধারণা করে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ সামসুন্নাহ ভুইঁয়া, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এড.আজমত উল্লাহ খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মন্ডল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব এ এস এম সফিউল আজম,, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ আব্দুল আলীম মোল্লা।

এসময় সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ বলেন,গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ছিলো দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য। মাসিক সম্মেলনে রেজুলেশন পাস করা হতো কিন্তু সেই রেজুলেশন বিল সংখ্যা না বসিয়ে কাউন্সিলরদের সিগনেচার রাখা হতো পরবর্তীতে একই স্মারক নাম্বার একই তারিখে আরও একটি রেজুলেশন তৈরি করে মোটা অংকের টাকার রেজুলেশন দেখানো হতো। সেই সকল রেজুলেশন অনুযায়ী ৫০শতাংশ ৮০শতাংশ টাকা উত্তলন করা হতো। টাকা উত্তলন করা হলেও সরজমিনে সেই সকল বিলের কোন কাজই করা হয়নি এখনো।এমনি ভাবে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি জোনে অনিয়ম দূর্নীতি স্বেচ্ছাচারীতার স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলে ছিলো বরখাস্তকৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি থাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালন সম্ভব না হলেও গাসিক থেকে সাবেক মেয়র সাহেব স্টেজ খবচ ভাবোদ ২৯ লক্ষ টাকা উত্তলন করিয়েছেন তিনি। এছাড়াও করোনা মহামারীতে অসহায় হতদরিদ্রদের দেওয়া জন্য খাদ্য সামগ্রী তিনি তার নিজের নামের ব্রান্ডিং করে প্রচার করেছেন। পরে স্থানীয় কিছু ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রতিবাদে চাপে তিনি সেই নাম পরিবর্তন করেছেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ৪৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ নুরুল ইসলাম নুরু, নাসির উদ্দিন মোল্লা, কাজী আবু বকর সিদ্দিক, গিয়াস উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি মোশিউর রহমান সরকার বাবু,সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ কাজল, গাজীপুর মহানগর যুবলীগ নেতা বিল্লাল হোসেন মোল্লা, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি হাজী নুর মোহাম্মদ মামুন, টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ মামুনুর রশীদ মোল্লা প্রমুখ।।