Amar Praner Bangladesh

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই দেশ সোনার বাংলায় পরিণত হতো : মন্ত্রী

 

 

আল-আমিন হোসাইন, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে অনেক আগেই দেশ সোনার বাংলায় পরিনত হতো। বাঙালী জাতি বিশ্বের শীর্ষ অবস্থানে চলে যেত।

সোমবার(২২আগষ্ট) বিকেলে স্বরূপকাঠী কলেজিয়েট একাডেমি মিলনায়তনে উপজেলা ও সোহাগদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস, ১৭ আগষ্ট দেশব্যাপী বোমা হামলা ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আজ তিনি হতেন পৃথিবীর অপ্রতিদ্বন্দি নেতা।

এ বিষয়টি বুঝতে পেরে বিদেশী কুচক্রি মহল দেশীয় স্বার্থন্বেষী কুচক্রিদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তারা বঙ্গবন্ধুর রক্তের স্রোতধারাকে স্তব্ধ করার জন্য তার উত্তরসুরী কেউ না থাকে সেজন্য তার শিশু পুত্রটিকেও হত্যা করেছে। তবে আল্লাহর অশেষ কৃপায় সেদিন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যান। এর পরেও তারা থেমে থাকেনি। তারা শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২০ বার চেষ্টা করেছে। সর্বশেষ তারা ২০০৪ সালে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করেছিল। কিভাবে একজন বিরোধী দলীয় নেতার পুলিশ পোটেক্শন তুলে নেয়। হামলার পূর্বে সকল পুলিশ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন শেখ হাসিনা বেঁচে যান। পৃথিবীর জঘন্যতম ওই হামলার পর তারা আওয়ামী লীগের অভিযোগ না নিয়ে জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিল। আল্লাহর ইচ্ছায় খুনিদের বিচার হয়েছে।

তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আমরা সবাই কর্মী, একমাত্র নেতা শেখ হাসিনা। তিনি জাতির জনকের রক্তের উত্তরসুরি। নেতৃত্বে কোন্দল নিয়ে অহেতুক বিবাদ না বাধিয়ে সকলে এক হয়ে কাজ করতে হবে। এখনো ষঢ়যন্ত্র চলছে। সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বাঙালী জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সম্পাদক এসএম মুইদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক ও স্বরূপকাঠী পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির, আব্দুস সালাম সিকদার, আওয়ামী লীগ নেতা সুব্রত কুমার ঠাকুর, কাজী সাইফুদ্দিন তৈমুর, আলফাজ উদ্দিন, শরীফ আহমেদ, মো. নাসির অহম্মেদ প্রমুখ।