মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিরপুর এক নাম্বারের ফুটপাত থেকে কবিরের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নাম ঠিকানা লিখতে পারেনা সাংবাদিকে দেশ সয়লাব গ্যাস ও বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সংসারের হিসাব সমন্বয় করতে গলদঘর্ম দেশবাসী ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পথে প্রবেশ করছে মাদক ৮০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অর্থ ও ভূমি আত্মসাৎ এ সিদ্ধহস্থ চুয়াডাঙ্গার প্রতারক বাচ্চু মিয়া নির্লজ্জ ও বেপরোয়া রাজধানীর গুলশান-বনানীতে স্পার অন্তরালে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসা তিতাসের ভুয়া ম্যাজিষ্ট্রেট’র সংবাদ সামনে আসায় বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সৃজনশীল সৃষ্টি এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) শ্রমিক লীগের ৫৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুবেলকে হত্যার চেষ্টা : থানায় অভিযোগ

বরিশাল সিটি মেয়র-ইউএনও বাকবিতণ্ডা: ডিসির কাছে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে ইসি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ২২ Time View

 

 

গাজী আরিফুর রহমান, বরিশাল :

 

গত ১৭ অক্টোবর বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনের দিন নগরীর জিলা স্কুল ভোটকেন্দ্রে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামানের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জানাগেছে নির্বাচন কমিশন ওই ঘটনার লিখিত বক্তব্য চেয়েছে জেলা প্রশাসকের কাছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, ৩ দিনের সময় দিয়ে তার কাছে ঘটনার লিখিত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। তিনি গত মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা- ২ এর উপ সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে গত ১৭ অক্টোবর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও ইউএনও মনিরুজ্জামানের বাকবিতণ্ডার ঘটনার প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক জানান, জেলা স্কুল কেন্দ্রে ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলমের বক্তব্য নিয়েছেন তিনি। তবে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অপরপক্ষের (সিটি মেয়র) বক্তব্য নেওয়া হয়নি বলে জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন না।

ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। ঘটনার সময় মেয়রের সঙ্গে ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদন চাওয়া প্রসঙ্গে তাদের কিছু জানা নেই। তাছাড়া ঘটনার সময় মেয়র ফেসবুক লাইভে ছিলেন। কি হয়েছে তা সকলেই দেখেছেন।

গত ১৭ অক্টোবর জেলা স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে যান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ.কে.এম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, প্যানেল মেয়র গাজী নইমুল ইসলাম লিটু ও রফিকুল ইসলাম খোকনসহ আরও কয়েকজন কাউন্সিলর। কেন্দ্রের বুথে প্রবেশ দরজায় পৌঁছার পর ভোটার ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ জানান সেখানে দায়িত্বরত সদর ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেয়র সাদিক ইউএনওকে ‘স্টুপিড’বলে ধমকান। তখন মেয়র ফেসবুক লাইভে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি নগরে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরক্ষণে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়