রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:০১ অপরাহ্ন
Title :
বমনা থানায় মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর ভূমিকায় ওসি বশির আলম কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন নীলফামারীর মোঃ রতন সরকার রূপসায় আওয়ামীলীগ নেতা ও সাংবাদিক বাবুর চাচার মৃত‍্যু, জানাজা সম্পন্ন শেরপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে ইট পোড়ানোয় ব্যবহৃত হচ্ছে বনের কাঠ : অবৈধ ১৪৮ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ হয়নি মিরপুর ১ নাম্বারে প্রকাশ্যেই আবাসিক হোটেল আল মামুনের রমরমা মাদক ও নারী বাণিজ্য নরসিংদীতে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা স্কুল ছাত্রী মিমকে হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে শিববাড়ী মোড়ে মানববন্ধন বন্দরের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কীতে ইয়ামিন আলীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান কুষ্টিয়ার থানাপাড়ায় বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

বিতর্কিত শিক্ষক বাহাদুর হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীদেরকে বিনা দোষে অমানুষিক নির্যাতনের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৩ Time View

 

 

স্টাফ রিপোর্টার :

 

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষকতা এখন সম্পূর্ণ একটি বাণিজ্যিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ কোচিং বাণিজ্য করছে, আবার কেউ কেউ বেশি অর্থের লোভে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বাণিজ্য করছে। এরকম একটি অভিযোগ উঠেছে নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের নন এমপিও স্টাফ প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক (ইংরেজী) দিবা শাখার জনাব বাহাদুর হোসেনের বিরুদ্ধে।

নানা অজুহাত দেখিয়ে এবং ব্যক্তিগত প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে (লাইট ফেয়ার কোচিং সেন্টার, মাজার চৌরাস্তা) পড়তে না যাওয়া এবং টপিক্সের বাইরে অন্য পড়া ধরে ছাত্রদের বেদড়ক মারধর ও অমানসিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই শিক্ষক ক্লাসের ছাত্রদেরকে জানোয়ার বলে গালিগালাজ করে এবং শিক্ষার্থীরাও অভিযোগপত্রে এই শব্দটি লিখেছে, স্যার জানোয়ারের মতো পেটায়। নন এমপিও স্টাফ প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক বাহাদুর হোসেনের আচরণে এবং তার মারধরের ঘটনায় সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করায় এবং তারা শারিরীক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে পরবর্তী ক্লাস গুলো করার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলোনা। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রধান শিক্ষক (খালেদা পারভীন) এর নিকট অভিযোগ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে তারা লিখিত আকারে অভিযোগ পেশ করে বলে জানা যায়।

নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণিতে প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত একজন ছাত্র নিজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংবাদের প্রতিবেদককে জানান। গত ২০/০৯/২০২২ ইং তারিখে আমি যথারীতি কলেজে যাই, দ্বিতীয় পিরিয়ড চলাকালীন সময় আনুমানিক ১.৩০ ঘটিকার সময় ২৬ জন শিক্ষার্থীকে বিনাদোষে জনাব বাহাদুর হোসেন নন এমপিও স্টাফ প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক (ইংরেজী) দিবা শাখা, নানা অজুহাত দেখিয়ে ছাত্রদেরকে বেদড়ক মারধর করেছে বলে জানায়। সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের পক্ষে একটি অভিযোগ উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট প্রেরণ করা হয়।

অভিযোগে শিক্ষক বাহাদুর হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধরের পাশাপাশি অশালীন আচরণ সহ তিনি প্রাইভেট পড়ানোর নামে ছাত্রদের নিয়ে কিশোর গ্যাং তৈরি করে কলেজে তার আধিপত্য বিস্তার করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে উত্তরা পূর্ব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্তের স্বার্থে নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে গেলে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি এবং খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার পর থেকে গত ২০ তারিখ থেকে বাহাদুর হোসেন নন এমপিও স্টাফ প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক স্কুলে আসেনা। বিষয়টি তদন্তনাধীন রয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে মুঠোফোনে সংবাদের প্রতিবেদকের সাথে শিক্ষক বাহাদুর হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি বর্তমানে কুমিল্লা রয়েছি, আমার শ্বাশুড়ি অসুস্থ ঢাকায় ফিরতে ২-৩ দিন দেরি হবে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে জানা যায়, গত ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের নামে কিশোর গ্যাং সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। যার নেতৃত্বে ছিল ইংরেজী শিক্ষক বাহাদুর হোসেন। তার বিরুদ্ধে আরোও অভিযোগ রয়েছে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কলেজের খন্ড কালীন শিক্ষকদের জোর করে তার কোচিংয়ে ক্লাস নিতেও বাধ্য করায়।

ছাত্রদের অধ্যক্ষ বরাবর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক পরিবর্তনের প্রসঙ্গে যে আবেদন করেছে সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে আমরা একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের (ঐ১) শাখার নিয়মিত শিক্ষার্থীবৃন্দ। আমাদেরকে ইংরেজী বিষয়ে অতিরিক্ত বাসার কাজ প্রদান করে এবং আমরা পড়া যদি সম্পূর্ণ করতে না পারি আমাদের সাথে অশ্লীল আচরণ করে এবং মারধর করে। তার কোচিংয়ে পড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এমনকি তার কোচিং থেকে চলে আসার পর তিনি আমাদের ইয়ার চেঞ্জের হুমকি দেয়। এমনকি তার মারধরের ভয়ে আমাদের ক্লাসের অনেক শিক্ষার্থীরা টিসি’র মাধ্যমে অন্য কলেজে যাওয়ার জন্য বাধ্য হয়।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Headlines