Amar Praner Bangladesh

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে

 

 

মোর্শেদ আলী মারুফ :

 

রাজশাহী জেলা, গোদাগাড়ী থানা,আলোকছত্র, প্রসাদপাড়া গ্রামের আনছার আলীর পুত্র, আব্দুল্লাহ নামে এক প্রতারক সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে প্রায় -৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশে ছুটিতে আসে কিছু মালামাল সৌদিতে রাখা ছিলো পরবর্তীতে বাসার মালিক, রংপুর এস এম ই কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠাই দেন সেই মালামাল উত্তলন করতে গিয়ে পরিচয় হয় আব্দুল্লাহর সঙ্গে, তারপর শুরু হয় সম্পর্ক আব্দুল্লাহ গোপন করে তার স্ত্রী ও সন্তানের কথা, সেই সূত্র ধরে আগাতে থাকে সৌদি প্রবাসী শাহনুর আক্তার এরপর আব্দুল্লাহ যখন বলেছে স্ত্রী-সন্তান নেই তখন তো আর বলার অপেক্ষা থাকে না সংসার বাঁধার স্বপ্ন, কিন্তু সে-স্বপ্ন আব্দুল্লাহ দেখালেও হয়নি বাস্তবায়ন।

সৌদি প্রবাসী শাহনুরের বাড়ী রংপুর জেলা, মিঠাপুকুর থানা,বলদীপুকুর,তাজনগর গ্রামের বাসিন্দা, শাহনুর আক্তার বিয়ের আস্বস্ত পেয়ে প্রতি মাসে যা বেতন উত্তলন করতো তা পুরোটাই আব্দুল্লার ব্যাংক একাউন্টে পাঠাই দিতো,এক পর্যায়ে -৬ লক্ষ টাকা নেওয়ার পরে শাহনুর জানতে পারে আব্দুল্লার স্ত্রী ও সন্তান আছে তখন শুরু হয়ে যায় সম্পর্কের ফাটল, শাহনুর আক্তারের যে অর্জিত টাকা বিভিন্ন ব্যবসার জন্য দেওয়া হয়েছিল তা ফেরত চায়, তখন আব্দুল্লাহ অস্বীকার করে, অস্বীকার করলে লাভ কি? ব্যাংক একাউন্ট তো আর মিথ্যা নয়! প্রমাণাদি সংবাদকর্মীদের হাতে শাহনুর আক্তার তুলে দিলে, একটি অনুসন্ধান টিম, আব্দুল্লার বাড়ীতে উপস্থিত হয়, কিন্তু এ-ই আব্দুল্লাহ ক্রাইম জগতের রাজা, যা গ্রামের মানুষদের কাছে তথ্য পাওয়া যায়।

আব্দুল্লার শক্তি, তার বড় ভাই ফারুক আহমেদ একজন সংবাদ কর্মী ও ছোট ভাই এশিয়ান টেলিভিশনের নিউজ এডিটর রনি আহমেদের নাম শোনা যায়।

আব্দুল্লাহ শাহনুর কে এখন বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি সহ টাকা না দেওয়ার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। আব্দুল্লাহ এখন কর্মরত আছে জননী কুরিয়ার সার্ভিস সদর গোপালগঞ্জ শাখা ইনচার্জ। সৌদি প্রবাসী শাহনুর আক্তার বাংলাদেশ পুলিশের কাছে আইনানুগ সাহায্য চেয়েছেন। শাহনুরের বাবা একজন বৃদ্ধ ক্যান্সার রোগী তার পরিবারে অর্থ উপার্জনের কোন মানুষ নাই।