মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিরপুর এক নাম্বারের ফুটপাত থেকে কবিরের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নাম ঠিকানা লিখতে পারেনা সাংবাদিকে দেশ সয়লাব গ্যাস ও বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সংসারের হিসাব সমন্বয় করতে গলদঘর্ম দেশবাসী ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পথে প্রবেশ করছে মাদক ৮০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অর্থ ও ভূমি আত্মসাৎ এ সিদ্ধহস্থ চুয়াডাঙ্গার প্রতারক বাচ্চু মিয়া নির্লজ্জ ও বেপরোয়া রাজধানীর গুলশান-বনানীতে স্পার অন্তরালে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসা তিতাসের ভুয়া ম্যাজিষ্ট্রেট’র সংবাদ সামনে আসায় বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সৃজনশীল সৃষ্টি এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) শ্রমিক লীগের ৫৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুবেলকে হত্যার চেষ্টা : থানায় অভিযোগ

বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই জহর লালকে ঘুষ না দেওয়ায় তদন্তর সঠিক রিপোর্ট জমা দেয়নী এমন অভিযোগ বাদী পক্ষের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৯৪ Time View

আজিজুল ইসলাম(জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ) ঃ পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিম, পুলিশ জনগণের বন্ধু। কিন্তু কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের কারণে দ্বারাই তার ভিন্ন রুপ। যেমন সুনামগঞ্জ জেলার বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার দুধপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জমি ক্রয় করার নামে দুই লক্ষ টাকা বায়না দেয় মিনারা খাতুনের কাছে। ঐ টাকা নিয়ে মিনারা খাতুন অস্বীকার করেন। যথাযত প্রমাণ থাকাসত্বেও। এ বিষয় নিয়ে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মামলার নং ১৯৩/১৭। মামলাটি তদন্তের জন্য বিশম্ভরপুর থানার ওসি মোল্লা মনির হোসেনের কাছে পাঠানো হয়। মামলাটি খতিয়ে দেখার জন্য এস আই জহর লালকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত কালীন সময়ে যতেষ্ট পরিমান প্রমাণ পান। কিন্তু বাদীর কাছে দাবী রাখেন যে তদন্তের রিপোর্টের জন্য দিতে গেলে থানার খরচ বাবদ দশ থেকে বার হাজার টাকা এবং ওসি স্যারকে দেওয়া লাগবে সাত থেকে আট হাজার টাকা দিতে হবে। তা না হলে রিপোর্ট দেওয়া সম্ভব না। কিন্তু বাদী পক্ষ টাকা দিতে অস্বীকার করাই। ঐ এস আই তদন্তের সঠিক রিপোর্ট জমা না দিয়ে বিবাদীর পক্ষে রিপোর্ট দেন। যার বাস্তব প্রমান মোবাইল ফোনে এস আই জহর লালের ঘুষ বাণিজ্যর একটি রেকর্ড। সরেজমিনে দেখা যায় ছয় থেকে সাতজন বলেন আমরা পুলিশকে দুই লক্ষ টাকার বিষয়ে সব কিছু খুলে বলেছি। কিন্তু তার পরেও পুলিশ মিত্যার আশ্রই নিয়ে বিবাদীর পক্ষে রিপোর্ট দেয়। এ বিষয়ে জহর লাল বক্তবে বলেন ঘুষের বিষয় সম্পূর্ণ মিত্যা আমি কোনো ঘুষ দাবি করি নাই। এবং সাইফুল ইসলাম নামে আমার কোনো বাদী নাই ও এইরকম কোনো মামলাও নেই। অন্যদিকে বাদী পক্ষ সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার বরাবর বিশম্ভরপুর থানার এস আই জহর লালের ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করবেন বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়