Amar Praner Bangladesh

বিষখালির ভাঙ্গনের কবলে উত্তর রামনার ওয়াবদা

 

 

মোঃ শাকিল আহমেদ, বরগুনা :

 

বরগুনার বামনা উপজেলার ০৩ নং রামনা ইউনিয়নের উত্তর রামনার ওয়াপদা বিষখালি নদীর কবলে দিনে দিনে ভেঙে বিলিন হয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন যাবৎ নদীতে ভেঙে যাচ্ছে উত্তর রামনার ওয়াপদা এখন প্রায় শেষ পর্যায়, ঝুঁকি হয়ে যাচ্ছে ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের জনজীবনের, আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করতে হয় তাদের। প্রতিটা দিন আর প্রতিটা রাত যেন তাদের কাছে এক অবিসাপ্ত ভয়াল কাল রাত হয়ে দারিয়েছে।

ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ছিদ্দিক মিয়া ও জলিল মিয়ার কাছে কথা বলে যানা গেছে, ওখানে প্রায় শতাধিক পরিবার বসবাস করে। তাদের জীবিকা নির্বাহ করে নদীর উপর, যেমন তারা নদীতে মাছ ধরে সংসার পরিজন নিয়ে কোন মতে জীবনযাপন করছে।

যদি নদীতে ওয়াপদা ভেঙে যায় তাহলে তাদের বাড়ি ঘড় সবই নদীর ভাঙ্গনে চলে যাবে। যার ফলে তারা সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে, পথে বসতে হবে তাদের ছেলে মেয়ে সহ পরিবারের সকলকে নিয়ে। তারা আরও বলেন অতিতে এরকম অনেক ফেমিলিই নিঃশ্ব হয়ে গেছে, তাদের বাপের ভিটা বাড়ি চলে গেছে নদীতে যার ফলে তারা এখন ওয়াপদার বাইর সাইডে বসবাস করছে।

স্থানীয়রা এব্যপারে আরও বলেন তারা এই নদী ভাঙ্গন নিয়ে অনেকবার মানববন্ধন ও করেছে।

এই ওয়াবদার পাশেই অবস্থিত উঃ রামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্কুলটিতে ২০০/৩০০ শিক্ষার্থী লেখা পড়া করছে। বিলীন হয়ে যাবে স্কুলটিও, এলাকার ছোটো ছোট ছেলে মেয়েদের লেখা পড়ায় সমস্যা হয়ে যাবে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে যানা যায় বামনা উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মোঃ সাইতুল ইসলাম লিটু মৃধা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বামনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল জনাব সৈয়দ মাঞ্জুরুল রব মুর্তজা আহসান মামুন
স্যার ওখানে গিয়ে সরজমিনে দেখেছেন এবং এলাকাবাসিকে আসস্থ করেছেন খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি যে এখন পর্যন্ত এ বিষয় কোন পদক্ষেপ নেয়া হয় নাই, যেন খুব তারা তারি বেড়িবাঁধ ও ব্লকের ব্যবস্থা করা হয় না হলে তলিয়ে যাবে সমস্ত এলাকা।

তারা আরও জানান যে অত্র ইউনিয়নের বর্তমান ইউ,পি চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম জোম্মাদ্দার বিষয়টি এখনও পর্যন্ত কোনো আমলে নেন নি এবং এলাকাবাসীর কোন খোজ খবর ও নেয় নাই। বলে তারা আপত্তি করেন।

অত্র এলাকাবাসীর এমনও দুঃখ দুর্দশা ও হতাশা ময় জীবনযাপন থেকে বেচে থাকার জন্য আকুতি। তাই তারা স্থানীয় জনপ্রতিধিদের কাছে দাবি জানা যেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেরী বাধ ও ব্লোক দেয়া হয় যাতে এলাকাবাসী সস্থি সাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারে, পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।