Amar Praner Bangladesh

বেতাগী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশীদ

 

 

গাজী মামুন :

 

বরগুনা জেলার বেতাগীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ -২০২২,উপজেলা পর্যায়ে সাধারণ শাখায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের গনিত বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মোঃ হারুন অর রশীদ। বৃহস্পতিবার (২০ মে) উপজেলা পর্যায়ে বাছাই কমিটি তাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সুহ্রদ সালেহীন ‘র সভাপতি ত্বে বাছাই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শহীদুর রহমানসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

মোঃ হারুন অর রশীদ, বরিশাল বিভাগে বরগুনা জেলায় বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তর কাঠী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। দেশান্তর কাঠী গ্রামের স্বনামধন্য, খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব প্রফেসর এম এ খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দেশান্তরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে যশোর বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ফাস্ট ডিবিশন পেয়ে এস এস সি পাস করেন।১৯৯৩ সালে ঢাকা,গাজীপুর, টংগী সরকারি কলেজ থেকে ঢাকা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ফাস্ট ডিবি শন পেয়ে এইচ এস সি পাস করেন।

১৯৯৬ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গনিত বিষয় নিয়ে অনার্সে দ্বিতীয় শ্রেণি এবং ১৯৯৭ সালে মাস্টার্সে দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি লাভ করেন। মোঃ হারুন অর রশীদ ছোট বেলা থেকে খুুব মেধাবী ছিলেন। তিনি বর্তমানে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০০১ সালে গনিত বিষয় প্রভাষক পদে যোগদান করে বেশ সুনামের সাথে বর্তমানে সিনিয়র প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন। তার চাকরি জীবনে অনেক অভিজ্ঞতা যেমন উচ্চতর গনিতের মাস্টার ট্রেনার, ডিজিটাল কনটেন্ট ডেবপলপমেন্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস পরিচালনায় যথেষ্ট দক্ষ। এ ছাড়াও বিষয়ভিত্তিক ট্রেনিং, বগুড়া নেকটার থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহন করে বেতাগী উপজেলা তথা বরিশাল বিভাগে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।

হারুনুর রশিদের ছাত্র-ছাত্রী যারা ছিলেন তাদের মধ্যে অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, হারুনুর রশিদের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কেউ এখন শিক্ষকতা করছেন, কেউ সরকারি চাকরি করছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেছেন, মোঃ হারুনুর রশিদের স্বপ্ন আগামীতে এদেশ হবে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত আর এগুলো করতে হলে আগে ছাত্র ছাত্রীদেরকে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে পারলেই, হয়তো সেটা বাস্তবায়ন হতে পারে, সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হতে হবে, সাথে অভিভাবকদেরও আরো সচেতন হতে হবে, অনেক অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে মোবাইল তুলে দেন, আর সেই মোবাইল ছাত্র-ছাত্রীরা কি কাজে ব্যবহার করছে সেদিকে তার খেয়াল রাখেন না, তাই সকল অভিভাবকদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, সন্তানদের হাতে মোবাইল তুলে দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিবেন না, কারণ মোবাইলে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভাই গেম খেলে সময় পার করে, টিক টক, লাইকি সহ এরকম বিভিন্ন নেশায় জড়িয়ে পড়ে,তাই আপনার সন্তান কার সাথে মিশে, কোথায় সে সময়গুলো পার করছে, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন, কারণ প্রত্যেকটি পিতা-মাতার স্বপ্ন থাকে সন্তানকে ঘিরে, আপনার সন্তান যদি বিপথে চলে যায়, তাহলে তার জন্য সারা জীবন আপনাকে দুঃখ বয়ে বেড়াতে হবে, তাই আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি, হারুনুর রশিদের আশা সব শ্রেণীর মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে, শুধু সার্টিফিকেট অর্জন করলেই হবে না তাদের ভিতর নৈতিকতার আদর্শ থাকতে হবে।।