Amar Praner Bangladesh

মনোহরদীতে মানবতার উজ্জ্বল বার্তা নিয়ে এলো রেমিটেন্স যোদ্ধা এমদাদুল হক (অহিদ)

 

মোঃ তাজুল ইসলাম বাদল, মনোহরদী :

 

নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নে চর আহাম্মদপুর গ্রাম এক ঐতিহাসিক (বড় বাড়ি নবর প্রধান) পরিবারের জন্ম। মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে এলাকার সকলের কাছে পরিচিত। অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠির শেষ আশ্রয়ের ঠিকানা সকলের সু-পরিচিত কর্মবীর, আদর্শবান শিক্ষানুরাগী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ইসলাম প্রিয়, সাংস্কৃতিক মনা, পরোপকারী, খিদিরপুর ইউনিয়নের মানবতার উজ্জ্বল নক্ষত্র স্পষ্টভাষী, সত্য ও ন্যায়ের পথ প্রদর্শক খিদিরপুর ইউনিয়নের আগামী দিনের স্বপ্ন সারথি জনাব মোঃ এমদাদুল হক (অহিদ) । তার মূল উদ্দেশ্য, “আসুন সবাই মিলে হত দরিদ্রদের পাশে দাড়াই” এই মানুষটি ছোট কাল থেকেই পরোপকারী গরীব দুঃখী মানুষের ভালোবাসায় শিক্ত। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে আক্ষায়ীত হয়েছেন একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসাবে।

বিগত দিনে তার নিজ গ্রাম চর আহাম্মদপুর তেতুলতলা বাজারে গড়ে তুলেন গত দরিদ্রের পাশে দাড়াই ফাউন্ডেশন, উক্ত ফাউন্ডেশন থেকে এলাকার গরিব দুঃখী মানুষ চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, লবণ, পেয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সহ নগদ অর্থ ও চিকিৎসার জন্য ঔষধ দেওয়া হত। গরীবের বন্ধু এমদাদুল হক (অহিদ) এলাকার কোমলমতি অসহায় গরীব দুঃখি মানুষের সন্তানের জন্য কাপড়চোপড়, বই-খাতা-পেন্সিল সহ অন্যান্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি বিগত দিনের জাতির ক্লান্তি লগ্নে মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাবে তিনি প্রবাসে থেকে চিন্তা করতেন, আমার এলাকার মানুষ এবং আমার ইউনিয়নের মানুষ দুঃখ দুর্দশা লাঘব করার জন্য। তাদের জন্য তিনি সর্বদাই চোখের জল ফেলতেন। এবং চিন্তা করতেন কিভাবে সাহায্য সহযোগীতা করে তাদের পাশে থাকা যায়। তিনি অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে (প্রায় ৩০০০ লোকের মাঝে) চাল, ডাল, চিনি, সেমাই, আলু, পেয়াজ লবণ, মাস্ক এবং হ্যান্ড সেনিটাইজার সহ নগদ অর্থ প্রদান করেন। তিনি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি নয়, তিনি একজন সমাজ সেবক মানবতার ফেরিওয়ালা ও দানবীর হিসাবে পরিচিত।

এলাকার গরিব দুঃখীদের মাঝে ১৫-২০ টি টিনের ঘর নির্মাণ করে দেন এবং রাস্তাঘাট, মসজিদ-মন্দির সহ সকল কর্মকান্ডে বিপুল পরিমান অর্থ প্রদান করেছেন ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

উক্ত কর্মকান্ড ও সাহায্য সহযোগীতা এখনো অব্যাহত আছে। ইতি মধ্যে তিনি তেতুলতলা বাজার থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করে একটি কবর স্থান যার নাম শেষে ঠিকানা গরিব দুঃখী মানুষ মারা গেলে যাদের কবর দেওয়ার মত জায়গা সম্পত্তি নাই তাদের জন্য তিনি নির্মান করেছেন শেষ ঠিকানা নামে কবর স্থান।

যেকোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান সহ এলাকায় গরীব দুঃখী মানুষের বিয়ে সহ যে কোন সাহায্য সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। সুষ্ঠ ধারা সাংস্কৃতিতে তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে এলাকার মানুষের কল্যানে তিনি নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন।

ভবিষ্যতে জনগণের সেবা প্রদানের জন্য নান্দনিক খিদিরপুর ইউনিয়নকে তিনি একটি সমৃদ্ধশীল, উন্নয়ন মূখী বেকার মুক্ত ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান এবং হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ লাঘব করার জন্য ক্ষুদ্রমতে কর্ম সংস্থান গড়ে তুলতে চান।

সর্বপরি খিদিরপুর ইউনিয়নের জনগণের দোয়া ও ভালোবাসা পেলে আগামী দিনে সুবিধা বঞ্চিত নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে দুঃখ দুর্দশাকে ভাগভাগি করে নেওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।