ষ্টাফ রিপোর্টার :
আমার নামে লেখালেখি করে কোন লাভ নাই! আমার হাত অনেক উপরে! কাউন্সিলর ও পুলিশ আমার পকেটে। একা খাই না আমি সবাইকে দিয়ে খাই! এভাবেই মানুষকে বলে বেড়াচ্ছেন আতর আলী ও অটো শামীম। অস্ত্র ঠেকিয়ে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা স্বাধীন মামলা করেছে তাতে আমাদের কি হয়েছে?? আমাদের কিছু করার মত কারো নাই! থানা-পুলিশ আমার পকেট থাকে! প্রত্যেকটি দপ্তরে মাসের প্রতি টাকাগুলো দিয়ে আমার কথা শুনবে না শুনবে কার কথা? মহাখালী সাততলা বস্তি গডফাদার আতরআলী টোকেন বাণিজ্য, সরকারি গ্যাস, বিদ্যুৎ, মাদক , সহ বস্তি জুড়ে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল সাম্রাজ্য! কিশোর গ্যাং’ ফিটিং বাণিজ্য’ বিচার-সালিশ সকল কিছু যার নেতৃত্বে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়ে আজকে আমাদের এই প্রতিবেদন রাজধানী মহাখালী এলাকার অপরাধ চক্রের গডফাদার আতর আলি ও শামিম বাহিনীর অপকর্ম অব্যাহ্ত ভুইফোর সংগঠন গুলোর প্লেট ও টোকেনে চলছে অবৈধ অটোরিক্সা বানিজ্য এবং প্লেট ও টোকেনে অবৈধ অটোরিক্সা থেকে চাদাবাজি করে হাতিয়ে নিচ্ছ লক্ষ লক্ষ টাকা! মহাখালীর, সাততলা বস্তি, দক্ষিণপাড়া, পোড়া বস্তি , মন্দির পাড়া, লালমাটি, ঝিলপাড়, ওয়ারলেস গেট, নিকেতন, সহএলাকা সেই জুড়ে ঘরে তুলেছে কিশোর গ্যাং! তাদের নিয়ন্ত্রণ করছেন আতর আলী, , অটো শামীম, নাপিত সবুজ ! ফর্মা ইলিয়াস ভাগিনা রুবেল, প্রত্যেক যার যার সাইড বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে সকল কিছু নিয়ন্ত্রন করছে একটি বিশাল বাহিনী গড়ে তুলেছেন এলাকা জুড়ে! রাত যতই গভীর এলাকা ততোই মাদকের আনাগোনা!
পুলিশ নামধারী সাংবাদিক উকিল নেতা থেকে শুরু করে সকল কিছুই তাদের হাতের মুঠোয় ! গত ৩১.০৮.২০ তারিখে অপরাধ বিচিএায় টোকন বাণিজ্য গ্যাস মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্ম সহ সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়! এই চক্রটি বিষয়ে উন্মোচন হয় তবুও প্রশাসনের কোনো হস্তক্ষেপ নেই আতর আলীর নামে থানায় একাধিক জিডি ও মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা ইন নিয়ন্ত্রণ করছেন এলাকা। এলাকাবাসী জানান পুলিশের ছত্রছায়ায় আতর আলী ও শামীম তার বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করছে। যার যথেষ্ট প্রমাণ দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ দপ্তরে রয়েছে! মহাখালি ,বনানী, গড ফাদার আতর আলি, অটো শামীম, নাপিত সবুজ ,সোর্স ইলিয়াস, ভাগ্না রবেল, বাহিনী বিভিন্ন ভাবে ,হয়রানি করেন সংবাদকর্মি স্বাধীনকে। এ বিষয় স্বাধীন মুঠোফোনে আতর আলী বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিতে থাকে।
গত ০৭.০৯.২০ তারিখ বিকালে অপরাধ চক্রদের মোবাইল নাম্বার থেকে সংবাদকর্মীকে কল করে তার অবস্হা জেনে বলেন কাউন্সিলার নাসিরের অফিসে দেখা করতে, সংবাদকর্মী দেখা করতে অস্বিকার করলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এবং ২-৩ ঘন্টা পর মহাখালী বক্স ইনর্চাজ এসআই রাজিব তালুকদার এরিয়া থেকে স্বাধীনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় ২৪ মহাখালী আমতলী, হাজী হাসমত ম্যানশন ১ম তলায় আসালে শামীমে এবং আতর আলী ও তাদের বাহিনী ব্লাক বাবুল, সবুজ, অটো আলামিন, বুলু জাকির, ফরমা রবিন, বাটো কবির, উজ্জল, ফরমা ইলিয়াস, এস কে আলোম ও ওমর ফারুক ওরফে কেরু সহ আরো অনেকেই স্বাধীনকে ঘিরে ফেলে। এবং সংবাদকর্মী স্বাধীনের দু’হাত চেপে ধরে ও শামীমের কমরে থাকা পিস্তল সংবাদকর্মী স্বাধীনের বুকে চেপে ধরে বলে, কাউন্সিলার অফিসে যেতে হবে এবং স্বাধীন যেতে না চাইলে আতর আলির হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে তার শরীলে আঘাত করে। এবং অপরাধীরা সংবাদকর্মী স্বাধীনকে জোরপূর্বক কাউন্সিলার অফিসে নিয়ে যাবে বলে পিটিয়ে টেনে-হেচরে নিয়ে যায়। কিন্তু কাউন্সিলার অফিসে না নিয়ে গিয়ে তারা ওয়ার্লেস গেট প্রদীপ সংখ ক্লাব ও সেন্টারে নিয়ে যায়।
অতঃপর অপরাধীরা সংবাদকর্মী স্বাধীনকে মহাখালী ওয়ার্লেস গেট প্রদীপ সংখ ক্লাব ও সেন্টারের নীচ তলা পৌছালে অপরাধীদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে নাপিত সবুজ, ফর্মা ইলিয়াস, ব্লাক বাবু, ভাগিনা রুবেল, ওমর ফরুক ওরফে ফেরু সহ আরো কয়েকজন মিলে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে এলোপাথারী মারধর করে শরীরে বিভিন্ন অংশে জখম করে। সংবাদকর্মী স্বাধীন মাটিতে পরে এবং তার শরিরের উপরে উঠে দুপা দিয়ে লাথি মারেন। এরপর কমিউনিটি সেন্টারের দোতালায় নিয়ে গিয়ে অপরাধ চক্ররা সবাই মিলে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে পুনরায় মারধর করেন। তারপর তাদের মধ্যে দু’জন সংবাদকর্মী স্বাধীনকে বাথরুমে নিয়ে যায়। এবং তার মুখে পিস্তল ঢুকিয়ে শামীম বলে যে, তোর প্রকাশিত সংবাদ ভুল বলে সংবাদ প্রকাশ করেছিস এটা বলে সংশোধিত সংবাদ প্রকাশ না করা হলে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
তাদের সাথে থাকা শিরিন ও শান্তা সংবাদকর্মী স্বাধীনকে বাথরুম থেকে এনে রুমে নিয়ে বলে তোকে ধর্ষনের মামলা দিবো। মানুষ না চিনে রিপোর্ট করিস তুই জানিস আমাদের হাত কত বড় লম্বা আতরআলী সম্বন্ধে তোর আইডিয়া আছে ? ওই দুই নারী বলে তোর সংবাদ ভুল ছিল এই সংবাদ প্রকাশ করবি.. এভাবে আবার অমানুষিক নির্যাতন আবারও অপরাধ চক্ররা মিলে মারপিট শুরু করে !এতে সংবাদকর্মী স্বাধীন অজ্ঞান হয়ে পরে। পরবর্তীতে তার জ্ঞান ফিরলে ফরমা ইলিয়াস ও নাপিত সবুজ মিলে সংবাদকর্মী স্বাধীনের প্যান্টের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকানোর চেষ্টা করে।
কিন্তু তারা ব্যর্থ হয় এবং মাদক মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে নিজের শরীরের সমস্ত কাপর চোপর খুলে ফেলেন সংবাদকর্মী স্বাধীন। এসমস্ত ঘটনা কমিউনিসেন্টারের সিসি ফুটেজে আছে। সংবাদকর্মী স্বাধীনকে হত্যার চেষ্টা ও মাদক দিয়ে ফাঁসানো পরিকল্পনাকারী আতরআলী শামীম নাপিত সবুজ সিন্ডিকেটের কারা এই ফুটেজে সকলের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যাবে.. পরবর্তীতে আনুমানিক রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে এসআই আহসান হাবীবের চেষ্টায় সংবাদকর্মী স্বাধীনকে উদ্ধার করা হয়! এস আই হাবিব উপস্থিতিতে। অপরাধীরা সংবাদকর্মী স্বাধীনের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১০০/-(একশত) টাকার ৪টি নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পের স্বাক্ষর রাখেন ! এসআই হাবিব ওই মুহূর্তে ছিল নিরুপায় স্বাধীন কে সেখান থেকে কৌশলে বাহির করেন এসআই হাবিব !এবং সংবাদকর্মী স্বাধীনের র্বহৃত মোবাইল স্যামসাং উঁড়ং সেটটি ভেঙ্গে ফেলে ওসাওমী সেটটি থেকে তাদের বিরুওদ্ধে সকল তথ্য প্রমান ফ্লাশ মেরে মুছে ফেলেন।
সংবাদকর্মী স্বাধীন থেকে সাংবাদিকতার আইডি কার্ড, জাতীয় পরিচয় পএ এবং নগদ ৯,৯৫০ টাকা রেখে দেন। নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে রাত ১১: ৫৪ মিনিট বনানী থানার এসআই আহসান হাবীব উদ্ধার করেন। কিন্তু যাদের কথা ছিলো উদ্ধার করা বরং তারাই উল্টো অপরাধীদের সাথে হাসিউল্লাসে ব্যস্ত ছিলো। মহাখালী সাততলা বস্তি ৫ নং বিটইনর্চাজ এসআই বিশ্বজিৎ ও রাজিব তালুকদারকে জানালার বাহিরে দেখা গেছে বলে জানান সংবাদতকর্মী স্বাধীন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যায়। গত ০৮.০৯.২০ তারিখ! সংবাদকর্মী স্বাধীন বাধ্য হয়ে গত ১০.০৯.২০ তারিখে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায় করার পরামর্শ দেয়। এবং সংবাদকর্মী স্বাধীন ১৫.০৯.২০ তারিখে আদালতে গিয়ে ৩০৭/৩২৩/৩২৫/৩৫০/৩৫২/ ৩৬৪/৩৯২/৪০৬/৪২০/৫০৬ ধারা অপরাধী চক্রদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।এবং সি. আর মামল নাম্বর ৭৬৯। এবং পুলিশ পাহারায় নির্যাতন প্রসঙ্গে গত ৩০.০৯.২০ তারিখে আসাদুজামান খান কামাল এমপি মাননীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী ও গত ০১.১০.২০ তারিখে আইজিপি মহোদয়ের কাছে সুষ্ঠতদন্ত চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন সংবাদকর্মী স্বাধীন।
অভিযোগ নাম্বার-১৩৫২ মাদক ও অস্র ঠেকিয়ে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে দমন করা গেলো না। তাই তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে তাই নাটকীয় কায়দায় আতর আলী ও শাশীম চক্র তাদের পালিত নারী দিয়ে সংবাদকর্মী বিরুদ্ধে কোর্টে মিথ্যা মামলা দেয়! তাই এলাকা মানুষ বলাবলি করছে কি নেই আতরআলী বাহিনীর কাছে প্রতারণা নারী থেকে শুরু করে কাউন্সিলর, পুলিশ, সাংবাদিক, দলিও ক্যাডার সকল কিছুই আতর আলী ও শামীমের কেরামতির কাছে বন্দী। তার কারন কী? এখন তারা নিজেরাই নামধারী সাংবাদিক দিয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদকর্মী স্বাধীনে বিরুদ্ধে! নারী ও শিশু মামলা দিয়ে ফাসানোর চেষ্টা করেন, আতর আলী ও শামীম শিরিনকে দিয়ে নারী ও শিশু মামলা দিয়ে সংবাদকর্মী স্বাধীনকে ফাসানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রাণের বাংলাদেশের অনুসন্ধানী চোখ রাখুন।
এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়
Leave a Reply