Amar Praner Bangladesh

মহানবী (স:)-কে কটূক্তির প্রতিবাদে হায়দরাবাদ আক্কাস মার্কেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

 

সামছুদ্দিন জুয়েল/ মকবুল হোসেন :

 

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দালের জঘন্যতম কটুক্তির প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর হায়দরাবাদ আলেমসমাজ বিক্ষোভ সমাবেশ করেন

শুক্রবার (১০জুন) বাদ আছোর ভারতে বিশ্ব নবীর বিরুদ্ধে কটুক্তির প্রতিবাদে
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল মেট্রো থানা ৩৯ নং ওয়ার্ড আক্কাস মার্কেট কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের সামনে আলেমসমাজ মুসল্লী ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা অংশগ্রহণ করেন।

তখন আলেম ওলামা গন বক্তব্য দেন, বক্তারা তাদের বক্তব্য বলেন, বিশ্ব নবী ও তার পরিবারকে সর্বোত্তম চরিত্রের সনদ প্রাদন করে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন শরীফে আয়াত নাজিল করেছেন। যে নবী সমস্ত জিন ইনসানের জন্য উত্তম আদর্শের নমুনা, সেই নবীর চরিত্রে যারা দোষ তালাশ করে তারা পিতৃপরিচয়হীন। বিজেপি নেতাদের অপমানজনক মন্তব্য বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’ র কলিজায় মারাত্মক ভাবে আঘাত এনেছে। কোটি কোটি নবীপ্রেমিকের অন্তরকে ক্ষতবিক্ষত করেছে। এই অবস্থায় কোন ঈমানদার চুপ করে ঘরে বসে থাকতে পারে না। ইতিমধ্যেই মুসলিম বিদ্বেষী ভারতের বিজেপি নেতাদের ইসলামের বিরুদ্ধে লাগামহীন বক্তব্য বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় বিদ্বেষ উস্কে দিয়েছে। এ জঘন্য অপরাধের জন্য শুধু দল থেকে বহিষ্কার যথেষ্ট নয়। তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে বিশ্ব মুসলমানদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় মুসলিম বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতকে সমুচিত জবাব দিতে বাধ্য হবে।

বক্তারা আরো বলেন, ভারতের মুসলমানদের উপর ক্ষমতাশীন বিজেপি সরকারের জুলুম নিপীড়নের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। মুসলমানদের ধর্য্য ও নীরবতাকে দুর্বলতা মনে না করে সাবধান হওয়ার জন্য সতর্ক করে তিনি বলেন, বীরের জাতি মুসলমানরা আবার গর্জে উঠলে ভারত ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।

ধর্ম নিরপেক্ষতার দাবিদার ভারত সরকার সেদেশকে মুসলিম শুন্য করার ষড়যন্ত্র করছে। সময় এসেছে মুসলিমবিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার। ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব প্রত্যাহার করে সেদেশের মুসলমানদের উপর নির্বিচারে জুলুম নিপীড়ন বন্ধ করা না হলে মুসলিম বিশ্ব ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

ইতিমধ্যেই জাতি সংঘ, ওআইসিসহ আরব বিশ্বে ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দাও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ডাক উঠেছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাশীনরা রাষ্ট্রীয় ভাবে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে জানায়নি।