Amar Praner Bangladesh

মহাসড়ক ধীরগতিতে নির্মাণ কাজে ধুলায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা (ভিডিও)

 

মাহবুবুর রহমানঃ

 

শরীয়তপুর-চাদঁপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটি নির্মান কাজে ধীরগতির কারনে ধুলায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা আর প্রতিনিয়তই পড়ে যাচ্ছে পন্যবাহী ট্রাক,যানবাহন। এতে রয়েছে সড়ক বিভাগের গাফলতি। খুলনা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশের ৩২ কিলোমিটার সড়ক। বড় বড় খানাখন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটি বর্তমানে মৃত্যুফাঁদে পরিনত হয়েছে। আর প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ভাঙ্গা সড়কের যানবাহন চালাতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছে চালকরা। ১ ঘন্টার রাস্তা পাড়ি দিতে যাত্রীদের ব্যায় করতে হয় আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। সড়কের এই দুর্দশার জন্য অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করাকেই দায়ী করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সড়কে থাকা বড় বড় গর্তে প্রায়ই আটকে যাচ্ছে পণ্যবাহী গাড়ী। আবার অন্য গাড়ী সাইট দিতে গিয়ে উল্টে খাদে পরছে অনেক যানবাহন। এসব এখন নিয়মিত চিত্র খুলনা-চট্রগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের শরীয়তপুর অংশের মনোয়ার বাজার থেকে আলুরবজার নরসিংহ ফেরীঘাট পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার সড়কের। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ১৮ কোটি ২১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সড়কটি মেরামত করেছিল সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কয়েক মাস পরেরই সড়কজুরে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় পর আবারো ২০১৬ সালের জুন মাসে ৩ কোটি ১৪ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়কটি মেরামতের করা করানো হয়। মেরামতের পর মাস না পেরুতেই সড়ক জুড়ে খানাখন্দক সৃষ্টি হয়। আর ৪ লেনের কাজ করার কথা থাকলেও জমি অধিক গ্রহন না করতে পেরে ২০২২ ও কোন কাজ করতে পারেনি সড়ক বিভাগ। এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পরেছে সড়কটি। আর ধুলায় সড়কের আশ-পাশে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়ি মানুষের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগ বালাই অন্যনদিকে ভাঙ্গা সড়কে চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পরছে যাত্রীরা।

এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও শহিদ সিরাজ সিকদার কলেজের শিক্ষার্থী।

চট্রগ্রামের সাথে খুলনা, বরিশাল ও বেনাপোল স্থলবন্দরের দুরুত্ব কমাতে বিকল্প সড়ক হিসেবে অধিকাংশ যানবাহনই এই সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এই সড়কে যানবাহন চালাতে গিয়ে নিয়মিত বিড়ম্বনায় পরতে হয় চালকদের। আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে পরিবহন মালিকদের।

জিতু বেপারী সাবেক চেয়ারম্যান চরসেন্সাস ও গাড়ি চালকও।

চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও বেনাপোল স্থল বন্দরের মাঝে সড়াসরি সড়ক যোগাযোগের সহজ মাধ্যম এই সড়ক। আঞ্চলিক সড়কটি হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি করা হলেও প্রতিনিয়িতই অতিরিক্ত পন্য বোঝাই যানবাহন চলাচল করার কারনেই সড়কটি মেরামত করেও টিকানো যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পাশা পাশি জমি অধিকগ্রন করতে না পেরে কাজ থাকার পরও কাজ করা যাচ্চেনা তবে সমস্যা সমাধানে দ্রুই পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে এই প্রকৌশলী।

ভূইয়া রেদওয়ানুর রহমান নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ সড়ক ও জনপথ বিভাগ, শরীয়তপুর।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ ২টি বন্দরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনকারী আঞ্চলিক সড়কটিকে মহাসড়কে উন্নতী করে যানবাহন চলচলের উপযোগী করা হলে দেশের আমদানী রপ্তানীতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে দাবী স্থানীয়দের।