মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিরপুর এক নাম্বারের ফুটপাত থেকে কবিরের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নাম ঠিকানা লিখতে পারেনা সাংবাদিকে দেশ সয়লাব গ্যাস ও বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সংসারের হিসাব সমন্বয় করতে গলদঘর্ম দেশবাসী ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পথে প্রবেশ করছে মাদক ৮০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অর্থ ও ভূমি আত্মসাৎ এ সিদ্ধহস্থ চুয়াডাঙ্গার প্রতারক বাচ্চু মিয়া নির্লজ্জ ও বেপরোয়া রাজধানীর গুলশান-বনানীতে স্পার অন্তরালে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসা তিতাসের ভুয়া ম্যাজিষ্ট্রেট’র সংবাদ সামনে আসায় বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সৃজনশীল সৃষ্টি এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) শ্রমিক লীগের ৫৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুবেলকে হত্যার চেষ্টা : থানায় অভিযোগ

মানিকগঞ্জে কাজ না করেই এডিবি’র ১০ লাখ টাকা উত্তোলন!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪৭ Time View

 

 

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গত ২০২১-২২ অর্থ বছরে এডিবি’র ১০ লাখ টাকার কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি জানাজানি হলে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তড়িঘরি করে চলতি অর্থ বছরে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে শিশুদের বিনোদন পার্ক, সৌন্দর্য্য বর্ধন ও ব্যাডমিন্টন কোট নির্মানের কাজ শুরু করে।

সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে শিশুদের বিনোদন পার্ক, সৌন্দর্য্য বর্ধন ও ব্যাডমিন্টন কোট নির্মানের জন্যে ২১-২২ অর্থ বছরের এডিবির বরাদ্দ পায় ১০ লক্ষ টাকা। উক্ত কাজের কার্যাদেশ পায় মেসার্স হায়দার এন্টারপ্রাইজ। গত অর্থ বছরে কাজ না করে ৩০ জুন উপজেলা প্রকৌশলী ও ইউএনও যোগ সাজশে এ টাকা উত্তোলন করেন। অভিযোগ রয়েছে ইউএনও নির্মান কাজের কল-কাঠি নিজের হাতে রেখে চলিত অর্থ বছরে উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে শিশুপার্ক নির্মানের চুক্তিবদ্ধ ঠিকাদারকে কৌশলে সড়িয়ে নিজেই ঠিকাদারী কাজ করছেন। এমনকি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃক খননকৃত মাটি শিশুপার্কে সরবরাহের পাশাপাশি অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।
মেসার্স হায়দার এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মো. হায়াদার জানান, আমার লাইসেন্স দিয়ে এলাকার বড় ভাই আবুল কালাম ঐ কাজের টেন্ডার ড্রপিং করে। সে কাজটি পেয়ে পয়লা এলাকার পাভেল নামের একজনকে দায়িত্ব দিয়েছে।

কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে পাভেল বলেন, আমি কাজ করার জন্য মালামাল উপজেলায় নামাতে গেলে ইউএন মো. হামিদুর রহমান বলেন, কাজটি যে পেয়েছে তাকেই করতে হবে। কয়েকদিন পর উপজেলা চত্বরে গিয়ে দেখি ইউএনওর বিশ্বস্ত বলে পরিচিত কুস্তা এলাকার পাভেল কাজটির তদারকি করছে। যতদূর জানি পাভেলকে সামনে রেখে ইউএনও নিজেই কাজটি করছেন।

কুস্তা গ্রামের পাভেল বলেন, আমি এ কাজের ড্রপিং না করলেও বৈধ নিয়মে কাজটি ঠিকাদারের নিকট থেকে কিনে নিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো: সাজ্জাকুর রহমান বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিবেদককে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। প্রতিবেদক ম্যানেজ না হওয়ায় তিনি বলেন,আমি এ বছরেই কাজ শেষ করে ফেলব।

এ বিষয়ে ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদুর রহমান বলেন, আপনারা এই বিষয়গুলো নিয়ে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের সাথে কথা বলেন, টেকনিক্যাল বিষয় ও ফাইলপত্র তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন। উনি যদি কোন আইনি ব্যত্যয় করে থাকেন সেটা আমি জানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়