Amar Praner Bangladesh

মিরপুর (বিআরটিএ) কথিত সাংবাদিক পরিচয় দালালদের দৌরাত্ম্য

 

আনিছ মাহমুদ লিমন :

 

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয় ঘিরে সক্রিয় একাধিক নামধারী সাংবাদিক দালালচক্র। কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এ চক্র গড়ে উঠেছে।

এই দালালচক্র নিয়ন্ত্রণ করছে মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয় জিম্মি করে রেখেছে বিআরটিএতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ দের এখানে যেন দালালদের ছাড়া কোন কাজেই চলে না । দালালরা ও কর্মকর্তারা মিলে প্রতি মাসে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

এখানে গাড়ির ট্যাক্স টোকেন ফিটনেছ ও লাইসেন্স ইত্যাদি করতে আসা সাধারণ মানুষ সাংবাদিকদের জানান, বিআরটি কার্যালয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কোনো সেবা আমরা পাচ্ছি না। দালাল ছাড়া কাজ করতে গেলে হয়রানি ও ভোগান্তির কোন শেষ থাকে না। নানা অজুহাত দেখিয়ে সেবাগ্রহিতাদের হয়রানি করেন কর্মকর্তারা। বিআরটিএ কর্মকর্তারা হয়রানি ও দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ অস্বীকার করে তারা বলেন, কোনো হয়রানি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা পাচ্ছেন আমাদের কাছে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহিতারা। তবে বেশ কিছু দিন পূর্বে যদিও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কয়েকবারই ঘোষণা দিয়েছেন, বিআরটিএ দালালমুক্ত সাধারণ মানুষ সেখানে নির্বিঘ্নে সেবা পাচ্ছেন ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দালালদের সহায়তা ছাড়া মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবা পাওয়া দুষ্কর। সবধরনের গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলেও টাকার বিনিময়ে মিলছে লাইসেন্স। তবে এই অসাধ্য কাজটি সম্ভব করেন সাংবাদিক নামধারী একটি দালাল চক্র, অনুসন্ধানে কয়েক জনের নাম উঠে এসেছে। এবং পরিক্ষায় অংশগ্রহণ ছাড়াই বাড়িতে বসে পেয়ে গেছেন ড্রাইভিং লাইসেন্স। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কয়েকটি লাইসেন্স নাম্বার ও নাম সহ এসেছে দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশ পত্রিকার হাতে সেই নাম ও লাইসেন্স নাম্বার প্রকাশ করা হবে আগামী পর্বে।