Amar Praner Bangladesh

যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন নিজেকে সমাজ সেবায় নিয়োজিত রাখতে চাই : জাকির খান

 

 

সাকিল আহমেদ :

 

“জীবে দয়া করে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর” বাংলা ভাষার এই প্রবাদটিকে সামনে রেখে জনদরদী সমাজসেবীদের পথ চলা। অতীতে এ দেশ তথা বিশ্বের বুকে যত সমাজসেবী ও জনদরদী ছিলেন তাদের জীবন পর্যালোচনা করলে মূলতঃ এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা বলে গেছেন “সূর্য আমি ঐ দিগন্তে হারাবো, অস্তমিত হবো, তবুও ধরণীর বুকে চিহ্ন রেখে যাব”, তার এই উক্তিকেই অনেকে মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। তাইতো ধরণীর তরে কেউ সামাজিক, কেউ রাজনৈতিক, কেউ অর্থনৈতিক, কেউ ধার্মিক, কেউ সমাজসেবা, কেউবা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রেখে যাচ্ছেন তাদের স্ব-স্ব কর্মে অপ্রশিম অবধান।। আমরা আজ এমনি একজন লোকের সাক্ষাত পেয়েছি যিনি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সেই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরকে মাথায় রেখে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রেখে যাবার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

তিনি সমাজ সেবা ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে এমন ভাবে নিজেকে আত্মা নিয়োগ করছেন যাতে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে।

তেমনি একজন পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, বিশিষ্ট্য শিল্পপতি ও সমাজসেবক বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার ৩ নং রামনা ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জনাব মোঃ জয়নাল আবেদীন খান ও তার মা সাবেক মেম্বার রাভিয়া খানমের মেজো ছেলে বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী জনাব মিজানুর রহমান খান জাকির (জাকির খান) ।

এলাকায় যেমন দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী, তেমনি সরল সহজ ও কোমলমতি একজন সমাজ সেবক হিসাবে সমাজের অধিক পরিচিত।

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার এক প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, সমাজ সংস্কারক ও সমাজের পরিছন্নতায় তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি হাঁটি হাঁটি পা পা করে দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করে নিজেকে সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠ করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি এলাকার ছোট বড় ও বয়স-বৃদ্ধ সকল মানুষের কাছে প্রিয়, গরীব দুঃখী সহ সমাজের সকল সাধারণ মানুষের সঙ্গী, অসহায় দরিদ্র মানুষের সহায়ক, তিনি হলেন রামনার কৃতিসন্তান মিজানুর রহমান জাকির খান।

তিনি সাধারণ একজন মানুষ, যাকে সকল শ্রেণির পেশার মানুষ ভালোবাসেন। তিনিও তাদেরকে মনে প্রাণে ভালোবাসেন। বামনা, পাথরঘাটা, বেতাগী, ঘন মানুষের মুখে জাকির খানের বেশ সুনাম শোনা যায়। তিনি সব সময় বামনা-পাথরঘাটা ও বেতাগী তিন উপজেলার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন, তিনি একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ।

তার মতে, “ আমি একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, আমি ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপির রাজনৈতির সাথে জড়িত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিক বার সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলার শিকার হয়েছি। আমি ছাত্র জীবন থেকে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা এবং ছাত্রদল গাজীপুর জেলা শাখা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বৃহত্তর উত্তরা থানা শাখা, বিএনপি বিমানবন্দর থানা শাখা, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ও ঢাকা মহানগর উত্তরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম।

বর্তমানে আমি বামনা উপজেলা বিএনপির মূল কমিটিকে সদস্য পদে আছি। আমার, বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী মানুষকে নিয়ে স্বপ্ন আছে।

আমি সারাজীবন সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যেতে চাই । আমার সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল, আমার বামনা-পাথরঘাটা ও বেতাগীর এলাকাবাসী। আমি যেন আমার বরগুনা -২ আসনের বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী এই তিন উপজেলাবাসীর সুখে দুঃখে অংশীদার হয়ে তাদের সাথে থাকতে পারি এবং তাদের সমস্যাকে সমাধান করতে পারি”।

তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, মসজিদ মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের উন্নয়নের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি নিজেও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ীক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

তিনি ব্যবসার সুবাদে বেশির ভাগ সময় ঢাকায় থাকলেও সবসময় খোঁজ-খবর রাখেন এলাকা তথা বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলাবাসীর।

তিনি বর্তমানে এলাকাবাসীর আরও অধিকতর সেবা দানের উদ্দেশ্যে বামনা, পথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলার রাজনৈতিক সংগঠন সহ্ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলার সকল শ্রেণীর পেশার মানুষের পাশে থাকতে চান। জাকির খানের এমন মানবিক আচরণ প্রশংসা করার দাবীদার। এমনটাই মনে করছেন এলাকার সচেতনমহল।