শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করলে তার ক্ষতি হবে না: শাজাহান খান আগের মতোই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরেকটি গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে: হানিফ হিন্দি সিনেমায় নৈতিকতা-মূল্যবোধের অভাব রয়েছে: কাজল যার আইনি প্যাঁচে অভিযুক্ত হলেন ট্রাম্প শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ দেশে খাদ্যের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর উত্তরখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রামনা ইউনিয়ন প্রবাসী সংগঠনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম সৌদি আরবে সাময়িকভাবে ভারত থেকে চিংড়ি আমদানি নিষিদ্ধ অন্য মামলায় শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহীতে ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ, নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩
  • ২৭ Time View

 

 

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী :

 

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভাসহ ছয়টি ইউপি এলাকায় বছরের পর বছর চলছে অবৈধ ইটভাটা। ইটভাটা সমিতির নেতারা মালিকদের থেকে চাঁদা তুলে সেই টাকায় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ভাটা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবৈধ এসব ভাটায় পোড়ানো হচ্ছে গাছ, ব্যবহার হচ্ছে কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি। এতে ক্ষতি হচ্ছে কৃষি জমি ও ফসলের। কাঠ পুড়ানোই ভাটার দূষিত গ্যাস, তাপ ও ছাইয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পুঠিয়া পৌরসভা কার্যালয়ের ২’শ মিটার দূরে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ ভাটা পরিচালনা করা হলেও, কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে দাপটের সঙ্গে চলছে ভাটার কার্যক্রম।

ইটভাটা সংলগ্ন এলাকার মেজবাহ বলেন, ‘আগে জমিতে অনেক ধান হতো। কিন্তু পাশে ভাটা হওয়ার দুই থেকে তিন বছর পর ধান আর ভালো হয় না। তাই বাধ্য হয়ে এখন জমি ফেলে রেখেছি।

গাছ দিয়ে ইটভাটা চালানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা বলেন, কয়লার অনেক দাম, তাই গাছের ডালপালা দিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইট।

এক ইটভাটা মালিকের দাবি, তিনি সবাইকে ম্যানেজ করেই চালাচ্ছেন তার ইটভাটা। অপর এক ইটভাটার ম্যানেজার শামীম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কয়লার দরকার নেই, গাছ (খড়ি) দিয়ে ইট পুড়ানোর অনুমতি রয়েছে আমাদের।

এ বিষয়ে জানতে বিবিএফ ইটভাটার মালিক আইয়ুব আলী বলেন, দেশের সকল ইটভাটাতেই গাছ পোড়ানো হয়। সবখানে ম্যানেজ করেই আমার ইটভাটা চলছে। আমরা সরকারকে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে কাজ করছি। গাছ দিয়ে ইটভাটা চালানোর অনুমতি আছে বলেই, আমরা ইটভাটায় গাছগাছালি পোড়াচ্ছি। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কবির হোসেন বলেন, আমাদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে অবৈধ ইটভাটা চলবে কথাটি সঠিক নয়। আমরা অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এটি অব্যাহত থাকবে। ওই এলাকায় (পুঠিয়া) অবৈধভাবে চালাচ্ছে এমন ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এদিকে অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল। তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়