রাবেয়া আনোয়ার নগর মাতৃসদন এর বছরজুড়ে শিশুদের টিকাদান

 

 

মকবুলঃ

গাজীপুর মহানগরীর ধীরাশ্রম আ,ক,ম,মোজাম্মেল হক রোডে দাখিনখান এ আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় পরিচালিত রাবেয়া আনোয়ার নগর মাতৃসদন এর বছরজুড়ে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হয়।

টিকা কার্যক্রম এ নিয়জিত স্বাস্থ্য কর্মী নাসরিন ও আখিনুর দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশকে জানান সপ্তাহে দুইদিন সোমবার বুধবার ১/যক্ষা, ২/পোলিও, ৩/ডিফথেরিয়া, ৪/হুপিং কাশি, ৫/ধনুষ্টংকার, ৬/হেপাটাইটিস-বি, ৭/হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগ, ৮/হাম, ৯/নিউমোকক্কাল জনিত নিউমোনিয়া, ১০/রুবেলা, এই দশটি রোগের টিকা এখানে শিশুদের দেওয়া হয়। এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে আমরা এই হসপিটালের কর্মকর্তাদের নির্দেশে শিশু সহ সবধরনের রুগীকে শতভাগ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সেবা দিচ্ছি।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইংরেজি: Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI ইপিআই) হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এ কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা। এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলিতে শিশুদের সংক্রামক রোগগুলির বিরুদ্ধে টিকাদানের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত একটি চলমান কর্মসূচি। ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের বহুল পরিচালিত সংক্রামক রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বে টিকাদান থেকে একেবারে বাদ পড়া অথবা আংশিকভাবে টিকা পাওয়া শিশুদের প্রায় এক চতুর্থাংশ বা প্রায় ৪৫ লাখ শিশু দক্ষিণ এশিয়ায় বাস করে। এই শিশুদের প্রায় সবাই, বা ৯৭ শতাংশ ভারত, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে বসবাস করে। নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলার অংশ হিসেবে লকডাউন কার্যকর থাকা অবস্থায় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অভিভাবকরাও তাদের বাচ্চাদের রুটিন টিকাদানের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে অনাগ্রহী। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে হাম ও ডিপথেরিয়াসহ টিকা প্রতিরোধী রোগ ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।

ইউনিসেফ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

শিশুদের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করতে, তাদের অধিকার সমুন্নত রাখতে এবং তাদের মধ্যে থাকা সম্ভাবনার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করতে ইউনিসেফের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক কার্যালয় (আরওএসএ) দক্ষিণ এশিয়ায় ইউনিসেফের আটটি দেশের সবগুলোর স্থানীয় কার্যালয়ের সঙ্গে কাজ করে।