Amar Praner Bangladesh

রৌমারী হাসপাতালের এক্স-রে মেশিনের চুরি যাওয়া যন্ত্রাংশ তদন্ত

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

 

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে মেশিনের চুরি যাওয়া যন্ত্রাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার আসাদুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত করা হয়। গত ৮ আগষ্ট সোমবার দুপুর ২ টায় রৌমারী হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন চুরি যাওয়া যন্ত্রাংশ তদন্ত করেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে এক্স আর ওয়াই ৯২১ এমএম ২০০ যাহার মূল্য ১৪ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা। বরাদ্দ দেওয়ার পর থেকে এক্স-রে মেশিনটি চালু করা হয়নি। হাসপাতালে কোন এক রুমে প্যাকেটিং অবস্থায় আনুমানিক বছর খানেক আগে এক্স-রে মেশিনের যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়ে রৌমারী থানায় একটি জিডি করা হয়।

এ চুরি যাওয়া যন্ত্রাংশ তদন্তের জন্য রৌমারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আসাদুজ্জামানকে প্রদান করে ডাঃ আ, ন, ম, গোলাম মোহাইমেন এম ও সি এস সিভিল সার্জন কার্যালয় কুড়িগ্রাম, মামুন অর রশিদ বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার সিএমএসডি, ঢাকা, ও হারুন অর রশিদ এক্সিকিউটিভ টেকনিক্যাল সাপোর্ট এন্ড সেলস মাশরুবা মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ঢাকা ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেন। এ সাজানো তদন্ত কমিটিকে নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ হাস্যকর মনে করছেন।
তদন্ত কমিটিতে আসা সদস্যদের সাথে সাংবাদিকগণ কথা বলতে চাইলে তাঁরা বলেন, আমাদের তদন্ত কমিটি প্রধান রয়েছে তার সাথে কথা বলেন। তার অনুমতি ছাড়া আমরা কোন কথা বলতে পারবো না।

তদন্তকারীর প্রধান রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামানকে তদন্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যদিতে দিতে নারাজ এবং পাশ কাটিয়ে কুড়িগ্রামে যাওয়ার জন্য তারাহুরা করেন।