Amar Praner Bangladesh

লাগেজ হারালে প্রতি কেজিতে ১ লাখ টাকা জরিমানা পাবে প্রবাসী বাংলাদেশী যাত্রীরা

রবিউল আলম রাজুঃ

ফ্লাইটে যেকোনভাবে লাগেজ হারালে এখন থেকে প্রতি কেজির জন্য ১ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা করে জরিমানা পাবে যাত্রী! এছাড়াও বিমান দূর্ঘটনায় কোন যাত্রীর মৃত্যু বা ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণের পরিমান বাড়িয়ে করা হয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। লাগেজ হারালে ক্ষতিপূরণ বাড়লো লাখ টাকারও বেশি! ফ্লাইটে ব্যাগেজ (লাগেজ) হারালে বা নষ্ট হলে আগে কেজিতে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যেত ২০ ডলার বা প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা। তবে, সোমবার সকালে মন্ত্রীসভায় গৃহীত হওয়া নতুন আইনে বাংলাদেশের মুদ্রায় এই অঙ্ক দাঁড়াবে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা। এ ছাড়া বিমান দূর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তির মৃত্যু বা আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণ ২০ লাখ

টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা করা হয়েছে।  সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ‘আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) আইন, ২০২০’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এই নতুন আইন অনুসারে, ব্যাগেজ হারানো বা বিনষ্টের ক্ষ’তিপূরণ প্রতিকেজি ২০ মার্কিন ডলার (১ হাজার ৭০০ টাকা) থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৮১ ডলার হবে (১ লাখ ১৭ হাজার ২৪১ টাকা)। এ ছাড়া কার্গো বি’নষ্ট বা হারানোর জন্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে নতুন আইনে

ক্ষ’তিপূরণের অংশ বেড়ে ২৪ ডলার হবে। ফ্লাইট ডিলে হলে জরিমানা হবে ৫ হাজার ৭৩৪ মার্কিন ডলার (৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা), যা আগে ২০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা) ছিলো।নতুন আইনে বিমান দু’র্ঘটনায় কোন ব্যক্তির মৃ’ত্যু হলে বা ক্ষ’তিগ্রস্ত হলে তিনি ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে পাবেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৪ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যাত্রীর সম্পত্তির বৈধ

প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে এই আইনের বিধান মোতাবেক ক্ষ’তিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজের পক্ষ বা বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে।