Amar Praner Bangladesh

লুটপাট আর স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত চেয়ারম্যান আঃ রশিদ সওদাগর

 

আব্দুল কাদের অপুঃ

লুটপাট ও স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত ৩ নং মুদাফফরগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আঃ রশিদ সওদাগর ।
একটা সময় চেয়ারম্যান শব্দটা এতটাই সম্মানের ছিল যে, মাইল মাইল দূর থেকে মানুষ চিনতেন জানতেন এটা চেয়ারম্যান বাড়ি ওমক চেয়ারম্যান বাড়ি।তখন এত অর্থ বিত্তের জৌলুশ ছিল না। যতটুকু ছিল তা হলো সম্মান। একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে সমাজের সবচেয়ে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ভাতা সুযোগ সুবিধা আসে। গ্রাম উন্নয়নের সকল বাজেট আসে শতকরা ৭০% চেয়ারম্যানের কাছে

আর এগুলো মেরে ধরে খা বর্তমান চেয়ােম্যান রা নৌকার টিকেট নিয়ে চেয়ারম্যান হয়ে দুর্নীতি লুটপাট করে আঙ্গুলফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। ভাবমূর্তি নষ্ট করছে সরকারের।

৩ নং মুদাফফরগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আঃ রশিদ সওদাগর, বৃহত্তর মুদাফফরগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়ন টি ভাগ হওয়ার পর সবার দৃষ্টি ছিল এই ইউনিয়নের উন্নয়নের দিকে, সবার আশা ভরসা ছিল এবার উন্নয়ের ছোয়া প্রত্যেকটি জায়গা ভয়ে যাবে কিন্তু বর্তমান চেয়ােম্যান তার উল্টোটা করে দেখাইলেন নিচে বর্তমান চেয়ারম্যানের কিছু
অপকর্ম তুলে ধরা হলো

১, সরকারি অর্থায়নে ৯ লক্ষ টাকায় চেয়ারম্যানের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ, যা নিজের চলাচলের জন্য করেছেন।

২, নিজের ঘরের সাথে সরকারি অর্থায়নে একটি ঘাটলা নির্মাণ করেছেন, যা নিজেরা ব্যক্তিগত ভাবে ব্যবহার করেন।

৩, সরকারি অর্থায়নে একটি টয়লেট নির্মাণ করেছেন যা নিজের ব্যক্তিগত ভাবে ব্যবহার করছেন।

৪, লক্ষিপুর আলাউদ্দিন আজহারি ঈদগাহ মাঠ হতে হাজি বাড়ি ব্যাপারি বাড়ির রাস্তা গত তিন বছরে সরকারি অর্থায়নে চারবার করেছেন। যা প্রথম বার করার পরে ২য় ৩য় ৪র্থ বার করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।

৫, এই রাস্তার সাথে একটি পুকুর আছে পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে সরকারি অর্থায়নে একটি গাড ওয়াল নির্মাণ করেছেন যা ওনার ব্যক্তিগত কাজে লাগে।

৬, লক্ষিপুর এহসানের বাড়ি থেকে মোসারফ মজুমদারের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করার নামে রাস্তার ইট গুলো তুলে ওনার বাড়িতে নিয়ে গেছেন।

৭, গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দিয়ে প্রতি জন থেকে ১ লক্ষ ও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

৮, নুরুল আমিন কলেজের নাইট গাড,কম্পিউটার ম্যান,অফিস সহকারী নিয়োগে প্রত্যেক জন থেকে এক লক্ষ টাকা করে নেন।

৯, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সুদমুক্ত লোন ভিবিন্ন লোকের নামে উক্তলোন করে নিজে আর্তসাধ করেন।

১০, জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে প্রত্যেক জন থেকে এক হাজার টাকা করে নেন।

১১, এর আগে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ না করে বিল উক্তলন করে নিয়ে যান,তা জানা জানি হলে বিষয়টি পত্রিকার নিউজে আসে।পরবর্তীতে টাকা খরচ করে তা দামা চাপা দেন।

এইসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ জানান, যারা লেখার তারা কত কিছুই লিখবে, বাস্তবতায় তো মিল নাই। সেই কথা বলে লাভ আছে?