শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন তাঁর আদর্শ ও ব্যক্তিত্বে জাতির জনকের উজ্জ্বল বার্তা বহন করে

 

 

রবিউল আলম রাজু :

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন ১৯৬৬ সালের ০২ জুলাই কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মৃত সামসুল হক এবং মাতা মৃত জুলেখা বানু। তাঁর স্ত্রী মোছাঃ সুরাইয়া সুলতানা। মোঃ জাকির হোসেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে থানাহাট এ.ইউ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। কুড়িগ্রামের রাজাহাট মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি এবং লালমনিরহাট হাতিবান্ধা আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। এরপর রংপুর আইন মহাবিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ছাত্র জীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ সালে ছাত্রলীগে যোগদান করেন। ১৯৮১ সালে কুড়িগ্রাম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮২ সালে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩-১৯৮৫ সালে রৌমারী উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহব্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৭-৯০ পর্যন্ত তিনি রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে রৌমারী উপজেলা শাখা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে টানা ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮-২০১৫ পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের ১নং সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সাল হতে বর্তমান পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত আছেন। জনাব মোঃ জাকির হোসেন ২০০৮ সালে ২৮-কুড়িগ্রাম ৪ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে ৯ম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

তিনি নবম জাতীয় সংসদে শ্রম, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সলের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮-কুড়িগ্রাম ৪ আসনে বিপুল ভোটে (রৌমারী-চিলমারী-রাজিবপুর) ২য় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মোঃ জাকির হোসেন এম.পি ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রাজনীতির শুরু থেকেই তিনি সমাজ সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছেন। তিনি নিজ এলাকায় বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছেন। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। পারিবারিক জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। জনসেবা ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে তিনি ওতপ্রোতভবে সম্পৃক্ত।

বই পড়া ও খেলাধুলা তার শখ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আস্থাভাজন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্ষিয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রংপুর রৌমারীর কৃতি সন্তান শিক্ষা মন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হয়ে আহবান জানায় স্বাধীনতার উজ্জ্বল বার্তার। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর আদর্শে সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

শোকের এই মাস থেকে আমাদেরকে সংযম ও ধৈর্য্যের শিক্ষা নিয়ে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। সারা দেশ ব্যাপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়ন এর কাজ শুরু করেছেন তার হাতকে আরো বলিষ্ট করার প্রত্যয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান, দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি আরো বলেন মানুষ চায় কাজ, চায় উন্নতি, চায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের গ্যারান্টি, চায় নিরাপত্তা, যা এই সরকার দিতে বদ্ধপরিকর।

আপনারা জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে ও জঙ্গি দমনে এমনকি করোনা মহামারী এবং বন্যা মোকাবেলায় তার বলিষ্ঠ ভূমিকায় এসব দূর্যোগকে আল্লাহ্র রহমতে অনেকটাই দমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামকে নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষের জীবন-যাপনকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছেন।

আপনারা দেখছেন দেশ কিভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের উচিত যে যেখানে আছে তার ক্ষমতা, তার সামার্থ অনুযায়ী দেশের এই উন্নয়নে এগিয়ে আসা, সবকিছুর পাশাপাশি এই মহামারীর মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তায় অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান করে শিক্ষার্থীদেরকে লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখার প্রয়াসকে আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশের একটি ভবিষ্যৎ রূপরেখাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। যা সর্বজন প্রশংসিত একটি বিষয়। আবার সাথে সাথে খেয়াল রাখতে হবে ষড়যন্ত্রকারীরা যেন দেশের কোন ক্ষতি করতে না পারে । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কখনো নিজের জন্য ভাবেন নাই ।

তার সারাটি জীবনই কেটেছে এই দেশের স্বাধীনতা ,উন্নয়ন আর জনগনের মুক্তির প্রত্যাশায়। এখন তার যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মহান আল্লাহ্ যেন মায়া-মমতায় ভরা দেশের অবিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখেন এবং ওনার অসমাপ্ত সকল কাজ সমাপ্ত করে দেশকে ওনার মনের মাধুরী দিয়ে সাজিয়ে যেতে পারেন। যারাই দেশকে ভালোবাসে তারাই আওয়ামীলীগ করে। শিক্ষামন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন আরেকটি প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, যেখানেই ভালো সেখানেই মন্দের আগমন ঘটে আপনি ভালো কাজ করেন শয়তান আপনাকে ধোকা দিবে ।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উন্নয়নের জোয়ারে কিছু হাইব্রিট নেতা মুখোশধারী ফায়দা হাসিলকারী দুষ্টলোক আওয়ামীলীগে প্রবেশ করেছে। এরা কখনই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতাদর্শের নেতা কর্মি হতে পারে না। এরা এসেছে অন্যদল থেকে নিজেদের ফায়দা হাসিল আর ষড়যন্ত্র করার মন মানুষিকতা নিয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাছাই প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন। গরীব-দুঃখি মানুষের বন্ধু জনদরদী, সমাজসেবক শিক্ষামন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন তার বর্নাঢ্য জীবনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ন্যায়নীতির উপর শতভাগ আস্থারেখে মানুষের কল্যানে দেশের উন্নয়নে স্বাধীনতার স্বপক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সততা, ধৈর্য্য আর দেশপ্রেমে মননশীল চিন্তায় মুগ্ধ হয়ে শিক্ষামন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন ঐতিহাসিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দেশগড়ার রাজনীতির সাথে আগামী দিনের পথ চলাকে সকলকে স্বাগতম জানিয়ে দেশ গড়ার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করার ঘোষনা দিয়েছেন। দেশগড়ার এই আঙ্গিনায় নিজেকে একজন সফল সৎ ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ হিসেবে এবং রাজনৈতিক ভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি আদর্শিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে তার দেশগড়ার গঠনমূলক কাজের মধ্য দিয়ে। ব্যক্তিগত ভাবে তিনি বন্ধুবৎসল, সৎ ও সদাহাস্যোজ্জ্বল একজন ব্যক্তিত্ব।