সচেতন হউন সুস্থ থাকুন

মোঃআবদুল আউয়াল সরকার:

 

নিজের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে নিশ্চিত করতে পারেন সুস্বাস্থ্য। নিয়মিত যোগব্যায়াম করে, হাঁটাহাঁটি করে, খাদ্য তালিকার শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করে।

কিন্তু যদি হঠাৎ বলা হয় যে, কষ্ট করে অতো কিছু করার দরকার নেই বরং একটা মাত্র কাজ করলেই চলবে।
নিজের মনের ইচ্ছের দিকে নজর দিন। মানুষ সারাক্ষণ দেহের সুস্থতা নিয়ে ভাবে। আর এটি সহজও বটে। আমাদের নিজেদের মনের উপরে বিশেষ খেয়াল দেয়া দরকার।

আত্ম-সচেতনতা বাড়িয়ে মনের উপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো সম্ভব। আত্ম-সচেতনতা এমন এক জিনিষ যা মানুষকে তার নিজের আবেগ, অনুভূতি ও ইচ্ছে-অনিচ্ছা অনেক নিবিড়ভাবে চিনতে সহায়তা করে। নিজের অনুভূতিকে চেনার মধ্য দিয়েই মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিকে সবচে’ বেশি মনোযোগ দিতে পারে।

নিজের সম্পর্কে ব্যক্তির ধারণা যত নির্ভুল ও গভীর হবে, ততই সে তার নিজের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলো জানবে। এই জানার মাধ্যমেই নিজের দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়ে উঠে।

শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকতে জিমে যাওয়া বা ভোরে দৌড়ানোর চেয়েও আপনাকে আরো বেশি কাজে কায়িক পরিশ্রমে ব্যস্ত করে রাখবে।

জিম হয়তো কারো কারো জন্য একটা ভালো সমাধান হতে পারে। কিন্তু তা সবার জন্য না।হাঁটার ভেতর দিয়ে শরীর ও মনের সুরক্ষা হবে।

সুস্বাস্থ্য অর্জন করতে হলে বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিজ্জ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। সবজি ও ফল-ফলাদি, শুধু বেশি করে সবজি ও ফল-ফলাদি খেলেই হবে না। এর মধ্যে বিভিন্ন জাতের ভিন্নতাও থাকা জরুরি দরকার। ভিন্ন-ভিন্ন পদের সবজি ও ফল-ফলাদি খাওয়া যায় তবে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

আমাদের পাকস্থলীতে মাইক্রোবায়োম বলে একটি ব্যাকটেরিয়া আছে। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের সুস্বাস্থ্যের উপরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।

তাই এক্ষেত্রে যত বেশি সম্ভব লতা-পাতা ও উদ্ভিজ্জ সবজি খান।মানুষের উচিত সুখী হওয়ার চেষ্টা করা।এখন আপনার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন আসতে পারে যে, সুখী হওয়া কি আর চাট্টিখানি কথা? নাকি চাইলেই সুখী হওয়া যায়?বেশি হাসলে সুখী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে,এক্ষেত্রে সহজেই সুখী হওয়া যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান? হ্যা, পর্যাপ্ত ঘুমের কথাই বলা হয়েছে। একজন পরিণত বয়সের মানুষের রাতে গড়ে দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম দরকার।
ঘুম কম হলে মানুষের নতুন জিনিস শেখার ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়। ঘুমের ঘাটতির নেতিবাচক প্রভাবে এমনকি অনেক সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও ব্যক্তি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে পরে।

তাই, দেহ ও মনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সঠিক সময় পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

 

মোঃআবদুল আউয়াল সরকার
(চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ)
শিক্ষকঃকুমিল্লা আইএইচটি এন্ড ম্যাটস।