Amar Praner Bangladesh

সন্ত্রাসীরা মর্জিনাকে মেরে রক্তাক্ত করলেও ঘুষ খেয়ে গাছা থানা পুলিশ মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ

 

এ আর মজিদ শরীফ :

 

ভুক্তভোগী মর্জিনার স্বামীর আকুতি আমরা গরীব, আমরা বিচার পাইনা, আসামীরা বড় লোক, বাড়ীর মালিক, পুলিশ বাবুদেরকে খাওয়াতে পারে, টাকা দিতে পারে তাই তারা সন্ত্রাসী করে আমার স্ত্রীকে মেরে জরায়ু ফাটিয়ে রক্ত বের করে দিলেও থানায় মামলা নেয় না। ডিউটি অফিসার এস আই সামাদ প্রচন্ড রকম খারাপ একজন লোক। তার ব্যবহার জঘন্য। সে আমার সাথে দূর্ব্যবহার করেছে।

অন্যদিকে আমার স্ত্রীকে টঙ্গী সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করালে তদন্ত অফিসার এস আই পাপন ভালো রিপোর্ট দিলেও ওসি তদন্ত নন্দলাল কোন রহস্যে মামলাটি গ্রহণ করছেনা আমার বোধগম্য নয়। মামলার বাদী মর্জিনার স্বামী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে আরো জানান, আমি মোঃ শাহজাহান মিয়া, পিতা- আহামদ উল্লাহ্, সাং- শ্রীপুর, থানা- চাটখিল, জেলা- নোয়াখালী। বর্তমান- সোন্ডা শরীফপুর, রশিদ মার্কেট নূরু মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া। সে গাছা থানায় তার স্ত্রী মর্জিনাকে অমানবিকভাবে মারধর করেছে বলে পার্শ্ববর্তী বাড়ীতে বসবাসরত কয়েকজনকে আসামী করে গাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

তার অভিযোগ গাছা থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা আসামীদের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ খেয়ে আমার অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ না করে উল্টো আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। গত ২৩/০৮/২০২২ ইং বিকাল ৫.৩০ ঘটিকার সময় ১) মোঃ হুমায়ুন (৩৪), পিতা- কালাম মোল্লা, সাং- সোন্ডা শরীফপুর, রশিদ মার্কেট, ওয়ার্ড নং- ৩৪, থানা- গাছা। ২) মোঃ কালাম মোল্লা, পিতা- কুব্বাত মোল্লা, সাং- সোন্ডা শরীফপুর, রশিদ মার্কেট, ওয়ার্ড নং- ৩৪, থানা- গাছা, এর হুকুমে তাদের আরো সহযোগী কতিপয় অজ্ঞাত নামা লোকজনদের নিয়ে পরস্পর যোগসাজশে পূর্ব পরিকল্পনা করিয়া একে অপরের সহযোগীতায় বেআইনি জনতাবদ্ধে আমার স্ত্রীকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিয়া আক্রমণ করিয়া এজাহারে উল্লেখিত ১ নং বিবাদী মোঃ হুমায়ুন, আমার স্ত্রীর মাথার চুল ও পরনের কাপড় ধরিয়া টানা হিচড়া করে শ্লীলতা হানি ঘটায়।

বাকী ২ নং আসামী সহ অন্যান্য অজ্ঞাতনামারা হত্যার হুমকি দিয়া আমার স্ত্রীর উপর অতর্কিত আক্রমণকরত এলোপাথাড়ি ভাবে কিলঘুষি লাথি মারিয়া আমার স্ত্রীর মুখ, কান, মাথা, বুঁক পিঠ ও তলপেট সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। প্রচন্ড আঘাতে আমার স্ত্রীর জরায়ুতে আঘাত পায় এবং সেখান থেকে অনবরত রক্ত ঝড়তে থাকে। তার ডাক চিৎকার শুনিয়া আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে। মারামারির সময় আমার স্ত্রীর গলা থেকে চার আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যাহার আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা জোর পূর্বক নিয়ে যায়।

ঘটনার পরে আমি সংবাদ পাইয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমার স্ত্রীকে জখম প্রাপ্ত অবস্থায় শহীদ আহসান উল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বহির্বিভাগীয় রোগীর টিকিটে পুলিশ কেইসে সিল মারলেও গাছা থানা কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে আসামীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করতে রাজিনা।

থানার ডিউটি অফিসার জানায়, নতুন ওসি আসলে মামলা গ্রহণ করবে। তার কথাই যদি সত্য হয়, নতুন ওসি এসে যোগদানের পূর্বে গাছা এলাকায় যদি বড় কোন দূর্ঘটনা কিংবা খুন খারাপি কিংবা চুরি ডাকাতি হয়, তার দায়ভার কি ডিউটি অফিসার সামাদ অথবা ওসি তদন্ত নন্দলাল গ্রহণ করবে। এ বিষয়টি জানতে চাই গাজীপুর জেলা উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা স্যারদের কাছে।