Amar Praner Bangladesh

সরকারি স্বরূপকাঠি কলেজে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শোক দিবস পালিত

 

 

মোঃ নিয়ামুল ইসলাম :

 

আজ ১৫ই আগস্ট সমগ্র বাংলাদেশে ও বিদেসে অবস্থিত দূতাবাস সমূহে এক জোগে শোক দিবস পালিত হচ্ছে।তারই ধারাবাহিকতায় সরকারি স্বরূপকাঠি কলেজে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকি উপলক্ষে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়।

আমরা বাঙালি জাতি এমন একটি জাতি জারা বঙ্গবন্ধুর মত একজন নেতা পেয়েছি। তিনি দেশের জন্য প্রায় জীবনের অর্ধেক সময় জেলে কাটিয়েছেন।শেখ মুজিবের নেত্রিত্বে বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্তি পায় এবং বাংলাদেশ নামক একটি রাস্ট্র পায়।কিন্তু সেই জাতীই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে স্বপরিবারে তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। তাই ১৫ই আগস্ট সমগ্র দেশব্যপি শোক দিবস পালন করা হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সরকারি স্বরূপকাঠি কলেজে ভোর ৫টা ৪৫মিনিটে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরন করা হয়।

সকাল ৯ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্য্য অর্পন করা হয়। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে জাতীয় সঙ্গিত ও এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমমে সাংস্কৃতিক প্রতিজোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় প্রফেসর মো. নিজামুল হায়দার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানের সুরুতেই জনাব মাহফুজুর রহমান বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেন। তারপর কবিতা আবৃত্তি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনি’ এর উপর কুইজ প্রতিযোগিতা হয়।পারে অন্য অন্য শিক্ষকবৃন্দ বক্তৃতা দেন ও শেখ মুজিবুর রহমানের সমপর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য দেন।

জনাব মো. মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন এই দিবসটি পালনের কারণ যার জন্য আমরা বাংলাদেশ নামক এই ভূক্ষন্ড পেয়েছি স্বাধিনতার সাধ গ্রহন করতে পেরেছি তাকে যেন আমরা কখনো ভুলে না যাই।শেখ মুজিবের জে আদর্শ ছিল সেই আদর্শকে আামাদের মধ্যে উজ্জীবিত করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ একটি দারিদ্রমুক্ত ও সন্ত্রাস মুক্ত রাষ্ট্র হবে। তিনি তা দেখে জেতে না পারলেও তার কন্যা জননেত্রি শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করেছেন।আমাদের কাজ হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের হাতকে শক্তিশালী করা। সবশেষে সভাপতি সাহেবের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যেের পরে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।