Amar Praner Bangladesh

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি না করতে মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশ জারি

বিশেষ প্রতিবেদক(চট্টগ্রাম):
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ২০০৩ সালে এ.জে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাময়িক অনুমতি নিয়ে বাড়ি নং ০৭, রোড নং ০৫, নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির রেজিষ্টার্ড ঠিকানায় শিক্ষা কার্য্যক্রম শুরু করেন। যার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল আলম। সরওয়ার জাহান প্রতিষ্ঠাকালীন এজে ফাউন্ডেশনের সদস্য ছিলেন। ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রেজাউল আলমের সাথে চলচাতুরী করে এজে ফাউন্ডেশনের নাম বাদ দিয়ে ২০০৯ মৃত্যু বরণ করা মরহুম বদিউল আলমকে চেয়ারম্যান করে ২০১৩ সালে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন গঠন করে। পরবর্তিতে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্ট নামে ট্রাস্ট গঠন করেন। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানকে না জানিয়ে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি থেকে ৭৩৯ নং মেহেদীবাগে ক্যাম্পাস স্থানান্তর করেন এবং সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্ট নামে ট্রাস্ট গঠন করেন, যার লগোটি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল আলমের নামেই রেজিষ্টার্ড।
ইতোমধ্যে অনিয়ম, দুর্নীতি, অবৈধ চুক্তিতে শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের মাধ্যমে সরওয়ার জাহান শিক্ষা বণিজ্যে লিপ্ত হন। পরবর্তিতে ২০১০ এর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অ্যাক্ট এ বাধ্য হয়ে চুক্তি ভিত্তিক শাখা ক্যাম্পস সমূহ বন্ধ করতে বাধ্য হন। শাখা ক্যাম্পাস সমূহের চুক্তি গ্রহিতারা তাদের প্রদেয় টাকা ফেরত পেতে সরওয়ার জাহানের বিরুদ্ধে সি.আর. মামলা নং-১৪/২০১৩ ইং তারিখ ২৩/১০/২০১৩ দায়ের করিলে গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে সরওয়ার জাহান এবং তৎকালীন রেজিস্টার জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন। উক্ত মামলায় সরওয়ার জাহান জামিনে, জহির উদ্দিন পালাতক।
জানতে চাইলে রেজাউল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশন আমাদের পত্রের যথাযথ উত্তর যার স্মারক নং ইউজিসি/বেঃবিঃ/৪০৩(৩)/২০০২/৫৩৭৪ এখানে মালিকানার বিষয়টি বিবেচনা করে ৯৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ইউজিসির ওয়েব সাইটে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির নামের পাশে ৫টি স্টার চিহ্ন প্রদেয়, যার অর্থ উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ট্রাষ্টি বোর্ড রয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে মামলা বিচারাধীন । ইউজিসির ওয়েব সাইটে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি কার্য্যক্রম বন্ধের নোটিশ বিদ্যমান।তবে সাউদার্ন কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য সংবাদ মাধ্যম কে জানাতে অস্বীকৃতি জানান । এছাড়া আসন্ন ২০১৮সালের ভর্তি কার্যক্রমে অভিযুক্ত কোন ইউনিভার্সিটি পারবে না বলে বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের অফিস সূত্রে জানান।