বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চুরির ঘটনায় হয় না তদন্ত, ধরা পড়েনা চোর টাঙ্গাইলে অন্যের ভূমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের অভিযোগ! নড়াইল লোহাগড়া উপজেলা দুই সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা উত্তরার সুন্দরী মক্ষিরাণী তন্নি অনলাইনে চালাচ্ছে দেহ ব্যবসা মিরপুর এক নাম্বারের ফুটপাত থেকে কবিরের লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি নাম ঠিকানা লিখতে পারেনা সাংবাদিকে দেশ সয়লাব গ্যাস ও বিদ্যুতের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সংসারের হিসাব সমন্বয় করতে গলদঘর্ম দেশবাসী ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পথে প্রবেশ করছে মাদক ৮০টি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অর্থ ও ভূমি আত্মসাৎ এ সিদ্ধহস্থ চুয়াডাঙ্গার প্রতারক বাচ্চু মিয়া নির্লজ্জ ও বেপরোয়া

সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকার ত্রাস আব্দুল আলিম ধরা ছোয়ার বাইরে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩৬ Time View

আক্তারুজ্জামান:  আন্তজেলা চোরাকারবারি হোতা সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের আব্দুল আলিম আজ কোটিপতি। জেলার মধ্যে নামে বেনামে গড়ে তুলেছে বাড়ি গাড়ীসহ অঢেল সম্পাদ। তার বিররুদ্ধে  বিজিবি আব্দুল আজিজ হত্যা মামলাসহ একাধিক চোরাকারবারির মামলা রয়েছে।
সে জেলার কোমরপুর গ্রামের চোরাই ঘাটের মালিক  ত্রাসের রামরাজত্ব অধিকারিদে  হাত ধরে সীমান্ত এলাকায় এখন একক আধিপত্য বিস্তার করেছে। সে সব সময় ধরা ছোয়ার বাইরে। চোরাকারবারি তার প্রধান কাজ। জেলার সকল চোরাকারবারি ও কালোবাজারীদের গডফাদার হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছে আলিম। গাড্ডায় পড়লে চোরাকারবারি ও কালোবজারিদের টেনে তোলার দায়িত্ব  আলিমের। বিনিময় মোটা অংকের টাকা তাদের কাছ থেকে পায় সে। এর একটা অংশ প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তাকে  দিয়ে তাদের ম্যানেজ করে। যে কারণে তাদের সাথে তার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। শুধু গডফাদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করে তা নয়। সে নিজে সকল চোরাকারবারি ও কালোবাজারীদের শীর্ষে । প্রায় প্রতিরাতে চলে তার এই অবৈধ কারবার। মাসে কোটি টাকার মাদকসহ বিভিন্ন ভারতীয় মালের চালান আসে তার। সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকেও গ্যাস সিলেন্ডার, শ্যালোমেশিন , কাশা, পিতলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পাদ চোরাই পথে কালোবাজারি করে চালান করে দিচ্ছে। অবৈধ ভাবে কোটি টাকা আয় করে লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষকে দান করে এলাকায় দানবীর সেজেছে। তার এই চোরাকারবারি ও কালোবাজারির সুবিধার্থে নিমতলার অবৈধ ঘাট পরিচালনা করে সে। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ইয়াবা, ফেন্সিডেল, মদ,গাজা, হেরোইন, নেশার ইনজেশনসহ যাবতীয় ভারতীয় মালামালের চালান আসে তার। ২০১৩ সালে জামাত বিএনপির নাশকতার সময় তার এই ঘাট দিয়ে গোলা বারুদ বাংলাদেশে নিয়ে আসত নাশকতাকারিরা। এসমস্ত কিছুই প্রশাসনের অজানা নয়। তারপরেও যেন তাদের কিছু করার নেই। আলিম শুধু চোরাকারবারি ও কালোবাজারি তা নয় জামাতের একজন একানিষ্ঠ কর্মী। তার নেতৃত্বে ২০১৩ সালে কোমরপুর এলাকায় তান্ডব চলত। এই এলাকার গাছ কাটা, রাস্তা কাটা, মিছিল মিটিং সব কিছুর মুলে ছিলো এই আলিম। চোরাকারবারি অবৈধ পথে কোটি কোটি টাকা ও সম্পাদের পাহাড় গড়েছে সে। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে জনগনের ভোট কিনে পারুলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড়ের ইউপি সদস্য হয়েছে সে। এখন তার পোয়াবার একে তো অঢেল সম্পাদের অধিকারী আবার তাতে জনপ্রতিদিধি। যে কারণে সব ধরণের অবৈধ কাজে সে আছে সকল ধরা ছোয়ার বাহিরে। প্রশাসন চলে তার আঙ্গুলের ঈসারায়। তানা হলে তার মত একজন চিহ্নিত নাশকতাকারি, চোরাকারবারি ও কালোবাজারি কি ভাবে প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে। বিজিবি হত্যার অন্যতম কি ভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা শর্তে কি ভাবে সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। এমন প্রশ্ন ডানা বেধেছে এলাকার মানুষের মনের ভেতর। ইউপি সদস্য আলিম কে নিয়ে এমন সব কথা বলছিলেন নাম প্রকাশে না করে এলাকার কিছু ব্যক্তি। তারা আরও বলেন এই আলিম হাজার অপরাধ করলেও তার বিরুদ্ধে কথা বলার মত কোন লোক এলাকায় নেই। এই এলাকায় ত্রাসের রাজিত্ব কায়েম করেছে সে। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যায়না। তাহলে আমরা কি বুঝব বাংলাদেশ থেকে আইনের শাসন উঠে গেছে। যদি তা না হয় তাহলে আলিমের মত শীর্ষ চোরাকারবারি, কালোবাজারি ও কালোবাজারি সেন্টিগেটের হোতা  কি ভাবে তার দুই নাম্বারি কারবার বহল তবিয়াতে চালিয়ে যাচ্ছে। দেশে যদি এটুকু আইনের থেকে থাকে তাহলে শীর্ষ চোরাকারবারি, কালোবাজারির ও বিজিবি আব্দুল আজিজ হত্যার গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত আসামী
আলিমকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

এই সাইটের কোন লেখা কপি পেস্ট করা আইনত দন্ডনীয়