Amar Praner Bangladesh

সাবেক ব্যাংকার রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :

 

মানুষ মানুষের মতো আচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ জানোয়ারের মতো ব্যবহার করলে সবাই বলে লোকটার ব্যবহার পশুর মতো। এজন্য লোকে বলে ব্যবহারে বংশের পরিচয়। রুহুল আমিন হাওলাদার, পিতা- মৃত কাশেম হাওলাদার, গ্রাম- লক্ষীপুরা, থানা- ভান্ডারিয়া, জেলা- পিরোজপুর। ভাবসাব দেখলে মনে হবে তিনি সচিবালয়ের বড় সচিব কিংবা মন্ত্রী মহোদয় তার কথার বাহিরে চলেনা। অযথাই কোন সাংবাদিক দেখলেই তাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও কটাক্ষ করে কথা বলে। তুই কিসের সাংবাদিক, বড় বড় পত্রিকার সম্পাদকরা আমাকে সালাম দেয়। অথচ ঐ সাংবাদিকের সাথে তার কোন ঝামেলা নেই।

সাংবাদিকরা তার দূর্নীতির বিষয়ে খোঁজ নিতেও যায়নি, অথচ আত্মঅহমিকা আর অহংকারে ডুবে আছে রুহুল আমিন হাওলাদার। এতই যখন সাংবাদিকে তার চুলকানি, শুরু হয় তার সম্পর্কে অনুসন্ধান। বেরিয়ে আসতে থাকে একের পর এক থলের বিড়াল। তখনই বুঝতে পারলাম চোরের মায়ের বড় গলা। কোন সাংবাদিকরা যেন তার বিষয়ে খোঁজ না নেয়, এজন্যই সাংবাদিক দেখলে অযথাই চেচামেচি গালাগালি করে রুহুল আমিন। কিছুদিন পূর্বে এলাকাবাসীর পক্ষে জনৈক ব্যক্তি ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়- মতিঝিল, ঢাকা জনতা ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার মোঃ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে সুদ গ্রহণ, দূর্নীতি, অনিয়ম ও অবৈধভাবে সম্পত্তি জবর দখল করার অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয় সামান্য বেতন ভুক্ত রুহুল আমিন কিভাবে ৫ম তলা বিল্ডিং ও বিপুল পরিমাণের জমির মালিক হয়েছে। সে ঢাকায় যে বাড়ীতে অবস্থান করে উত্তর কমলাপুর কবি জসিম উদ্দিন সড়কে ১/১১ এ যার মাসিক ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা। এক সময় তার ছেলে মেয়ে ও সংসার চালানোর মতো অর্থ না থাকলেও তিনি অবৈধভাবে বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে লোন দেওয়া সহ ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়ম করে অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা বনে গেছে। অভিযোগে আরোও উল্লেখ করা হয়, এলাকায় গরীব অসহায় লোকের জমি জবর দখল করে অল্প কিছু টাকা দিয়ে তাদের বিধায় করে দেয়। রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বরিশাল কতোয়ালী থানায় একটি নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে। যার নং- ৩০৭/১১। যা বরিশাল আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পিরোজপুর আদালতে একটি চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। যার নং- ৭৯/১২।

এছাড়া ভান্ডারিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। যার নং- ৬৫, ১০১৪, ১০৫৪, ৪৮০। এছাড়াও বিভিন্ন দূর্নীতি ও অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয় অভিযোগে। এসব বিষয় নিয়ে মোবাইল ফোনে রুহুল আমিনের সাথে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এগুলো সব মিথ্যা। আমার ভাই মুক্তিযোদ্ধা। তার জমি যারা দখল করছে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করবো।