Amar Praner Bangladesh

সাভারের বিভিন্ন মহল্লায় চলছে অবৈধ গ্যাস লাইনের জমজমাট ব্যবসা

 

 

আসিফ বাবু, সাভার থেকে :

 

সাভার থানাধীন সাভার রাজাশন, ইমান্দিপুর সহ আশেপাশের এলাকায় চলছে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য।
যেখানে সঠিক ভুক্তভোগীরা গ্যাসের অভাবে লাকড়ির চুলা ব্যবহার করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। সেখানে অবৈধভাবে কিছু অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে চলছে জমজমাট গ্যাসের ব্যবসা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার একটি টিম পুরাতন ঢাকার কাপড় ব্যবসায়ী মোজাম হোসেনের ইমান্দিপুর এর বাশায় তথ্য সংগ্রহ করতে যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করি মোজাম হোসেনের স্ত্রী স্বীকার করেন যে ইমান্দিপুর এর শাহিনের মাধ্যমে গত আট মাস আগে মোজাম সহ আশেপাশের সাত-আটটি বাড়িতে রাতের আধারে গ্যাসের সংযোগ দেয়া হয়।

রাজাশন এলাকায় ঘুরে দেখা যায় যে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দিয়েছেন টিটু নামে এক ব্যক্তি।
আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় সাবেক মহিলা কাউন্সিলর শাহিনুরের ছেলে হচ্ছে এই টিটু। ইমান্দিপুর এর বাসিন্দা অবৈধ গ্যাস সংযোগ কারি শাহীনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ভাই আমাদের সঙ্গে অনেক বড় বড় রাঘববোয়াল জড়িত, এটা আমরা করে খাচ্ছি আমাদের পেটে লাথি দিয়েন না
শাহীনসহ যুবলীগের নামধারী এক নেতা সহ মুঠোফোনে যা কথা হয়েছে তা প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার টিমের কাছে রেকর্ড যত্নসহকারে রাখা আছে।

যেখানে ২০১৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশ সরকার গ্যাস সংযোগ নিষেধ করেছেন এবং যারা ২০১৬ সালের পরে ডিমান্ড নোট এর জন্য আবেদন করেছেন, তাদের প্রত্যেকের ডিমান্ডের টাকা আগামী মে হয়তো ফেরৎ দেয়া হতে পারে, সেখানে অবৈধভাবে কোন ক্ষমতার উৎস কোন ক্ষমতা বলে এই শাহিন এবং টিটু বিভিন্ন মহলে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিচ্ছেন। শাহিন আরও বলেন গ্যাস ঠিকাদার ইমন সহ বেশ কয়েকজন রাতারাতি গ্যাস সংযোগের সাথে জড়িত।

পরিচয় গোপন রেখে ইমান্দিপুর এর এক বাসিন্দা জানান আমরা সঠিক পথে সঠিক নিয়মে গ্যাস সংযোগ নিয়েছি, কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের চুলায় গ্যাস থাকে না, এভাবে রাতের আধারে গ্যাস সংযোগ দিলে হয়তো আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আমরা গ্যাস নামক শব্দটি আর ব্যবহার করতে পারব না।

অবৈধভাবে গ্যাস গ্রহীতারা জানান, তারা প্রত্যেকে ৫০,০০০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা অগ্রিম দিয়ে রাতের আধারে লাইন সংযোগ করেছে।

এ বিষয়ে সাভারস্থ তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়েছে আপনাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে অবৈধ সংযোগের লাইন অতিদ্রুত বিচ্ছিন্ন করা হবে এবং তাদেরকে আইনগত ভাবে শাস্তি প্রদান করা হবে।