Amar Praner Bangladesh

সুদর্শন সাহসী জননেতা মির্জা আজম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন

 

মোমিনুল ইসলামঃ

 

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক উন্নয়নের প্রগতীশীল চিন্তার ব্যক্তিত্ব, সুদর্শন সাহসী জননেতা মির্জা আজম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মতাদর্শ কে প্রেরনা হিসাবে উচ্চ শিখরে রেখে শুধু নিজ নির্বাচনী এলাকা নয়। তার কাজের সুন্দর পরিকল্পনা বাস্তবে রুপ দেয়ার নিমিত্তে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়েছেন প্রকৃত রাজনীতির উজ্জল নক্ষত্রের আলো।

তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ভদ্র মিষ্টভাষি, বন্ধুবৎসল, বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের অনেক রুপরেখাই তার মধ্যে বিদ্যমান পাওয়া যায়। গভীর বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, তীক্ষè মেধা, ঐশী শক্তি সম্পন্ন, বিচক্ষন-বিশ্লেষক, মানব দরদী সমাজ কল্যানকামী এই মহান পুরুষ তার পরিচ্ছন্ন, উদার ধর্ম ও সমাজ চিন্তার আলোকে সমগ্র মানব সমাজের উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিকজীবন গঠনের মহান দায়িত্ব নিয়ে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার উপর গভীর সাধনায় তার সাবলীল ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি গড়ে তুলেছেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ জননেতা মির্জা আজম এমপি।

যার হাত ধরে অগণিত মুজিব সেনা তৈরী হয়েছে সারাদেশ ব্যাপী, জামালপুরবাসী সৌভাগ্যবান, খুব কাছ থেকে পেয়েছে এই মহান নেতাকে। মৃত্যুর এপারে ওপারে বেঁচে থাকে সেই সব কীর্তিত্বজন যারা লাভ করেন অনন্তের অভিধা স্বাত্ত্বিকতার অভিধা জননেতা মির্জা আজম এমপি’র জীবন অনন্তের, স্বাত্ত্বিকের। ইনসানুল কামিল তথা মানুষের সেবা আর কল্যাণে তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একই সুচাগ্রে গাঁথা হয়ে আছে থাকবে তার সহজ সরল চলাফেরা আর অহংকার মুক্ত মনের মধ্য দিয়ে।

জামালপুরের কৃতি সন্তান সারাদেশে পরিচিত সব জায়গায় প্রিয় মুখ জননেতা মির্জা আজম এমপি বহুমুখী ব্যাপক ও বিস্তৃত জ্ঞানের অধিকারী। তিনি বলেন, অফুরন্ত সম্ভাবনার অপর নাম বাংলাদেশ। অচিরেই এ দেশ পরিণত হবে বিশে^র অন্যতম বৃহৎ পোশাক, জুতা, ঔষধ, সিরামিক, ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানিকারক দেশে। সৃষ্টিকর্তার অপার কৃপায় ধন্য এদেশে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে উর্বর মাটি আর দূষণমুক্ত পানি। গ্যাস ও কয়লার প্রাচুর্যের পাশাপাশি এ দেশে বছরে তিনবার ফসল উৎপাদিত হয় ফলে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতোমধ্যেই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জিত হয়েছে, এ দেশে এখন আর কেউ না খেয়ে মরে না। কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের দরিদ্র, শ্রমজীবি , প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নির্ভর প্রবাসী আয়কে পুঁজি করে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ঘামঝরা শ্রমের ফসল পোশাক শিল্প উন্নয়নের ধারাকে করছে আরও বেগবান।

দেশে যেভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, অর্থনীতি এগিয়েছে, যেভাবে করোনা মহামারী, বিশ্বমন্দা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলা করেছে, তাতেই বোঝা যায় বাংলাদেশের মানুষ অপরিসীম ক্ষমতার অধিকারী। সত্তর দশকের ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ তলাবিহীন ঝুড়ি, নব্বই দশকের বিশ্ব পরিমন্ডলে তুলনামূলক অচেনা বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী এক বিস্ময়ের নাম। উন্নয়ন নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা মানুষদের কপালে ভাঁজ ফেলে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সম্ভাবনার দিগন্তে সাফল্যের পতাকা উড়িয়ে দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

এমনটাই সুন্দর চিন্তাধারার বিকাশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে জননেতা মির্জা আজম এমপি, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উন্নয়নের সোপানে নিজেকে একজন সৈনিক হিসেবে মনে করে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করতে জননেতা মির্জা আজম এমপির বিকল্প নেই। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ভদ্র মিষ্টভাষি, বন্ধুবৎসল, বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের অনেক রুপরেখাই তার মধ্যে বিদ্যমান পাওয়া যায়। তাই জাতির জনকের যোগ্য কণ্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ভালবাসেন। তার নির্বাচনী এলাকায় বহু রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, পার্ক, স্টেডিয়াম, কবরস্থান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তার নির্বাচনী এলাকা শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন। বেকার যুবকদের আত্মকর্মী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, শতাধিক স্কুল-কলেজে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ প্রদান এবং শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করেছেন।

এছাড়াও তাঁর নির্বাচনী এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সারাদেশের যুব সমাজকে মাদক ও জঙ্গীবাদ বিরোধী কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে চলেছেন।তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) এলাকার সংসদ সদস্য। ১৯৬২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার শুকনগরী গ্রামে মির্জা আজম জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা প্রয়াত মির্জা আবুল কাশেম এবং প্রয়াত মাতা মোছা. নূরুন্নাহার বেগম। মির্জা আজম ১৯৬৮ সালে বালিজুড়ী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯৭৮ সালে জামালপুর জিলা স্কুল থেকে এস. এস. সি, ১৯৮০ সালে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচ. এস. সি, এবং ১৯৮৩ সালে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ১৯৭৭ সালে হাইস্কুলের ছাত্র থাকাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন এবং ১৯৮১ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৮৭ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক, ১৯৯১ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এবং জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ এর জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ৯ম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ছিলেন। পরে ২০১৪ সালে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর মধ্যে জামালপুর জেলাধীন শেখ ফজিলাতুন্নেছা বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিশারিজ কলেজ, বঙ্গবন্ধু কলেজ, শেখ কামাল কলেজ, খাজা শাহ সুফি ইউনুছ আলী ডিগ্রী কলেজ, আলেয়া আজম কলেজ, মির্জা আজম ডিগ্রী কলেজ, আব্দুল জলিল কারিগরী কলেজ, আব্দুল হাই বাচ্চু মহিলা কারিগরী কলেজ অন্যতম। বিভিন্ন প্রয়োজনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, স্পেন, নেদারল্যান্ড, সুইডেন ও ডেনমার্কসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সকল দেশ সফর করেন। ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা আজম বিবাহিত। তার স্ত্রী দেওয়ান আলেয়া আজমও একজন সমাজসেবক। মির্জা আফিয়া আজম অপি এবং মির্জা আসফিয়া আজম অমি নামে দুটি সন্তান রয়েছে এ দম্পতির।

তিনি সমাজ সেবায় অবদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। বইপড়া, ভ্রমণ ও খেলাধুলা তাঁর প্রিয় শখ। আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম রুপকার জামালপুর মানুষের হৃদয়ের মনি মির্জা আজম এমপি। মির্জা আজম শুধু মাত্র বৃহত্তর জামালপুর নয় । তিনি বাংলাদেশের সর্বস্তরে জন-প্রশংসিত একজন সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। মৌলিক, মানবিক, সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা সহ আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম রুপকার বৃহত্তর জামালপুরের মাটি ও মানুষের হৃদয়ের মনি জননেতা মির্জা আজম এমপি। সমাজের উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে যে ব্যাধি ও অবক্ষয়ের সৃষ্টি হয় তা নিমূর্ল করতে এবং হিংসা বিদ্বেষ দূষন মুক্ত করতে মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলে, জঙ্গি, দেশদ্রোহী, রাজাকার নির্মূল নিশ্চিহ্ন করতে এই বীর বাহাদুরের জন্ম। স্বাধীনতার স্থপতি, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস বাস্তবায়নে প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এক অগ্রনী ভূমিকা পালন করে চলেছেন এই বীর সৈনিক।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক উন্নয়নের প্রগতীশীল চিন্তার ব্যক্তিত্ব, সুদর্শন সাহসী জননেতা মির্জা আজম এমপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মতাদর্শ কে প্রেরনা হিসাবে উচ্চ শিখরে রেখে শুধু নিজ নির্বাচনী এলাকা নয়। তার কাজের সুন্দর পরিকল্পনা বাস্তবে রুপ দেয়ার নিমিত্তে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়েছেন প্রকৃত রাজনীতির উজ্জল নক্ষত্রের আলো। জননেতা মির্জা আজম এমপি সততা, সরলতা, নিষ্ঠা ও চরিত্রের মাধুর্যের আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন চুপিসারে সবার পরোক্ষে, তাইতো তিনি অনেকের একজন হয়েও অসাধারণ, স্যালুট হে বীর। এলাকার মানুষের সাথে তার নাড়ীর সম্পর্ক বললে ভুল হবে না। এই জাতীয় নেতার সাথে নির্বাচনী এলাকার মানুষের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে।

বিগত কয়েক বছরে তার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের সোপানে অভুত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা কল্পনাকেও হার মানায়, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, চক্ষু হাসপাতাল সহ অসংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মান, বিসিক শিল্প নগরী, এক্সপোর্ট প্রমোশন জোন, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, রেডিও সেন্টার, ইডিসিএলর ফ্যাক্টার নির্মান ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, বেকারদের চাকরী ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে তিনি সবার মনের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে জামালপুরের মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভক্ত-বৃদ্ধ বর্ণিত সকল স্তরের মানুুষের নৌকা প্রতীকের প্রতি একটি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে আর তা আরো বেশি বেগবান হয়েছে নৌকার সুযোগ্য প্রার্থী জননেতা মির্জা আজমকে পেয়ে।

মির্জা আজম একজন মানুষ জননেতা মির্জা আজম কতটা সৎ ও শুদ্ধ, সত্য ও সুন্দর, সত্তম ও সদ্ধুত তা নির্ভর করে তার চরিত্র কতটা নিস্কলঙ্ক, কতটা অমল-ধবল, অমিতাভ, কতটা ন্যায়-নীতি আদর্শ নিষ্ঠা তার উপর। অনেক অভিজ্ঞাতায় অর্জিত শিক্ষা পারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে, কথায় ও কাজের অন্বয়ে, সুচিন্তন ও সুচেতার সাজুস্যে, স্নেহ ও প্রেমের সংশ্লেষ্ট-তবেই তার বিকাশ ও প্রকাশ, প্রতিভাস।

জননেতা মির্জা আজম নির্মল চরিত্র, ফুলেল চরিত্র নির্ঝর চরিত্র, রুপে অপরুপ রুপস চরিত্র। এই জ্যেতিময় চরিত্র ধারন করে জননেতা মির্জা আজম বিষ্ময়কর মানবরুপী একটি ভবিষ্যৎ আদর্শিক দৃষ্টান্ত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় সোনার মানুষ মির্জা আজম, একটি ইতিহাস একটি আদর্শ হয়ে যুগে-যুগান্তরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসে র্স্বনঅক্ষরে লেখা থাকবে একটি নাম মির্জা আজম।