Amar Praner Bangladesh

সুনামগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক নিহত

মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের শেখেরগাঁও গ্রামের আনর আলীর ছেলে আতিকুল ইসলাম (২৮)কে প্রতিপক্ষের বাঁশের তৈরী ভারবাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত ও জখমপ্রাপ্ত করে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬ টায় একই গ্রামের সাবাজ মিয়ার দোকান সংলগ্ন খালি জায়গায় ঘটনাটি ঘটে । খবর পেয়ে আতিকুল ইসলামের স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌছে গুরুত্বর আহত আতিকুল ইসলামকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। চিকিৎসাধীন থাকাঅবস্থায় ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোর ৫ টায় সে মারা যায়। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ আতিকুল ইসলামের সুরতহাল প্রস্তুত করেন। হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সমপন্ন হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা সূর্য্যমালা বেগম বাদি হয়ে একই গ্রামের আমীর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, বাবা আমির আলী, মাতা পিয়ারা বেগম, ছমির উদ্দীনের ছেলে আলী হোসেনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০২ তারিখ ০২.৯.১৭ ইং। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,নিহত আতিকুল ইসলামের বোন জামাই আলম মিয়া একজন সাদাসিদে মানুষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় জাহাঙ্গীর আলম(আলম মিয়া)কে আসুদা বলে গালমন্দ করত। ঘটনার দিন সন্ধ্যায়  আতিকুল ইসলাম আলম মিয়াকে আসুদা বলার কারণ জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর হামলা চালিয়ে আহত করে।
এ ব্যাপারে আতিকুল ইসলামের মা সূর্য্যমালা বেগম জানান, পিতা আমির আলীর হুকুমে জাহাঙ্গীর আলম আতিকুল ইসলামকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্য মাথায় আঘাত করে। আমি এ হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। এখন পর্যন্ত আমার ছেলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি। আমি সহ আমার পরিবারবর্গরা জান মালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
এ ব্যাপারে কুরবাননগর ইউপি সদস্য মানিক মিয়া জানান, আতিকুল ইসলাম ছিলেন একজন সৎ নিষ্টাবান লোক অন্যায়ভাবে জাহাঙ্গীর আলম তাকে হত্যা করেছে। জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক।
এ ব্যাপারে সদর থানার (ওসি) শহীদুল্লাহ খান জানান, আতিকুল হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য সদর থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযান চলছে।