Amar Praner Bangladesh

সৈয়দা সেলিনা শেলী উত্তরখান থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আসবে নতুন মেরুকরণ

 

 

প্রাণের বাংলাদেশ ডেস্ক :

 

রাজধানীর উত্তরখান এলাকার হাজারো মানুষের প্রাণের স্পন্দন, ভালোবাসার আতুর ঘর, রাজপথের বীর সৈনিক, উত্তরখান থানা আওয়ামীলীগের ১৫ বছরের সৎ ও পরিশ্রমী মেধাবী, সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে প্রিয় মুখ সৈয়দা সেলিনা শেলী উত্তরখান থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হলে উত্তরখান থানার রাজনৈতিক অঙ্গনে আসবে নতুন মেরুকরণ এমনটাই দাবী এলাকাবাসীর। রাত কিংবা দিন, দেখার সময় নেই সৈয়দা সেলিনা শেলী, ২৪ ঘন্টাই ব্যাস্ত থাকেন তিনি তার দলীয় কাজে। যখনি ডাক দেয় দল, নিজের শরীরের দিকে খেয়াল না রেখেই ছুটে যান, ঝাঁপিয়ে পড়েন দলের জন্য জীবন দিতে, দায়িত্বকে নিজের অস্তিত্ব মনে করেন তিনি। সৈয়দা সেলিনা শেলী যেকোন সময় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ডাকে সাড়া দিয়ে মিছিল মিটিংয়ে ৪-৫শত মহিলা নিয়ে দলের দুঃসময়ে আন্দোলন করেছেন রাজপথে।

আগুন সন্ত্রাসীর সময়ে যখন কেউ বের হতে চিন্তা করেছে তখন সৈয়দা সেলিনা শেলী মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করেছেন এবং লিফলেট বিতরণ করেছেন। বৃহত্তর উত্তরা সহ মহানগর পর্যায়ে আওয়ামীলীগ অঙ্গ সংগঠনের যতো প্রোগ্রাম হয় সব গুলো প্রোগ্রামে কর্মী নিয়ে তিনি সবার আগে উপস্থিত হোন। সহানুভূতি দিয়ে উত্তরখান থানা এলাকায় গড়েছেন হাজারো আওয়ামীলীগের কর্মী, আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের দল গুলোর বিপদে আপদে থাকে সবসময় সক্রিয় ।

কথায় আছে যদি নেতৃত্ব চাও তবে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদেরকে অনুগ্রহ করো, ঠিক তাই সৈয়দা সেলিনা শেলীও তাই করছে, গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের উপকার ও সহযোগিতা, করোনার শুরু থেকে তার এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী গরীব, দুঃখী, মেহনতী মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন। সমাজের অবহেলিত মানুষদের জন্য সৈয়দা সেলিনা শেলীর এ মানবিক সাহায্য ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছিলেন এ নেত্রী। সৈয়দা সেলিনা শেলী, পিতা- বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফ হোসেন, মাতা- মোছাঃ সাফিয়া বেগম, উচ্চ শিক্ষিত এই মানবিক মহিয়সী নারী মাতৃত্বের টানে ভালোবাসার গভীরতায় উত্তরখানে একক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন আপন বৃদ্ধাশ্রম।

যেখানে রয়েছে শত শত বয়বৃদ্ধ শত বছরের মহিলারা, যাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে প্রতিবন্ধী, দৃষ্টিহীন, অসহায় মানুষ। এই প্রতিষ্ঠানটি সৈয়দা সেলিনা শেলী এককভাবে চালিয়ে আসছেন দীর্ঘ বছর ধরে। এখান থেকেই উপলব্ধি হয় তিনি কত ভালো মনের মানুষ। আওয়ামীলীগের যেকোন অনুষ্ঠানে ব্যানার, ফেস্টুন, বিশাল তোরণ তৈরিতে তার ভূমিকা ছিল সবসময় অগ্রণী। ১৫ আগস্ট সহ ১৬ ডিসেম্বর, ২৬ মার্চ, অন্যান্য সব অনুষ্ঠানে তার তত্ত্বাবধানে এলাকায় দোয়া সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১৯৯৭ সন থেকে অত্র এলাকার আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। সাংগঠনিক সম্পাদক- বৃহত্তর উত্তরা থানা মহিলা আওয়ামীলীগ (১৫ বছর), সাধারণ সম্পাদক- জাতীয় নারী মুক্তি পরিষদ (১৯৮৬-১৯৯৫), সাধারণ সম্পাদক- বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন কেন্দ্রীয় মহিলা কমিটি (১৯৯০-১৯৯৫), সদস্য- কর্মজীবি নারী কেন্দ্রীয় কমিটি (৫ বছর) (কর্মজীবন প্রোগ্রাম অফিসার, কর্মজীবি নারী অফিস ১৫ বছর), সদস্য- বাংলাদেশ লেবার স্ট্রাটিজ (বিলস) (১৫), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- মৈনারটেক জনকল্যাণ সমিতি (১০ বছর), উপদেষ্টা- চাঁনপাড়া ইউনিট কমিউনিটি পুলিশিং, উপদেষ্টা- মৈনারটেক সঙ্গীত একাডেমী, তিনি ১৯৮৭ সালে শ্রীলঙ্কার নারী নির্যাতন ও বাংলাদেশের যৌতুক প্রথা তুলে ধরেন।

১৯৯০ সালে সিঙ্গাপুর শিশু শ্রমের উপর সেমিনারে অংশ গ্রহণ করা, ২০০৬ সালে ওয়ার্ল্ড সোশ্যাল ফোরামের মোম্বাই সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করেন, ২০০২ সালে থাইল্যান্ডে অপ্রতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে নারীর অবস্থান তুলে ধরেন। ২০০৫ সালে ভারতের পশ্চিম বঙ্গের রাজ্য সভার আমন্ত্রণে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ অর্জন করেন। তার পিতা- বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফ হোসেন, মাধবখালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন- সভাপতি ছিলেন ১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৯০ সাল তার মৃত্যু পর্যন্ত। তার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৬৮ সালে পটুয়াখালী কলেজ ছাত্রলীগের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১৯৭২ সনে ঢাকা মেডিকেল কলেজে, তার ছোট ভাই সৈয়দ বেনজীর হোসেন শুভ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, চানপাড়া ইউনিট আওয়ামীলীগ।

ছোট বোন উম্মে কুলসুম কণা ১৯৯৭ সন থেকে অত্র এলাকা আওয়ামীলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন, সদস্য- বৃহত্তর উত্তরা থানা মহিলা আওয়ামীলীগ, সাংগঠনিক সম্পাদক- উত্তরখান থানা মহিলা আওয়ামীলীগ (বর্তমান)। তিনি বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী, যদি উত্তরখান থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে উত্তরখান থানা হবে আওয়ামীলীগের ঘাঁটি, এমনটাই মনে করছেন উত্তরখান থানা এলাকাবাসী।

সৈয়দা সেলিনা শেলীর মূলমন্ত্র মাকে ভালোবাসো, পিতাকে শ্রদ্ধা করো, মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত। তার মূল লক্ষ্য স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টির সেবা। তার এই মিশন সমগ্র মানব জাতির সামাজিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধন করবে। এই মিশন মানুষে মানুষে বিভেদ দূর করবে। দুনিয়ায় শান্তি আর পরকালে মুক্তির মধ্যেই একজন ব্যক্তির প্রকৃত বিজয় হয়। তার কথা, নিজের জন্মভূমিকে ভালবাসতে হবে, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধকে নিজের বুঝতে হবে অন্যকেও বুঝাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সৈয়দা সেলিনা শেলী স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভালোবাসে, ১৫ই আগষ্ট আসলে তার হৃদয় মন্দিরে ব্যাথা অনুভব হয়।

সৈয়দা সেলিনা শেলী সবাইকে বলেন, দেশকে ভালোবাসো যেমনি বঙ্গবন্ধু ভালোবেসেছিলেন। মক্কা মদিনার প্রতি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহামানব আখেরী নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর দেশ প্রেম থেকে শিক্ষা নিতে হবে। মুখে নয় কাজে প্রমাণ করতে হবে আপনি দেশ প্রেমিক। একজন মানুষ সৈয়দা সেলিনা শেলীর কতটা সৎ ও শুদ্ধ, সত্য ও সুন্দর, সত্তম ও সদ্ধুত তা নির্ভর করে তার চরিত্র কতটা নিস্কলঙ্ক, কতটা অমল-ধবল, অমিতাভ, কতটা ন্যায়-নীতি আদর্শ নিষ্ঠা তার উপর। অনেক অভিজ্ঞাতায় অর্জিত শিক্ষা পারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে, কথায় ও কাজের অন্বয়ে, সুচিন্তন ও সুচেতার সাজুস্যে, স্নেহ ও প্রেমের সংশ্লেষ্ট-তবেই তার বিকাশ ও প্রকাশ, প্রতিভাস। সৈয়দা সেলিনা শেলীর নির্মল চরিত্র, ফুলেল চরিত্র নির্ঝর চরিত্র, রুপে অপরুপ রুপস চরিত্র।

এই জ্যেতিময় চরিত্র ধারন করে সৈয়দা সেলিনা শেলী বিষ্ময়কর মানবরুপী একটি ভবিষ্যৎ আদর্শিক দৃষ্টান্ত, নিজের জন্য নয় তার গড়া প্রতিষ্ঠান আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম মূল্যবোধকে জাগ্রত করবে শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-গরিমা, প্রেম-প্রীতি ও পূণ্যতায়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ ও মহান স্বাধীনতার চেতনায় জাগ্রত সৈয়দা সেলিনা শেলী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার রক্তধারা বিশ্বনন্দিত রাষ্ট্রনায়ক মানবতার জননী উত্তরাধিকারে রাজনৈতিক আদর্শিক প্রজ্ঞা, অকুতোভয়, দূর্বার, দূরদর্শী, নিরলস, নির্ভীক কান্ডারি, অসহায় আর শোষিতের আস্থা, বাংলা ও বাঙালি জননেত্রী, দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিপ্লবের সৃজনশীল সৃষ্টি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হতে পেরে গর্ববোধ করেন সৈয়দা সেলিনা শেলী।