Amar Praner Bangladesh

সৌদিআরবে প্রতারক রুবেল কর্তৃক ষড়যন্ত্রের শিকার খাদেম হাফেজ শোয়াইব মাহমুদ

 

(বিষয়টি নিয়ে শোয়াইব মাহমুদের মা সাংবাদিকদেরকে জানায়, আপনাদের মাধ্যমে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ মাননীয় সৌদিআরবের বাদশাহ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদিআরবের সম্মানিত রাষ্ট্রদূত সহ সকলকে অনুরোধ করে জানাচ্ছি আমার নিষ্পাপ ছেলে কুরআনের পাখিকে সৌদিআরবের জেলখানা থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশে মায়ের বুঁকে ফিরিয়ে দিলে আমি যতদিন বেঁচে থাকবো প্রাণভরে আপনাদের জন্য দোয়া করবো। আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে জানাবো যেভাবে আপনারা আমার ছেলেকে মুক্ত করবেন, সে ভাবেই আল্লাহ্ যেন আপনাদেরকে আখিরাতের ময়দানে সকল সমস্যা থেকে মুক্ত করে দেন।)

 

মোঃ লোকমান হোসেন :

বাংলাদেশ এবং সৌদিআরবের সম্পর্ক খুবই মধুময় এবং সুন্দর। দীর্ঘ বছর ধরে সৌদিআরবে বাংলাদেশী অনেক মানুষ নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সৌদিআরবে কর্মরত বাংলাদেশী সকলের প্রতি সৌদিআরব সরকারের রয়েছে অনেক আন্তরিকতা এবং বিশ্বস্ততা। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে যেমন হাজার হাজার শ্রমিকরা যাচ্ছে সৌদিআরব কর্মসংস্থানের জন্য তেমনি হাজার হাজার মুসলমান নরনারী সৌদিআরব যায় পবিত্র হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে।

বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার কাউখালী থানার জয়কুল গ্রামে বসবাসরত শোয়াইব মাহমুদ, তার পিতা- মাওলানা মতিয়ার রহমান এবং মা মাছুমা পারভীন। পরিবারের বড় ছেলে শোয়াইব মাহমুদ দীর্ঘ ৩ বছর যাবৎ সৌদিআরবে থেকে হাইয়েল ইয়াসমিন এলাকার আনায বিন মালেক রোডে অবস্থিত আল জামিয়াতুল সাইফুল ইসলাম ইবনে তাইয়ামা মসজিদে খাদেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরীরত অবস্থায় তিনি বাড়ীতে প্রয়োজনীয় টাকা পাঠানোর পাশাপাশি বাকী টাকা নিজের কাছে জমিয়ে রাখতেন। খাদেম হিসেবে থাকাবস্থায় বাংলাদেশী টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার রামখালী গ্রামের আব্দুল হক মন্ডলের ছেলে রুবেল মন্ডলের সাথে সৌদিআরবে শোয়াইব মাহমুদের সাথে পরিচয় হয়।

এর পর থেকে তার সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে উঠলে। তার সুবাদে রুবেল মন্ডল একদিন শোয়াইবের কাছে এসে নমনীয়ভাবে জানায়, আমার বাড়ীতে আমার মা অসুস্থ, বাড়ীতে তাদের জন্য কিছু টাকা পাঠানো একান্ত প্রয়োজন। সে অনেক অনুরোধ করে শোয়াইব মাহমুদকে জানায় এক সপ্তাহের জন্য এক লক্ষ টাকা ধার হিসেবে দেন। এক সপ্তাহ পরে ওয়াদা অনুযায়ী টাকা ফেরৎ দিব, কোন রকম ভুল হবেনা। শোয়াইব মাহমুদ তার কথা অনুযায়ী রুবেলকে এক লক্ষ টাকা ধার দেয়। কিন্তু আজ কাল করে দীর্ঘদিন শোয়াইব মাহমুদকে টাকা ফেরৎ না দিয়ে প্রতারক রুবেল তালবাহনা শুরু করে, তার কিছুদিন পর শোয়াইব মাহমুদের সাথে রুবেলের দেখা হলে শোয়াইব মাহমুদ টাকা ফেরৎ চাইলে রুবেল এশার নামাজের পরে নিয়ে আসবো বলে কথা দিয়ে চলে যায়।

এশার নামাজের পরে রুবেল মসজিদের সামনে আসে এবং মোবাইল ফোনে শোয়াইব মাহমুদকে মসজিদের বাহিরে ডাকলে শোয়াইব মাহমুদ জানায় আপনি মসজিদের ভিতরে আসেন, তখন রুবেল জানায়, আমি পবিত্র অবস্থায় নাই, আপনি মসজিদের বাহিরে আসেন।

শোয়াইব মাহমুদ মসজিদের বাহিরে আসলে রুবেল দুইশত রিয়েল টাকা শোয়াইব মাহমুদের হাতে দেয় এবং এর সাথে কাগজে মোড়ানো একটা ভাজ করা কাগজ শোয়াইব মাহমুদকে দেয়। শোয়াইব মাহমুদ দুই শত রিয়েল গ্রহণ করার পরে বাকী টাকার কি হবে আমি দুইশত রিয়েল দিয়ে কি করবো জানাতেই কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই সৌদিআরবের সিআইডি শোয়াইব মাহমুদকে ঘিরে ফেলে এবং বেদড়ক মারধর করে শোয়াইব মাহমুদের নিকট থেকে দুইশত রিয়েল উদ্ধার করে যা সৌদিআরবের সিআইডিকে ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে শোয়াইব মাহমুদ মাদকের সাথে জড়িত আছে মর্মে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করে একজন মসজিদের খাদেমকে বিপদে ফেলে প্রতারক রুবেল।

শোয়াইব মাহমুদ গাড়ীতে উঠতে না চাইলে রুবেল নিজে তাকে সিআইডির সাথে সহযোগী হিসেবে ধাক্কা দিয়ে গাড়ীতে তুলে দেয় এবং শোয়াইব মাহমুদের পকেট থেকে ত্রিশ হাজার রিয়েল কৌশলে রুবেল নিজের পকেটে ভরে ফেলে। রুবেল বলে আমি সৌদিআরবে সিআইডির সাথে কাজ করি, আমার সাথে কোন রকম কোন বেয়াদবী করলে কোন বাংলাদেশী লোক রেহাই পায়না।

এই কথা গুলো রুবেল বাংলা ভাষায় বলার কারণে সৌদিআরব সিআইডি (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) কেউ বুঝতে পারেনি। রুবেল আরোও জানায়, জেলখানার ভিতরে যেয়ে দেখতে পাবি তোর মতো আরোও অনেকই ইতিমধ্যে জেলে আছে, যাদেরকে আমি তোর মতোই পাঠিয়েছি। রুবেল আরবি ভাষায় সিআইডিকে বলেন, তাকে জেলহাজতে দেওয়ার আগে আরোও বেশি করে মারধর করবেন। তার কথা অনুযায়ী সিআইডি শোয়াইব মাহমুদকে মারধর করতে থাকেন।

তখন শোয়াইব মাহমুদ আল্লাহ্/কুরআনকে স্বাক্ষী রেখে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন, আমি একজন কোরআনের হাফেজ। আমি এই মসজিদে এক বছরের উপরে খেদমতে আছি। আমি কোন অন্যায় করিনি। আমি রুবেলকে টাকা ধার দিয়েছিলাম বলেই আমার অপরাধ। আমাকে ছেড়ে দিয়ে মসজিদে খেদমত করার সুযোগ দিন। আমাকে জেলে দিয়েন না, আমি অপরাধী নই।

বিষয়টি শোয়াইব মাহমুদের পরিবার জানার পর তাদের পরিবারে নেমে আসে গভীর শোক। হাফেজ ছেলে শোয়াইব মাহমুদ সৌদিআরব জেলে আছে এই কথা শুনে শোয়াইব মাহমুদের মা মাছুমা পারভীন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান, আমার বড় ছেলে কোরআনে হাফেজ, তার স্ত্রী কোরআনে হাফেজ, আমার ছোট ছেলে কোরআনে হাফেজ, শোয়াইব মাহমুদের দুই মেয়ে কোরআনে হাফেজা অধ্যায়নরত আছে। আমি মা হিসেবে কোন দিনও দেখিনি আমার ছেলেরা কোন অন্যায় করেছে।

সৌদিআরবের আল গাছির রোডে অবস্থিত ইস্কান খালিজ জেলখানার ওয়ার্ড নং- জিনা এফ ২৭ থেকে মোবাইল করে আমার ছেলে শোয়াইব মাহমুদ জানায়, আল্লাহর কসম করে বলছি আমি কোন অপরাধ করি নাই, আমাকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র করে রুবেল ফাঁসিয়ে দিয়েছে। তোমরা সৌদিআরবে সম্মানিত বাদশাহর কাছে আবেদন করো যেন আমাকে মুক্ত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। শোয়াইব মাহমুদের মা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে এই বিষয় গুলো জানালে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে একটি অনুসন্ধানী সাংবাদিক দলকে রুবেলের বাড়ী টাঙ্গাইল ঘাটাইল রামখালী গ্রামে পাঠালে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করে জানায়, রুবেল এবং তার ভাই সোহেল বাংলাদেশে থাকাবস্থায় মাদকাসক্ত ছিল বলে জানা যায়।

রুবেলের পিতা- আব্দুল হক গরুর বেপারী। সৌদিআরব থেকে রুবেল প্রতারণা করে ইতিমধ্যে অনেক টাকা বাড়ীতে পাঠালে রুবেলের বাবা গ্রামে অনেক ধানী জমি ক্রয় করেছে বলে জানা যায়। রুবেল এবং তাদের পরিবারের সাথে আপন চাচা সহ গ্রামের অনেক পরিবারের সাথে তাদের বিবাদ রয়েছে বলে জানা যায়।

এ বিষয় নিয়ে রামখালী গ্রামের সার্জেন্ট (অবঃ) সাইদুর ওরফে ফারুক, রনি, শাহিন, বন্ধে আলী সাবেক ইউপি সদস্য সহ অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানায়, গ্রামে থাকাবস্থায় রুবেল এবং তার ভাই অনেক অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল এবং তারা মাদকাসক্তের পাশাপাশি নিজেরাও মাদক বিক্রি করতো বলে জানায়।

শোয়াইব মাহমুদের এই বিপদের কাহিনী রুবেলের মা এবং আত্মীয় স্বজনকে জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্ধ না করলে ভাল হবেনা বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে শোয়াইব মাহমুদের মা সাংবাদিকদেরকে জানায়, আপনাদের মাধ্যমে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ মাননীয় সৌদিআরবের বাদশাহ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদিআরবের সম্মানিত রাষ্ট্রদূত সহ সকলকে অনুরোধ করে জানাচ্ছি আমার নিষ্পাপ ছেলে কুরআনের পাখিকে জেলখানা থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশে মায়ের বুঁকে ফিরিয়ে দিলে আমি যতদিন বেঁচে থাকবো প্রাণভরে আপনাদের জন্য দোয়া করবো।

আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে জানাবো যেভাবে আপনারা আমার ছেলেকে মুক্ত করবেন, সে ভাবেই আল্লাহ্ যেন আপনাদেরকে আখিরাতের ময়দানে সকল সমস্যা থেকে মুক্ত করে দেন।

Conspiracy by the fraudulent ruble in Saudi Arabia

The victim is Hafeez Shoaib Mahmud

Shoaib Mahmood’s mother told reporters, “Through you, I request everyone, including Hon’ble Prime Minister Sheikh Hasina, Hon’ble King of Saudi Arabia and Honorable Ambassador of Saudi Arabia to Bangladesh, to release my innocent son Quran bird from Saudi Arabian prison and return it to my mother in Bangladesh as long as I live.” I will pray for you wholeheartedly. I will inform Allah Almighty that just as you will free my son, may Allah free you from all problems in the Hereafter.)

Md. Lokman Hossain:

The relationship between Bangladesh and Saudi Arabia is very honeyed and beautiful. Many Bangladeshis have been making a living in Saudi Arabia for many years. The Saudi government has a lot of sincerity and loyalty towards all Bangladeshis working in Saudi Arabia. Just as thousands of workers from Bangladesh go to Saudi Arabia for employment every year, so do thousands of Muslim men and women go to Saudi Arabia for the purpose of performing the holy Hajj and Umrah. Shoaib Mahmud, his father Maulana Matiar Rahman and mother Mashuma Parveen are living in Joykul village of Kaukhali police station in Pirojpur district of Bangladesh. The eldest son of the family, Shoaib Mahmud, has been working as a caretaker at the Al Jamiatul Saiful Islam Ibn Tayyama Mosque on Anaz Bin Malek Road in the Hayel Yasmin area of ​​Saudi Arabia for three long years. While working, he would send home the necessary money and keep the rest for himself.

While serving as a servant, the Bangladeshi met Shoaib Mahmud in Saudi Arabia with Rubel Mandal, son of Abdul Haq Mandal of Ramkhali village under Ghatail police station in Tangail district. After that a good relationship developed with him. Thanks to him, Rubel Mandal came to Shoaib one day and said flexibly, “My mother is ill at home, I need to send some money home for them.” He made many requests and informed Shoaib Mahmood to lend him one lakh rupees for one week. I will return the money as promised in a week, there will be no mistake. Shoaib Mahmud, according to him, lent one lakh rupees to Rubel.

But today, after a long time without returning the money to Shoaib Mahmud, the fraudster Rubel Talbahana started. A few days later, when Rubel met Shoaib Mahmood, Shoaib Mahmud asked him to return the money and left with the promise that Rubel would bring it after Esha prayers.

After the Asr prayers, Rubel came in front of the mosque and called Shoaib Mahmud outside the mosque on his mobile phone. Outside the Shoaib Mahmud Mosque, he actually gave Shoaib Mahmud two hundred riyals and a folded piece of paper wrapped in paper to Shoaib Mahmud. Shoaib Mahmoud after receiving two hundred riyals, what will happen to the rest of the money, what will I do with two hundred riyals? The fraudster Rubel put a mosque attendant in danger by conspiring falsely to the effect that Shoaib Mahmoud was involved in drugs.

When Shoaib Mahmud did not want to get in the car, Rubel himself pushed him into the car as an accomplice with the CID and Rubel filled his own pocket with thirty thousand real tricks from Shoaib Mahmud’s pocket. Rubel says I work with the CID in Saudi Arabia, no Bangladeshi will be spared if he insults me in any way. No one could understand the Saudi CID (law enforcement) because Rubel said these words in Bengali. “I can go inside the prison and see that there are many more like you already in prison, whom I have sent just like you,” Rubel said. Rubel told the CID in Arabic that he would be beaten more before he was released from prison. According to him, CID continued to beat Shoaib Mahmood. Then Shoaib Mahmud left Allah / Quran as a witness and cried and said, I am a memorizer of the Qur’an.

I have been serving in this mosque for over a year.  I have done no wrong. My crime is that I lent money to the ruble. Leave me alone and give me a chance to serve in the mosque. Don’t put me in jail, I’m not a criminal. After the family of Shoaib Mahmud came to know about the matter, deep grief descended on their family. Shoaib Mahmud’s mother Mashuma Parveen fell ill when she heard that Hafez’s son Shoaib Mahmud was in Saudi Arabian jail. He told Daily Amar Pran Bangladesh that my eldest son Hafez is studying Quran, his wife Hafez in Quran, my youngest son Hafeez in Quran and two daughters of Shoaib Mahmud are studying Hafeza in Quran.

As a mother, I have never seen my sons do anything wrong. “I swear to God that I have not committed any crime, I have been conspired against and the ruble has been hanged,” said my son Shoaib Mahmoud on a mobile phone from Ward No. Gina F27 of Iskan Khaleej Prison on Al Ghachi Road in Saudi Arabia. You beg the honorable king of Saudi Arabia to release me and send me to Bangladesh. When Shoaib Mahmud’s mother Dainik Amar Praner informed Bangladesh about these issues, the newspaper authorities took cognizance of the matter and sent an investigative team to Rubel’s house in Tangail Ghatail Ramkhali village.

Rubel’s father- Abdul Haq is a cattle trader. It is known that Rubel’s father bought a lot of paddy land in the village after he had already sent a lot of money home by cheating Rubel from Saudi Arabia. Rubel and his family are known to have disputes with many families in the village, including his uncle. Talking to many people including Ramkhali village sergeant (retd) Saidur alias Farooq, Rony, Shahin, Bandhe Ali, former UP member, they said that Rubel and his brother were involved in many misdeeds while they were in the village and they used to sell drugs themselves. Reported.

Rubel’s mother and relatives were furious when Shoaib Mahmood told them the story of the danger and threatened reporters that it would not be good if the cameras were not turned off. Shoaib Mahmood’s mother told reporters, “Through you, I urge everyone, including Prime Minister Sheikh Hasina, Hon’ble King of Saudi Arabia and Honorable Ambassador of Saudi Arabia to Bangladesh, to release my innocent son Quran bird from prison and return it to its mother in Bangladesh.

I will pray for you. I will inform Allah Almighty that just as you will free my son, may Allah free you from all problems in the Hereafter.