Amar Praner Bangladesh

সৌদি যুবরাজের সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক, আলোচনায় খাশোগি হত্যা

 

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

 

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ সময় সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার বিষয়টি সৌদি যুবরাজের কাছে উত্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন বাইডেন। খবর বিবিসি।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বর্তমানে দেশটি সফর করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে, ২০১৮ সালে তুরস্কে সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনায় দুই বছর আগে সৌদি আরবকে ‘একঘরে’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার (১৫ জুলাই) বৈঠকের পর জো বাইডেন বলেন, ২০১৮ সালের হত্যাকাণ্ডটি ‘আমার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’। তবে দুই দেশ অন্যান্য বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিহত খাশোগির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি বলেন, ‘আমি এটিকে (খাশোগির হত্যাকাণ্ড) বৈঠকের শীর্ষে উত্থাপন করেছি। এ ঘটনায় আমি তখন কি ভেবেছিলাম আর এখন কি ভাবছি তা পরিষ্কার করে দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি খুব সোজাসুজি বলেছি- মানবাধিকারের ইস্যুতে একজন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের নীরব থাকার অর্থ হলো আমরা কে এবং আমি কে তা ভুলে যাওয়া। আমি সবসময় আমাদের মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াব।’

বাইডেন আরও বলেন, যুবরাজ দাবি করেছেন, তিনি মৃত্যুর জন্য ‘ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নন।’ এর জবাবে ‘ইঙ্গিত দিয়েছিলাম, আমি ভেবেছিলাম তিনি (যুবরাজ) দায়ী ছিলেন।’

এদিন যুরাজের বাবা ও সৌদি বাদশাহ সালমানের সঙ্গেও দেখা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় উভয় দেশের নেতাদের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ, মানবাধিকার এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে, ২০১৮ সালে তুরস্কে সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনায় দুই বছর আগে সৌদি আরবকে ‘একঘরে’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জো বাইডেন। তবে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সৌদি যুবরাজ। কিন্তু তিনি এ হত্যাকাণ্ডের অনুমোদন দিয়েছেন বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ হলো সৌদি আরব। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধির পর দেশটির সঙ্গে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান পরিস্থিতে সৌদি সরকার তেলের উৎপাদন বাড়াতে রাজি হবেন বলে মনে করেছেন মার্কিন প্রশাসন।