Amar Praner Bangladesh

স্ত্রীকে বাড়ীর মালিক করার চেষ্টা কেয়ারটেকার আবুল হোসেনের

ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ মানুষ মানুষের জন্য। নিরাশ্রিতকে আশ্রয় প্রদান করা, ক্ষুধার্তকে খাবার প্রদান করা, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র প্রদান করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আর এই মানবতা দেখাতে যেয়েই দেখা দেয় বিপত্তি। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে নিরাশ্রিতকে আশ্রয় প্রদান করার বিষয়টি। ইদানিং বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে বাড়ির ভাড়াটিয়া, ম্যানেজার ও কেয়ার টেকারগন। বাড়ির মালিকদেরকেই বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির মালিক হচ্ছে এই দুষ্ট প্রকৃতির ভাড়াটিয়া, ম্যানেজার ও কেয়ারটেকারগণ। আর এই ঘটনাগুলি অহরহই ঘটছে। প্রতিদিন পত্রিকায় চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে কোন না কোন এলাকায় বাড়ির মালিক হওয়ার চেষ্টা চলছে এই দুষ্ট প্রকৃতির ভাড়াটিয়া, ম্যানেজার ও কেয়ারটেকারদের। কিছু সুবিধা পাবার আশায় এই ভাড়াটিয়া ও কেয়াটেকারদের সাথে হাত মিলাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী কুচক্রমহল। রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর এলাকায় ৭৯১ নং বাড়ীর কেয়ার টেকার বাড়িটি ছেড়ে যাওয়ার জন্য সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে জিম্মি করে ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়িটি খালি করার কথা বলে। ২৭ লক্ষ টাকা পেয়ে কেয়ার টেকার আবুল হোসেন ও তার সন্তান হাবিবুল বাশার বাসা থেকে চলে যায়। কিন্তু নতুন কৌশল হিসেবে বাসাতে রেখে যায় তাদের স্ত্রীদেরকে। কেয়ারটেকার আবুল হোসেন ও তার ছেলে হাবিবের স্ত্রীদের শুরু হয় নতুন দাবী ২৩ লক্ষ টাকার। কেয়ার টেকার আবুল হোসেনের স্ত্রী বাড়ির মালিক রোকেয়া বেগমের ছেলে ওসমান মৃধাকে পাঁচ দিনের সময় দিয়ে ২৩ লক্ষ টাকা দাবি করে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ২৩ লক্ষ টাকা দিতে না পারায় জাল দলিল করে এখন নিজেকেই বাড়ির মালিক দাবি করছে এই ধূরন্ধর মহিলা মঞ্জু বেগম। কেয়ার টেকার আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পাগল প্রায় বাড়ির মালিক রোকেয়া বেগম। রোকেয়া বেগমের সন্তান দৈনিক আমার প্রানের বাংলাদেশকে বলেন কেয়ারটেকার ও তার পরিবার বর্গ প্রতিদিনই বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন লোক মারফত ফোনে হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। আমি বাড়ির মালিক হয়ে আজ আমি পথে তারা আমার বাসায়। স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন কেয়ার টেকার হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পূর্ব থেকেই বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে কেয়ার টেকার হোসেনের বাহিনী এসে বিভিন্ন ভাবে লাঞ্চিত করে। এলাকার আশেপাশের বাসিন্দারা বলেন কেয়ারটেকার হোসেন বিভিন্ন রিক্সা ও সিএনজি চোরের সর্দার হিসেবে পরিচিত। তার এক ছেলে আরিফ যিনি নিজে মাদকসেবী ও মনিপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। আবুল হোসেনের অন্য সন্তান হাবিব ধূরন্ধর, প্রতারক হিসেবে পরিচিত। যার প্রতারণার শিকার হয়ে হাজারো মানুষ আজ ও পথে পথে ঘুরছে। আবুল হোসেনের অন্য সন্তান রকি ওরফে ছিনতাই রকি যার আতঙ্কে সন্ধ্যার পথ থেকেই এলাকার মানুষ বাহিরে বের হতে ভয় পায়। বাবা ছেলে প্রত্যেকেরই রয়েছে একটা করে নিজস্ব বাহিনী। আর এদের ভয়ংকর ছোবলে দিশেহারা শুধু সাধারণ মানুষই নয়, সয়ং তাদের আশ্রয়দাতা বাড়ির মালিক রোকেয়া বেগম ও তার সন্তানরা।  এ বিষয়ে বাড়ির মালিক প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।